ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডুয়েট ফাঁকা, ভিসির সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বৈঠক
জাবিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, গালাগাল ও হুমকির অভিযোগ
ডুয়েটে নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, একাধিক শিক্ষার্থী আহত
যখন বাড়ির দেয়াল নিজেই একটা ভূগোলের বই হয়ে ওঠে!
উচ্চশিক্ষায় আবাসিক সংকট
ডুয়েটে ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ২৫
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় উত্তাল ক্যাম্পাস: প্রক্টরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, কার্যালয়ে তালা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে ছাত্রদলের ত্রাসের রাজত্ব
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের শারীরিক নির্যাতন, রুম ভাংচুর, হল থেকে উচ্ছেদ এবং সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর উপর হামলার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক গ্রুপগুলোতে ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র সমালোচনার মুখে ছাত্রদলের জগন্নাথ হল কমিটির তিন যুগ্ম-আহ্বায়ক ঝলক দাস, চন্দন দাস ও রিপন চন্দ্রকে তাদের সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
সূত্রমতে, এ ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। ১২ ই মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বিভিন্ন হলগুলোতে ছাত্রদলের প্রাধান্য বিস্তার আর ক্ষমতার প্রদর্শন শুরু হয়।
গত ৯ মে দিবাগত রাতে জগন্নাথ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক ঋষিকেশ কুন্ডু, সদস্য সচিব
প্রসেনজিৎ বিশ্বাস ও যুগ্ম আহ্বায়ক নিত্যানন্দ পালের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ একদল কর্মী হলে শো-ডাউন করে। তারা একাধিক বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, দুইজনের বেড ফেলে দেয় এবং রুম ভাংচুর করে। এসময় জুলাই আন্দোলনে জগন্নাথ হলে নেতৃত্বদানকারী ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রীতম সাহা আনন্দের রুম ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে ভাংচুর করা হয়। একই রুমে দ্বিতীয় বর্ষের আরেক শিক্ষার্থীর সিটও ভাঙচুরের শিকার হয়। অথচ ছাত্রদলের ছত্রছায়ায় ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৮-১৯ সেশনের অনেক শিক্ষার্থী এখনো হলে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় জগন্নাথ হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য ধ্রুব রায়, প্রান্ত পালসহ রাখাল রায়, পিষুজ বিশ্বাস, দুর্জয় রায়, পিয়াল বড়ুয়া আলভিন, বিধান রায়, পল্লব মণ্ডলসহ অনেকে জড়িত ছিলেন।
আবাসিক শিক্ষার্থী নিলয় বিশ্বাস বর্ণকে ছাত্রলীগের সাথে পূর্ব সম্পৃক্ততার অভিযোগে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একাধিক সাধারণ শিক্ষার্থীকে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। ভুক্তভোগীরা হল প্রশাসন ও গ্রুপে অভিযোগ জানালে উল্টো ছাত্রদল কর্মীরা তাদের নামে পোস্টারিং করে চাপ সৃষ্টি করে এবং মামলার ভয় দেখিয়ে হল ছাড়তে বাধ্য করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১২ মে ক্যাম্পাস সফরকে কেন্দ্র করে ‘হলের নিরাপত্তা’র অজুহাতে প্রশাসন পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথ হলের বর্তমান প্রভোস্ট ছাত্রজীবনে চারুকলা অনুষদ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন বলে অভিযুক্তরা বিচারের আওতায় আসছেন না বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ জগন্নাথ হলে পাক হানাদার ও রাজাকারদের গণহত্যার স্মৃতি বিজড়িত এই হলের
শিক্ষার্থীরা ২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনের পর ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্র শিবিরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ছাত্রদল প্যানেলকে একচেটিয়া সমর্থন দিয়েছিল। অথচ মাত্র ২১ মাস পর সেই ছাত্রদলের হল কমিটির বিরুদ্ধেই ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের অভিযোগ উঠছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাগুলো নিয়ে জগন্নাথ হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতাকে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। এদিকে, ডাকসু নির্বাচনে জগন্নাথ হলে শোচনীয় পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মীরা এসব ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করে ছাত্রদলের ইমেজ ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। জগন্নাথ হলের এই পরিস্থিতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও হলের সুষ্ঠু পরিবেশ
নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
প্রসেনজিৎ বিশ্বাস ও যুগ্ম আহ্বায়ক নিত্যানন্দ পালের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ একদল কর্মী হলে শো-ডাউন করে। তারা একাধিক বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, দুইজনের বেড ফেলে দেয় এবং রুম ভাংচুর করে। এসময় জুলাই আন্দোলনে জগন্নাথ হলে নেতৃত্বদানকারী ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রীতম সাহা আনন্দের রুম ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে ভাংচুর করা হয়। একই রুমে দ্বিতীয় বর্ষের আরেক শিক্ষার্থীর সিটও ভাঙচুরের শিকার হয়। অথচ ছাত্রদলের ছত্রছায়ায় ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৮-১৯ সেশনের অনেক শিক্ষার্থী এখনো হলে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় জগন্নাথ হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য ধ্রুব রায়, প্রান্ত পালসহ রাখাল রায়, পিষুজ বিশ্বাস, দুর্জয় রায়, পিয়াল বড়ুয়া আলভিন, বিধান রায়, পল্লব মণ্ডলসহ অনেকে জড়িত ছিলেন।
আবাসিক শিক্ষার্থী নিলয় বিশ্বাস বর্ণকে ছাত্রলীগের সাথে পূর্ব সম্পৃক্ততার অভিযোগে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একাধিক সাধারণ শিক্ষার্থীকে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। ভুক্তভোগীরা হল প্রশাসন ও গ্রুপে অভিযোগ জানালে উল্টো ছাত্রদল কর্মীরা তাদের নামে পোস্টারিং করে চাপ সৃষ্টি করে এবং মামলার ভয় দেখিয়ে হল ছাড়তে বাধ্য করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১২ মে ক্যাম্পাস সফরকে কেন্দ্র করে ‘হলের নিরাপত্তা’র অজুহাতে প্রশাসন পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথ হলের বর্তমান প্রভোস্ট ছাত্রজীবনে চারুকলা অনুষদ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন বলে অভিযুক্তরা বিচারের আওতায় আসছেন না বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ জগন্নাথ হলে পাক হানাদার ও রাজাকারদের গণহত্যার স্মৃতি বিজড়িত এই হলের
শিক্ষার্থীরা ২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনের পর ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্র শিবিরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ছাত্রদল প্যানেলকে একচেটিয়া সমর্থন দিয়েছিল। অথচ মাত্র ২১ মাস পর সেই ছাত্রদলের হল কমিটির বিরুদ্ধেই ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের অভিযোগ উঠছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাগুলো নিয়ে জগন্নাথ হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতাকে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। এদিকে, ডাকসু নির্বাচনে জগন্নাথ হলে শোচনীয় পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মীরা এসব ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করে ছাত্রদলের ইমেজ ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। জগন্নাথ হলের এই পরিস্থিতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও হলের সুষ্ঠু পরিবেশ
নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।



