ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করাই যদি অপরাধ হয়,তাহলে এই অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে সত্যকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়।
যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?
সর্বমিত্রের কাণ্ডে সর্বত্র প্রতিক্রিয়া
কারাগারের ভেতর বসে স্ত্রীর আর সন্তানের শেষ বিদায় এই দৃশ্যটা শুধু ছাত্রলীগের জুয়েল হাসান সাদ্দামের না
খানকির পোলা তুই জানস না, না? মাগীর পোলা তোর পোলা-মাইয়া আছে না
বাগেরহাটে হৃদয়বিদারক ঘটনা: ফ্যানে ঝুলছিল মা, মেঝেতে পড়ে ছিল শিশুসন্তান
বাগেরহাটে হৃদয়বিদারক ঘটনা: ফ্যানে ঝুলছিল মা, মেঝেতে পড়ে ছিল শিশুসন্তান
ডাকাতির সময় অপহৃত সেই শিশুকে মোহাম্মদপুর থেকে উদ্ধার
রাজধানীর আজিমপুরে একটি বাসায় ডাকাতির সময় তুলে নেওয়া শিশুকে উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে একজনকে।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) ভোরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের বার্তায় বলা হয়েছে, ডাকাতির সময় আজিমপুর থেকে অপহরণের শিকার শিশুটিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় একজনকে আটক করা হয়েছে।
তবে র্যাবের তরফ থেকে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিচয় প্রাথমিকভাবে জানানো হয়নি। বলা হয়েছে, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এই বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করবেন বাহিনীটির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।
এরআগে, শুক্রবার সকালে আজিমপুর মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টারের
ফারজানা আক্তারের বাসায় এই ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা বাসা থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা ও চার ভরি স্বর্ণালংকার নেওয়ার পাশাপাশি শিশুটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফারজানা আক্তার একটি সরকারি চাকরি করেন। তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে ওই কোয়ার্টারে থাকেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের ডিসি মো. জসীম উদ্দীন শুক্রবার বলেন, সপ্তাহখানেক আগে থেকে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে এক নারী সাবলেটে থাকতে শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারীর যোগসাজশেই বাচ্চা চুরি ও বাসায় ডাকাতি হয়েছে। তবে সাবলেটের ওই নারীর কোনো পরিচয় সংক্রান্ত কাগজপত্র এখনো পাওয়া যায়নি।
ফারজানা আক্তারের বাসায় এই ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা বাসা থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা ও চার ভরি স্বর্ণালংকার নেওয়ার পাশাপাশি শিশুটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফারজানা আক্তার একটি সরকারি চাকরি করেন। তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে ওই কোয়ার্টারে থাকেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের ডিসি মো. জসীম উদ্দীন শুক্রবার বলেন, সপ্তাহখানেক আগে থেকে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে এক নারী সাবলেটে থাকতে শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারীর যোগসাজশেই বাচ্চা চুরি ও বাসায় ডাকাতি হয়েছে। তবে সাবলেটের ওই নারীর কোনো পরিচয় সংক্রান্ত কাগজপত্র এখনো পাওয়া যায়নি।



