ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
পাকিস্তানের ইশারায় ক্রিকেট ধ্বংস, ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আর আসিফ নজরুলের নীরবতা—বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ নেতৃত্বহীন লাশ
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিতে ভীত ইউনুস সরকার: রাজধানীতে ধরপাকড়, গ্রেফতার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীতে উত্তেজনা তীব্র হচ্ছে। রাজনৈতিক এবং সাধারণ জনগণের আলোচনায়—যারা ভেবেছিল আওয়ামী লীগ আর মাঠে ফিরবে না, তারাই এখন আতঙ্কিত। অনেকেই বলছেন, আওয়ামী লীগ যেন ফিনিক্স পাখির মতো আবার উঠে এসেছে—এবার সরাসরি রাজপথে।
সুত্র বলছে, ১৩ নভেম্বরের এই কর্মসূচি সামনে রেখে রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমেছে স্পষ্ট টানাপোড়েন। আওয়ামী লীগ তাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে, অপরদিকে ইউনুস সরকার তাদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কায় এখন প্রশাসনিক কঠোরতায় ঝুঁকেছে বলে অভিযোগ উঠছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকাগুলোর আবাসিক হোটেল, মেস ও ছাত্রাবাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলছে। যাকে পাওয়া
যাচ্ছে তাকেই সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হচ্ছে। পুলিশি হয়রানি, চেকিং ও গ্রেফতার আতঙ্কে রয়েছে ১৩ তারিখ মধ্যরাতের পরে ঘরে ফেরা রাতমজুর, বিভিন্ন পরিবহনে ঢাকায় আসা সাধারন নাগরিকেরা। সবচেয়ে বেশী আতঙ্কে ছিল মোটর সাইকেল চালক, পাঠাও বা উবার রাইডাররা। খুব কড়া তল্লাশী করা হয় মোটর সাইকেল চালকদের, দিতে হয় অনেক অনেক প্রশ্নের জবাব। কোথাও কোথাও এমন দৃশ্যও দেখা গেছে যে, লকডাউন প্রতিহত করতে আসা রাজনৈতিক কর্মি বা ইন্টেরিম সরকার আয়োজিত তথ্যচিত্র দেখা ঘরে ফেরা মানুষেরাও পুলিশের তল্লাসীতে গ্রেফতার হয়েছেন। ফার্মগেটে “লকডাউন” প্রতিহত করতে যাওয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের লাঠিপেটা করে ঘরে পাঠিয়েছে যৌথবাহিনী। সুত্র আরও জানায়,রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি, যুবদল, এমনকি আওয়ামী লীগ সমর্থক
বলেও পরিচিত ব্যক্তিদের আটক করা হচ্ছে—‘লীগ সন্দেহে’। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, রাতের বেলায় রাস্তায় চলাচলকারী যেকোনো ব্যক্তিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সাদা পোশাকের পুলিশ বা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাজধানীতে নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চলছে। কাউকে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে না। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, সরকার বিরোধী কর্মসূচি ঠেকাতে নির্বিচারে গ্রেপ্তার চলছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এক কর্মকর্তা বলেন, যে হারে গত ৪৮ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার হচ্ছে, তা আইনের শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সরকার রাজনৈতিক বিরোধিতা সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে।
যাচ্ছে তাকেই সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হচ্ছে। পুলিশি হয়রানি, চেকিং ও গ্রেফতার আতঙ্কে রয়েছে ১৩ তারিখ মধ্যরাতের পরে ঘরে ফেরা রাতমজুর, বিভিন্ন পরিবহনে ঢাকায় আসা সাধারন নাগরিকেরা। সবচেয়ে বেশী আতঙ্কে ছিল মোটর সাইকেল চালক, পাঠাও বা উবার রাইডাররা। খুব কড়া তল্লাশী করা হয় মোটর সাইকেল চালকদের, দিতে হয় অনেক অনেক প্রশ্নের জবাব। কোথাও কোথাও এমন দৃশ্যও দেখা গেছে যে, লকডাউন প্রতিহত করতে আসা রাজনৈতিক কর্মি বা ইন্টেরিম সরকার আয়োজিত তথ্যচিত্র দেখা ঘরে ফেরা মানুষেরাও পুলিশের তল্লাসীতে গ্রেফতার হয়েছেন। ফার্মগেটে “লকডাউন” প্রতিহত করতে যাওয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের লাঠিপেটা করে ঘরে পাঠিয়েছে যৌথবাহিনী। সুত্র আরও জানায়,রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি, যুবদল, এমনকি আওয়ামী লীগ সমর্থক
বলেও পরিচিত ব্যক্তিদের আটক করা হচ্ছে—‘লীগ সন্দেহে’। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, রাতের বেলায় রাস্তায় চলাচলকারী যেকোনো ব্যক্তিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সাদা পোশাকের পুলিশ বা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাজধানীতে নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চলছে। কাউকে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে না। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, সরকার বিরোধী কর্মসূচি ঠেকাতে নির্বিচারে গ্রেপ্তার চলছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এক কর্মকর্তা বলেন, যে হারে গত ৪৮ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার হচ্ছে, তা আইনের শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সরকার রাজনৈতিক বিরোধিতা সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে।



