ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
জেনেভা ক্যাম্পে মাদক ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষে প্রাণ গেলো যুবকের
রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে মাদক ব্যবসায়ীদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। বুধবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টায় জেনেভা ক্যাম্পের ভিতর মাদক ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম- শাহনেওয়াজ কাল্লু (৩৮)। তিনি জেনেভা ক্যাম্পের ৮ নম্বর সেক্টরের মৃত আবু বকর সিদ্দিকের সন্তান।
স্থানীয়রা জানান, নিহত কাল্লু শনিরআখড়া এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে চাকরী করে। গতো কয়েকদিন আগে পূজার ছুটিতে তিনি বাসায় আসেন। আজ রাতের বেলা বাসা থেকে বের হয়ে দোকান থেকে চা আনতে যান। চা নিয়ে ফেরার পথে মাদক ব্যবসায়ী সোহেল ওরফে বুনিয়া সোহেল ও দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ গোলাগুলি শুরু হয়। এ সময় তার শরীরে এসে
মাদক ব্যবসায়ীদের ছোঁরা আটটি বুলেট এসে শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যায়। সাথে সাথে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। নিহতের বোন নাসরিন আক্তার জানান, তাঁরা জেনেভা ক্যাম্পের ৮ নম্বর রোডে থাকেন। একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি করতেন। রাতে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। তখন হুমায়ুন রোডে জালাল ডেকোরেটরের সামনে গুলিতে আহত হন। খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী ইফতেখার জানান, এ ঘটনায় আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে, নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায় নি।
মাদক ব্যবসায়ীদের ছোঁরা আটটি বুলেট এসে শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যায়। সাথে সাথে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। নিহতের বোন নাসরিন আক্তার জানান, তাঁরা জেনেভা ক্যাম্পের ৮ নম্বর রোডে থাকেন। একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি করতেন। রাতে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। তখন হুমায়ুন রোডে জালাল ডেকোরেটরের সামনে গুলিতে আহত হন। খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী ইফতেখার জানান, এ ঘটনায় আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে, নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায় নি।



