ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
কলকাতায় ভারতের প্রথম ম্যাজিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
ইউরোপের যে ১০ দেশে ঘণ্টাপ্রতি বেতন সবচেয়ে বেশি
দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৩,২৬৬ টাকা
চীন বিতর্কের মাঝে এমবাপের ঝলক
তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ‘হাদিস’ আখ্যা ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালকের
বিকাশ দোকানিকে কুপিয়ে ২২ লাখ টাকা লুটে নিলেন ছাত্রদল সভাপতি
ডিসিকে দিয়ে ৩২ ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করে শতকোটি টাকার সম্পদ দখল নিলেন জেলা জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার আমির মোবারক হোসাইন আকন্দের বিরুদ্ধে জমি দখল, অর্থ আত্মসাৎ ও নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
জেলা শহরের কেন্দ্রস্থলে বিপুল মূল্যমানের জমি দখলের পর প্রশাসনের মাধ্যমে অন্তত ৩২ জন দোকানিকে উচ্ছেদ করা হয়। সেখানে এখন বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে। ‘তিতাস টাওয়ার’ নামে আরেকটি ভবনের বিপুল অর্থের হিসাবও তিনি অংশীদারদের দেননি বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে অভিযোগ জানালেও এখনো কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানালেন ভুক্তভোগীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (ইআবা) সঙ্গে জোট গঠনের আলোচনার সময় ওই দলের এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করানোর অভিযোগও উঠেছে মোবারক হোসাইন আকন্দের বিরুদ্ধে।
এ
ছাড়া অন্য আসনে নিজের দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করতে উৎসাহ দেওয়া এবং জোটের আরেক প্রার্থীকে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় দলটির নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
হোসেনও যুক্ত ছিলেন বলে তথ্য রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের পর তৎকালীন জেলা প্রশাসক দিদারুল আলমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে উচ্চ আদালতের আদেশের কথা বলে মাত্র ২০ মিনিটের নোটিশে ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হয়। এতে ৩২ জন দোকানি ও ভাড়াটিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হন। পরে জমির মালিক ও একটি সিন্ডিকেটের সঙ্গে চুক্তি করে কোনো পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়াই মার্কেট ও জমির ৭৫ শতাংশ মালিকানা নিয়েছেন মোবারক হোসাইন—জানালেন অভিযোগকারীরা। ওই স্থানে এখন শতকোটি টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মসজিদ রোডের তিনতলা ভবনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বার অব কমার্সের ছিল। প্রথম তলায় ১৪টি, দ্বিতীয় তলায় ১৮টি দোকান এবং তৃতীয় তলায় চেম্বারের কার্যালয় ছিল। জমির মোট পরিমাণ ২৫
শতক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য জমিটির আদি মালিক ছিলেন একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, যিনি জমি বিক্রি করে ভারতে চলে যান। চেম্বার অব কমার্স ছিল জমির ক্রেতা। ৫ই আগস্টের পর আদি মালিকের নতুন ওয়ারিশকে খুঁজে বের করে তার মাধ্যমে মামলা করান সাবের ও মোবারক হোসাইন। আদালত ওয়ারিশের পক্ষে রায় দেওয়ার পর তৎকালীন জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম মাত্র ২০ মিনিটের নোটিশে ভবনটি ভেঙে দেন। ৫ই আগ্সট-পরবর্তী সময়ে মোবারক হোসাইন ও দিদারুল আলমের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। দিদারুল আলম জামায়াতের রাজনীতির অনুসারী বলে জানান ঘনিষ্ঠরা। উচ্ছেদ হওয়া দোকানিদের অভিযোগ, সেই ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে তাদের প্রায় কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই সরিয়ে দিতে প্রশাসন সহায়তা করেছিল। আদালতের রায়ে জমিটির মালিকানা
পান স্থানীয় লিলুর ছেলে নির্মল পাপ্পু। তবে জমি উদ্ধারে সহায়তার আগে তার সঙ্গে জেলা জামায়াতের আমির ও সাবের হোসেনের চুক্তি হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, মামলা পরিচালনাসহ সব খরচ বহন করেন সাবের। পরে জমির মালিকানার অর্ধেক দাবি করেন সাবের ও মোবারক। বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণে অর্থ বিনিয়োগের কথা বলে সেখান থেকেও অর্ধেক অংশ দাবি করেন মোবারক হোসাইন আকন্দ। অভিযোগকারীদের হিসাব অনুযায়ী, এতে দুজনের হাতে মোট ৭৫ শতাংশ মালিকানা যায়। পরে জেলা জামায়াতের আমির আরও ৫ শতাংশ দাবি করেন। পাপ্পু তখন ওই শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উচ্ছেদ হওয়া এক দোকানি বলেন, ইউনূসের সরকারের সময়ে
জামায়াতের প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় তারা প্রতিবাদ করতে পারেননি। তার ভাষ্য, পাপ্পুকে প্রথমে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলেও পরে তিনি নিজেই জমির মালিকানা হারান। প্রতিবাদ করলে অবশিষ্ট অংশটুকুও হারানোর আশঙ্কায় পাপ্পু চুপ ছিলেন। ওই দোকানির অভিযোগ, এভাবেই কোনো পুঁজি ছাড়াই মোবারক হোসাইন আকন্দ বিপুল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। এদিকে, দলীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, জেলা জামায়াতের আমির ওই ভবনের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করে আসছেন। সূত্রটির দাবি, হিন্দু ব্যক্তি বা সাবের মিয়া প্রকাশ্যে ভবনের মালিক হিসেবে পরিচিত হলেও, এর পেছনে মূল ভূমিকা মোবারক হোসাইনের। ভবনটির ব্যবস্থাপক ও তত্ত্বাবধায়ক মো. জয়নালও মোবারকের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে। শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটির ক্ষেত্রে বিল্ডিং কোড
না মানার অভিযোগও উঠেছে। এর ফলে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামে মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। মসজিদ কমিটির একাধিক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মসজিদ কমিটির সদস্য মো. সাব্বির খান বলেন, মসজিদের পাশের বহুতল ভবনটি বিল্ডিং কোড মেনে নির্মাণ করা হচ্ছে না। তার অভিযোগ, জামায়াত নেতাদের নিয়ন্ত্রণে ভবনটির নির্মাণকাজ চলছে। তিনি বলেন, “নিয়মবহির্ভূত যেকোনো কাজই অন্যায়। আমরা অন্যায়ের বিচার চাই।”
ছাড়া অন্য আসনে নিজের দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করতে উৎসাহ দেওয়া এবং জোটের আরেক প্রার্থীকে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় দলটির নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
জমি দখল ও উচ্ছেদের পর বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ
স্থানীয়রা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মসজিদ রোডে চেম্বার অব কমার্সের ২৫ শতক জমিতে থাকা দুই পাশের ভবন অবৈধভাবে দখল করেছেন মোবারক হোসাইন আকন্দ। ভারতে চলে যাওয়া জমির আদি মালিক- এক হিন্দু ব্যবসায়ীর নতুন ওয়ারিশকে খুঁজে বের করে জমির ক্রেতার বিরুদ্ধে মামলা করানোর মাধ্যমে জমিটি দখল করা হয় বলে তাদের দাবি। এ কাজে তার সঙ্গে জামায়াত নেতা ও মদিনা লাইব্রেরির মালিক সাবেরহোসেনও যুক্ত ছিলেন বলে তথ্য রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের পর তৎকালীন জেলা প্রশাসক দিদারুল আলমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে উচ্চ আদালতের আদেশের কথা বলে মাত্র ২০ মিনিটের নোটিশে ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হয়। এতে ৩২ জন দোকানি ও ভাড়াটিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হন। পরে জমির মালিক ও একটি সিন্ডিকেটের সঙ্গে চুক্তি করে কোনো পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়াই মার্কেট ও জমির ৭৫ শতাংশ মালিকানা নিয়েছেন মোবারক হোসাইন—জানালেন অভিযোগকারীরা। ওই স্থানে এখন শতকোটি টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, মসজিদ রোডের তিনতলা ভবনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বার অব কমার্সের ছিল। প্রথম তলায় ১৪টি, দ্বিতীয় তলায় ১৮টি দোকান এবং তৃতীয় তলায় চেম্বারের কার্যালয় ছিল। জমির মোট পরিমাণ ২৫
শতক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য জমিটির আদি মালিক ছিলেন একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, যিনি জমি বিক্রি করে ভারতে চলে যান। চেম্বার অব কমার্স ছিল জমির ক্রেতা। ৫ই আগস্টের পর আদি মালিকের নতুন ওয়ারিশকে খুঁজে বের করে তার মাধ্যমে মামলা করান সাবের ও মোবারক হোসাইন। আদালত ওয়ারিশের পক্ষে রায় দেওয়ার পর তৎকালীন জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম মাত্র ২০ মিনিটের নোটিশে ভবনটি ভেঙে দেন। ৫ই আগ্সট-পরবর্তী সময়ে মোবারক হোসাইন ও দিদারুল আলমের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। দিদারুল আলম জামায়াতের রাজনীতির অনুসারী বলে জানান ঘনিষ্ঠরা। উচ্ছেদ হওয়া দোকানিদের অভিযোগ, সেই ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে তাদের প্রায় কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই সরিয়ে দিতে প্রশাসন সহায়তা করেছিল। আদালতের রায়ে জমিটির মালিকানা
পান স্থানীয় লিলুর ছেলে নির্মল পাপ্পু। তবে জমি উদ্ধারে সহায়তার আগে তার সঙ্গে জেলা জামায়াতের আমির ও সাবের হোসেনের চুক্তি হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, মামলা পরিচালনাসহ সব খরচ বহন করেন সাবের। পরে জমির মালিকানার অর্ধেক দাবি করেন সাবের ও মোবারক। বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণে অর্থ বিনিয়োগের কথা বলে সেখান থেকেও অর্ধেক অংশ দাবি করেন মোবারক হোসাইন আকন্দ। অভিযোগকারীদের হিসাব অনুযায়ী, এতে দুজনের হাতে মোট ৭৫ শতাংশ মালিকানা যায়। পরে জেলা জামায়াতের আমির আরও ৫ শতাংশ দাবি করেন। পাপ্পু তখন ওই শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উচ্ছেদ হওয়া এক দোকানি বলেন, ইউনূসের সরকারের সময়ে
জামায়াতের প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় তারা প্রতিবাদ করতে পারেননি। তার ভাষ্য, পাপ্পুকে প্রথমে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলেও পরে তিনি নিজেই জমির মালিকানা হারান। প্রতিবাদ করলে অবশিষ্ট অংশটুকুও হারানোর আশঙ্কায় পাপ্পু চুপ ছিলেন। ওই দোকানির অভিযোগ, এভাবেই কোনো পুঁজি ছাড়াই মোবারক হোসাইন আকন্দ বিপুল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। এদিকে, দলীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, জেলা জামায়াতের আমির ওই ভবনের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করে আসছেন। সূত্রটির দাবি, হিন্দু ব্যক্তি বা সাবের মিয়া প্রকাশ্যে ভবনের মালিক হিসেবে পরিচিত হলেও, এর পেছনে মূল ভূমিকা মোবারক হোসাইনের। ভবনটির ব্যবস্থাপক ও তত্ত্বাবধায়ক মো. জয়নালও মোবারকের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে। শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটির ক্ষেত্রে বিল্ডিং কোড
না মানার অভিযোগও উঠেছে। এর ফলে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামে মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। মসজিদ কমিটির একাধিক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মসজিদ কমিটির সদস্য মো. সাব্বির খান বলেন, মসজিদের পাশের বহুতল ভবনটি বিল্ডিং কোড মেনে নির্মাণ করা হচ্ছে না। তার অভিযোগ, জামায়াত নেতাদের নিয়ন্ত্রণে ভবনটির নির্মাণকাজ চলছে। তিনি বলেন, “নিয়মবহির্ভূত যেকোনো কাজই অন্যায়। আমরা অন্যায়ের বিচার চাই।”





