তাইওয়ানে বর্ষবরণে কান্নার উৎসব – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ জানুয়ারি, ২০২৫

তাইওয়ানে বর্ষবরণে কান্নার উৎসব

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ জানুয়ারি, ২০২৫ |
পুরাতনকে ভুলে নতুন বছর যেন নতুন আশার সঞ্চার। সবমিলিয়ে যেন ভালো যায় এই যেন সবার কাম্য। সারাবিশ্বে চলে নানা আয়োজন। রঙিন ও বর্ণাঢ্য সাজে মেতে উঠে অধিকাংশ দেশের রাস্তা-ঘাট। কিন্তু বৈচিত্র্যময় বিশ্বে এই উৎসব পালনে দেখা যায় ভিন্নতা। পূর্ব এশিয়ার দেশ তাইওয়ানে রীতিমতো কান্নার মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য। তাইপেই শহরের দা’আন ফরেস্ট পার্কে এই কান্নার উৎসবের আয়োজন করেছিলেন ২২ বছর বয়সি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হ্যারি লি। ২০২৩ সালে মজার ছলে ফেসবুকে করা একটি পোস্ট থেকে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের সূচনা হয়। পোস্টে তিনি আহ্বান জানান মানুষকে পার্কে এসে ৩০ মিনিট ধরে কাঁদতে। বিষয়টি

জনপ্রিয় তাইওয়ানিজ চলচ্চিত্র ‘ভিভ ল’আমোর’-এর একটি দৃশ্য থেকে অনুপ্রাণিত। ১৯৯৪ সালে ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত এই চলচ্চিত্রটি তাইপেই শহরের দ্রুত আধুনিকায়ন এবং নগরজীবনের একাকীত্ব ও অবসাদকে চিত্রিত করে। চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে নারী চরিত্রটি পার্কের বেঞ্চে বসে দীর্ঘক্ষণ কাঁদার পর সিগারেট জ্বালিয়ে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। হ্যারি লি’র পোস্টটি মজার জন্য করা হলেও তা দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। ২০২৩ সালের নববর্ষের রাতে প্রায় ১৬ হাজার মানুষ এতে যোগদানের আগ্রহ দেখান। শত শত মানুষ পার্কে জড়ো হয়ে কাঁন্না, হাসি, গান গাওয়া, নাচ ও গল্প বলার মাধ্যমে উৎসব উদযাপন করেন। লি বলেন, আমি কখনও ভাবিনি মানুষ সত্যিই আসবে বা এটি এতটা জনপ্রিয় হবে। ২০২৪ সালের

এই কান্নার উৎসবে ইতোমধ্যে ৩৩ হাজার মানুষ যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এবার তাইওয়ান ফিল্ম অ্যান্ড অডিওভিজ্যুয়াল ইনস্টিটিউট এই আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তারা পার্কে ‘ভিভ ল’আমোর’ চলচ্চিত্রের মুক্তির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি আউটডোর প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। চলচ্চিত্রের মূল অভিনয়শিল্পীরা এতে অংশ নেবেন। ২০২৩ সালে অংশগ্রহণকারীরা এই আয়োজনকে সংবেদনশীল ও আবেগঘন বলে বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ সেখানে নিজের কষ্টের কথা ভাগাভাগি করে কেঁদেছেন, আবার অনেকে নিজেদের আবেগমুক্ত করেছেন। অ্যাস্টার চ্যাং বলেন, ‘আমি সত্যিই কেঁদেছি! একটি পুরো টিস্যু প্যাকেট শেষ হয়ে গিয়েছিল’। আরেক অংশগ্রহণকারী চেন চু-ইয়ুয়ান বলেন, ‘যখন আপনি এখানে কাঁদবেন, তখন মানুষ আপনাকে সান্ত্বনা দেবে, আঙুল তুলে দেখাবে না।’ এই

কান্নার উৎসবটি দেখিয়েছে যে, সবাই একইভাবে আনন্দ উদযাপন করে না। যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের জীবন দেখে ঈর্ষান্বিত বা একাকী বোধ করেন, তাদের জন্য এটি ছিল এক বিরল ও মুক্তির মতো অভিজ্ঞতা। উল্লেখ্য, তাইওয়ানে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৩০ থেকে ৪৫ বছর বয়সিদের প্রতি চারজনের একজনের মধ্যে বিষণ্নতা বা উদ্বেগের লক্ষণ দেখা গেছে। এই সমস্যার সমাধানে সরকার বিনামূল্যে কাউন্সেলিং প্রোগ্রাম চালু করেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য