ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
৪৩ দিনেই ব্যাংক থেকে ৪১ হাজার কোটি টাকা ধার ইউনূসের পর বেপরোয়া ঋণ নিচ্ছে নতুন সরকারও
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছেন এবং ছাত্রদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দেশের ছয়টি প্রজন্মকে (জেনারেশন) ধ্বংস করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এম এ আজিজ। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, নানা সমালোচনা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে আওয়ামী লীগের সমর্থক কমেনি, বরং বাড়ছে।
কালের কণ্ঠের নিয়মিত টক শো আয়োজন ‘কালের সংলাপ’–এ অংশ নিয়ে দেশের চলমান রাজনীতি, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এসব বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
আওয়ামী লীগের সমর্থক কমেনি, বাড়ছে
কালের সংলাপে এম এ আজিজ বলেন, ক্ষমতা গ্রহণের ছয় মাসের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন দিলে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবেই কোণঠাসা হয়ে
পড়ত। নেপালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, "৬ মাসের ভেতরে যদি নির্বাচন দিত, তাহলে অটোমেটিক নেপালের মতো জনগণের যে আপত্তি তৈরি হয়েছিল, তাতে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এমনিতেই পলিটিক্যালি ডিফেন্সিভে (রক্ষণাত্মক অবস্থায়) চলে যেত। এর জন্য কোনো আইন করার প্রয়োজন হতো না।" আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, "এখন নানান কথার কারণে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে যতই বলা হোক না কেন, তাদের সমর্থক তো কমে না। সমর্থক কমছে না, বাড়ছেই।" 'তরুণ সমাজকে ধ্বংস করেছেন ড. ইউনূস' ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং পরবর্তী পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সাংবাদিক এম এ আজিজ তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ড. ইউনূস মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) তৈরি করে তরুণদের ব্যবহার করছেন। নেপালে সরকারের
পতনের সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফেরত পাঠানো হলেও আমাদের এখানে সেটি করা হয়নি। তিনি বলেন, "তাদের ব্যবহার করে ক্লাস এইট থেকে শুরু করে মাস্টার্স পর্যন্ত প্রায় ছয়টা জেনারেশন ড. ইউনূস ধ্বংস করে দিয়েছেন।" আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে তিনি বলেন, "তারা এখন আর কোটাবিরোধী আন্দোলন করে না, মেধার কথাও বলে না। এখন একবার এমপি হতে চায়, মন্ত্রী হতে চায়। সবাই বিতর্কিত, তাদের বিরুদ্ধে দুদকেও মামলা হয়েছে।" ‘শাহবাগে যা ইচ্ছা বলা যায়, পার্লামেন্টে নয়’ সংলাপের একপর্যায়ে সঞ্চালিকা জানতে চান, স্পিকার হাসনাত আবদুল্লাহর ‘এটি শাহবাগ নয়, এটি পার্লামেন্ট’—এই রুলিংয়ের বিষয়ে তাঁর মত কী। জবাবে এম এ আজিজ স্পিকারের অবস্থানকে জোরালোভাবে সমর্থন করেন। তিনি বলেন, "পার্লামেন্টের একটা নর্মস
(রীতিনীতি) আছে, সেটা মানতে হবে। আপনি আরেকজনকে টিটকারি করবেন, কটু কথা বলবেন—এটা পার্লামেন্টে চলবে না। আনপার্লামেন্টারিয়ান কোনো শব্দ পার্লামেন্টে ব্যবহার করা যাবে না। শাহবাগে যা ইচ্ছে তাই বলতে পারেন, কিন্তু সেটা পার্লামেন্টে তো বলতে পারবেন না।" বিশৃঙ্খলায় ছাড় দেবে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশের অধিকারের কথা স্বীকার করে এম এ আজিজ বলেন, "বিরোধী দল ওয়াকআউট করতে পারে, শান্তিপূর্ণ মিছিল-মিটিং করতে পারে—এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, তবে সরকার বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তো বসে থাকবে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের জন্য গরম পানি আছে, কাঁদানে গ্যাস আছে—সেগুলো তো প্রয়োগ হবেই।" বিনিয়োগ খরা ও প্রবাসী আয় ছাড়া অর্থনীতির অন্যান্য সূচক
দুর্বল হওয়ায় দেশ অনেকটা ‘অচল’ হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত সরকার এই জন্যই নির্বাচন দিতে বাধ্য হচ্ছে। দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মনে করেন এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক।
পড়ত। নেপালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, "৬ মাসের ভেতরে যদি নির্বাচন দিত, তাহলে অটোমেটিক নেপালের মতো জনগণের যে আপত্তি তৈরি হয়েছিল, তাতে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এমনিতেই পলিটিক্যালি ডিফেন্সিভে (রক্ষণাত্মক অবস্থায়) চলে যেত। এর জন্য কোনো আইন করার প্রয়োজন হতো না।" আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, "এখন নানান কথার কারণে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে যতই বলা হোক না কেন, তাদের সমর্থক তো কমে না। সমর্থক কমছে না, বাড়ছেই।" 'তরুণ সমাজকে ধ্বংস করেছেন ড. ইউনূস' ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং পরবর্তী পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সাংবাদিক এম এ আজিজ তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ড. ইউনূস মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) তৈরি করে তরুণদের ব্যবহার করছেন। নেপালে সরকারের
পতনের সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফেরত পাঠানো হলেও আমাদের এখানে সেটি করা হয়নি। তিনি বলেন, "তাদের ব্যবহার করে ক্লাস এইট থেকে শুরু করে মাস্টার্স পর্যন্ত প্রায় ছয়টা জেনারেশন ড. ইউনূস ধ্বংস করে দিয়েছেন।" আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে তিনি বলেন, "তারা এখন আর কোটাবিরোধী আন্দোলন করে না, মেধার কথাও বলে না। এখন একবার এমপি হতে চায়, মন্ত্রী হতে চায়। সবাই বিতর্কিত, তাদের বিরুদ্ধে দুদকেও মামলা হয়েছে।" ‘শাহবাগে যা ইচ্ছা বলা যায়, পার্লামেন্টে নয়’ সংলাপের একপর্যায়ে সঞ্চালিকা জানতে চান, স্পিকার হাসনাত আবদুল্লাহর ‘এটি শাহবাগ নয়, এটি পার্লামেন্ট’—এই রুলিংয়ের বিষয়ে তাঁর মত কী। জবাবে এম এ আজিজ স্পিকারের অবস্থানকে জোরালোভাবে সমর্থন করেন। তিনি বলেন, "পার্লামেন্টের একটা নর্মস
(রীতিনীতি) আছে, সেটা মানতে হবে। আপনি আরেকজনকে টিটকারি করবেন, কটু কথা বলবেন—এটা পার্লামেন্টে চলবে না। আনপার্লামেন্টারিয়ান কোনো শব্দ পার্লামেন্টে ব্যবহার করা যাবে না। শাহবাগে যা ইচ্ছে তাই বলতে পারেন, কিন্তু সেটা পার্লামেন্টে তো বলতে পারবেন না।" বিশৃঙ্খলায় ছাড় দেবে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশের অধিকারের কথা স্বীকার করে এম এ আজিজ বলেন, "বিরোধী দল ওয়াকআউট করতে পারে, শান্তিপূর্ণ মিছিল-মিটিং করতে পারে—এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, তবে সরকার বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তো বসে থাকবে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের জন্য গরম পানি আছে, কাঁদানে গ্যাস আছে—সেগুলো তো প্রয়োগ হবেই।" বিনিয়োগ খরা ও প্রবাসী আয় ছাড়া অর্থনীতির অন্যান্য সূচক
দুর্বল হওয়ায় দেশ অনেকটা ‘অচল’ হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত সরকার এই জন্যই নির্বাচন দিতে বাধ্য হচ্ছে। দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মনে করেন এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক।



