ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবি-স্থানীয়দের তৎপরতায় ব্যর্থ
হাতিরঝিলে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ
পুশ ইন ঠেকাতে লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি, সতর্ক স্থানীয়রাও
সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযানের মধ্যেই খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
ঢাকায় ২ বোন হত্যা, মাস্ক-ক্যাপ পরা সেই ব্যক্তি গ্রেফতার
রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় দুই বোনকে হত্যার ঘটনায় বাসার সিসিটিভিতে দেখা যাওয়া অপরিচিত এক ব্যক্তিকে খুঁজছিল পুলিশ। তার মুখে মাস্ক এবং মাথায় ক্যাপ ছিল। তাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। সোমবার দুপুরে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।
পুলিশ বলছে, গ্রেফতার তরুণ নিহতদের ছোট বোনের ছেলে। তার নাম গোলাম রব্বানী ওরফে তাজ (১৮)। রোববার গভীর রাতে ঝালকাঠির সদর উপজেলার আছিয়ার গ্রাম থেকে রব্বানীকে গ্রেফতার করে ডিবি।
ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, আজ বিকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বিস্তারিত জানানো
হবে। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গত শুক্রবার বিকালে বাড়ির ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় (সিসিটিভি) দেখতে পাওয়া ব্যক্তিটিই গোলাম রব্বানী। তিনি হত্যার শিকার মরিয়ম বেগম ও সুফিয়া বেগমের ছোট বোনের ছেলে। তিনি তার দুই খালাকে হত্যা করেছেন। গত শুক্রবার ৬৪৯ পশ্চিম শেওড়াপাড়ার বাড়িটির দোতলায় একটি ফ্ল্যাটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সাবেক কর্মকর্তা মরিয়ম বেগম (৬০) ও তার ছোট বোন সুফিয়া বেগমকে (৫২) ছুরিকাঘাত, শিলনোড়ার আঘাতে হত্যা করা হয়। সেদিন রাত ১১টার দিকে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে। ওই পুলিশ আরও জানান, রব্বানী মা-বাবার সঙ্গে রাজধানীর শনির আখড়ায় থাকেন। টাকার জন্য তিনি পশ্চিম শেওড়াপাড়ায় তার বড় খালা মরিয়ম বেগমের বাসায় যান। সেখানে মরিয়মের
আরেক বোন সুফিয়া বেগম থাকতেন। তারা রব্বানীকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি ছুরিকাঘাত ও শিল-নোড়ার আঘাতে দুই খালাকে হত্যা করেন। পরে তিনি তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠিতে গিয়ে আত্মগোপন করেন। গোলাম রব্বানী মোবাইল ফোনে আসক্ত। উগ্র আচরণে কারণে এর আগে তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনার পরদিন মরিয়মের স্বামী বন বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা কাজী আলাউদ্দিন বাদী হয়ে রাজধানীর মিরপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।
হবে। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গত শুক্রবার বিকালে বাড়ির ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় (সিসিটিভি) দেখতে পাওয়া ব্যক্তিটিই গোলাম রব্বানী। তিনি হত্যার শিকার মরিয়ম বেগম ও সুফিয়া বেগমের ছোট বোনের ছেলে। তিনি তার দুই খালাকে হত্যা করেছেন। গত শুক্রবার ৬৪৯ পশ্চিম শেওড়াপাড়ার বাড়িটির দোতলায় একটি ফ্ল্যাটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সাবেক কর্মকর্তা মরিয়ম বেগম (৬০) ও তার ছোট বোন সুফিয়া বেগমকে (৫২) ছুরিকাঘাত, শিলনোড়ার আঘাতে হত্যা করা হয়। সেদিন রাত ১১টার দিকে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে। ওই পুলিশ আরও জানান, রব্বানী মা-বাবার সঙ্গে রাজধানীর শনির আখড়ায় থাকেন। টাকার জন্য তিনি পশ্চিম শেওড়াপাড়ায় তার বড় খালা মরিয়ম বেগমের বাসায় যান। সেখানে মরিয়মের
আরেক বোন সুফিয়া বেগম থাকতেন। তারা রব্বানীকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি ছুরিকাঘাত ও শিল-নোড়ার আঘাতে দুই খালাকে হত্যা করেন। পরে তিনি তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠিতে গিয়ে আত্মগোপন করেন। গোলাম রব্বানী মোবাইল ফোনে আসক্ত। উগ্র আচরণে কারণে এর আগে তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনার পরদিন মরিয়মের স্বামী বন বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা কাজী আলাউদ্দিন বাদী হয়ে রাজধানীর মিরপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।



