ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কজুড়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে যুবলীগের বিশাল মিছিল
জুলাই আন্দোলনের ‘শক্তি’ এখন বেপরোয়া — কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে আইন সংস্কারের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনে যে কিশোর গ্যাংগুলো আন্দোলনের শক্তি হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল, সরকার পতনের পর তারাই এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে — এই বাস্তবতা স্বীকার করে নিয়ে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, কিশোর অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা হবে এবং আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা হবে।
আন্দোলনের হাতিয়ার, এখন রাষ্ট্রের মাথাব্যথা
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে কিশোর ও তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আন্দোলনকে বেগবান করেছিল, এটি অনস্বীকার্য। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে সেই একই কিশোর গ্যাংগুলোর একাংশ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ক্ষমতার শূন্যতা, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার পালাবদল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির
দুর্বলতার সুযোগে তারা ছুরিকাঘাত, চাঁদাবাজি, এলাকা দখলসহ নানা সহিংস কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়তে শুরু করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি ও অবস্থান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। তিনি স্বীকার করেন, বর্তমানে কিশোর অপরাধীদের জন্য বিদ্যমান আইনের কিছু বিশেষ সুবিধা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপব্যবহার করা হচ্ছে। কম বয়সের সুবাদে আইনি ছাড় পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকায় অনেকে নির্ভয়ে গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং ধীরে ধীরে ভয়ংকর সন্ত্রাসীতে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আইনি সংস্কার এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অবশ্য এই ঘোষণায় এক ধরনের রাজনৈতিক বিড়ম্বনা দেখছেন। তাদের প্রশ্ন, যে শক্তিকে আন্দোলনের সময় কাজে লাগানো হয়েছিল,
পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর সেই একই শক্তিকে এখন দমন করতে হচ্ছে — এই পরিণতির দায় কার? তারা বলছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কিশোরদের ব্যবহার করার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে শুধু আইন সংস্কারে সমস্যার স্থায়ী সমাধান আসবে না। বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ সমাজবিজ্ঞানী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিশোর গ্যাং সমস্যার শিকড় অনেক গভীরে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা, পারিবারিক ভাঙন, শিক্ষার সুযোগের অভাব ও দারিদ্র্য — এই সব মিলিয়েই তৈরি হয় কিশোর গ্যাংয়ের উর্বর ভূমি। তাই আইন কঠোর করার পাশাপাশি এই কিশোরদের সংশোধন, পুনর্বাসন ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরিতেও সমান মনোযোগ দেওয়া জরুরি। নাগরিক সমাজের দাবি ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন নাগরিক মহল বলছেন, ঘোষণা নয়, দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখতে চান তারা।
একইসঙ্গে তারা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে আর কখনো কিশোরদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা না হয় — সেটি নিশ্চিত করাই হবে সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
দুর্বলতার সুযোগে তারা ছুরিকাঘাত, চাঁদাবাজি, এলাকা দখলসহ নানা সহিংস কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়তে শুরু করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি ও অবস্থান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। তিনি স্বীকার করেন, বর্তমানে কিশোর অপরাধীদের জন্য বিদ্যমান আইনের কিছু বিশেষ সুবিধা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপব্যবহার করা হচ্ছে। কম বয়সের সুবাদে আইনি ছাড় পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকায় অনেকে নির্ভয়ে গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং ধীরে ধীরে ভয়ংকর সন্ত্রাসীতে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আইনি সংস্কার এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অবশ্য এই ঘোষণায় এক ধরনের রাজনৈতিক বিড়ম্বনা দেখছেন। তাদের প্রশ্ন, যে শক্তিকে আন্দোলনের সময় কাজে লাগানো হয়েছিল,
পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর সেই একই শক্তিকে এখন দমন করতে হচ্ছে — এই পরিণতির দায় কার? তারা বলছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কিশোরদের ব্যবহার করার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে শুধু আইন সংস্কারে সমস্যার স্থায়ী সমাধান আসবে না। বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ সমাজবিজ্ঞানী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিশোর গ্যাং সমস্যার শিকড় অনেক গভীরে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা, পারিবারিক ভাঙন, শিক্ষার সুযোগের অভাব ও দারিদ্র্য — এই সব মিলিয়েই তৈরি হয় কিশোর গ্যাংয়ের উর্বর ভূমি। তাই আইন কঠোর করার পাশাপাশি এই কিশোরদের সংশোধন, পুনর্বাসন ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরিতেও সমান মনোযোগ দেওয়া জরুরি। নাগরিক সমাজের দাবি ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন নাগরিক মহল বলছেন, ঘোষণা নয়, দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখতে চান তারা।
একইসঙ্গে তারা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে আর কখনো কিশোরদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা না হয় — সেটি নিশ্চিত করাই হবে সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।



