ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
ডাকাত সর্দার ‘বোচা হালিম’ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকা থেকে ১০ ডাকাতিসহ ২২ মামলার আসামি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার আব্দুল হালিম ওরফে নাক বোচা হালিম ওরফে আলিমকে (৫০) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মৌচাক বাস স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
বোচা হালিম বরগুনা জেলার সদর থানার জাকির তবক গ্রামের আলতাফ চৌকিদারের ছেলে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন সস্তাপুর (গাবতলার মোড়) এলাকার ব্যবসায়ী ঢাকা টেক্সটাইলের মালিক রেজাউল করিম মালার বসতবাড়িতে ডাকাতি হয়। ওই
ঘটনায় ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ আনুমানিক সাড়ে সাত লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতেরা। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী রেজাউল করিম মালার ছেলে মো. আলাউদ্দিন বাদী হয়ে ফতুল্লায় থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। ব্যবসায়ী রেজাউলের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মৌচাক বাস স্টেশন এলাকা থেকে বোচা আলিমকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-১১ এর অধিনায়ক বলেন, ডাকাত সর্দার নাক বোচা হালিমের ভাষ্যমতে, সে ও তার দল ২০১২ সাল থেকে ডাকাতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারা বিভিন্ন সময়ে শহরের ভালো বাড়ি ও অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালীদের বাসাবাড়িকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এসব ডাকাতির কার্যক্রম করে আসছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার দলে
সাত থেকে ১৫ জন সদস্য রয়েছে। র্যাবের এ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বোচা হালিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টি ডাকাতি, দুটি অস্ত্র আইনে, চারটি হত্যা চেষ্টাসহ মোট ২২টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও হালিম ২০১২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৫টি ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল বলে স্বীকার করেছে।
ঘটনায় ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ আনুমানিক সাড়ে সাত লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতেরা। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী রেজাউল করিম মালার ছেলে মো. আলাউদ্দিন বাদী হয়ে ফতুল্লায় থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। ব্যবসায়ী রেজাউলের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মৌচাক বাস স্টেশন এলাকা থেকে বোচা আলিমকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-১১ এর অধিনায়ক বলেন, ডাকাত সর্দার নাক বোচা হালিমের ভাষ্যমতে, সে ও তার দল ২০১২ সাল থেকে ডাকাতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারা বিভিন্ন সময়ে শহরের ভালো বাড়ি ও অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালীদের বাসাবাড়িকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এসব ডাকাতির কার্যক্রম করে আসছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার দলে
সাত থেকে ১৫ জন সদস্য রয়েছে। র্যাবের এ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বোচা হালিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টি ডাকাতি, দুটি অস্ত্র আইনে, চারটি হত্যা চেষ্টাসহ মোট ২২টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও হালিম ২০১২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৫টি ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল বলে স্বীকার করেছে।



