ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার গ্যাস চুরি
বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহর ঢাকা
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
ট্রাইবুনালে ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন: অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
মেট্রোরেল, বিটিভি ভবন ও সেতুভবনে অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশ হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধের প্রকাশ্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ট্রাইবুনালে ভুয়া সাক্ষ্য-সাবুদ উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কী ব্যবস্থা নেবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই প্রশ্ন তোলেন।
সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না তার বক্তব্যে বলেন, "মেট্রোরেল-বিটিভি ভবন-সেতুভবনে আত্মস্বীকৃত অগ্নি প্রদানকারীদের প্রকাশ্য বক্তব্য রয়েছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে আত্মস্বীকৃত খুনিদের প্রকাশ্য ভিডিও রয়েছে। তারপরও ট্রাইবুনালে যেভাবে ভুয়া সাক্ষ্য-সাবুদ উপস্থাপন করে কথিত বিচার কাজ এগিয়ে নিয়েছেন অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কী ব্যবস্থা নেবে?"
বিশ্লেষকদের মতে,
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হত্যার ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের ভিডিও ও স্বীকারোক্তি জনসমক্ষে রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এসব অকাট্য প্রমাণ আমলে না নিয়ে ট্রাইবুনালে মনগড়া ও ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন করে বিচারকাজকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিলেন তাজুল ইসলাম। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিচারকাজ চালানোর এই অভিযোগ সামনে আসার পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এখন সচেতন মহলের একটাই প্রশ্ন— বিচার প্রক্রিয়ায় এমন নজিরবিহীন অনিয়মের পর অপসারিত এই চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে আইনি বা রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হত্যার ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের ভিডিও ও স্বীকারোক্তি জনসমক্ষে রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এসব অকাট্য প্রমাণ আমলে না নিয়ে ট্রাইবুনালে মনগড়া ও ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন করে বিচারকাজকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিলেন তাজুল ইসলাম। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিচারকাজ চালানোর এই অভিযোগ সামনে আসার পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এখন সচেতন মহলের একটাই প্রশ্ন— বিচার প্রক্রিয়ায় এমন নজিরবিহীন অনিয়মের পর অপসারিত এই চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে আইনি বা রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না।



