জুলাই অভ্যুত্থান ও ক্ষমতার পালাবদল: ‘ওল্ড গার্ডস’ বনাম ‘কালার রেভ্যুলেশন’ তত্ত্ব এবং মাহফুজ আলমের বিস্ফোরক বয়ান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর

বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!

আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!

স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক

বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?

কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!

জুলাই অভ্যুত্থান ও ক্ষমতার পালাবদল: ‘ওল্ড গার্ডস’ বনাম ‘কালার রেভ্যুলেশন’ তত্ত্ব এবং মাহফুজ আলমের বিস্ফোরক বয়ান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং পরবর্তী দেড় বছরের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক বিশ্লেষণ নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তথাকথিত ‘জুলাই বিপ্লব’ বা অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা, ‘ওল্ড গার্ড’ বা প্রবীণ রাজনীতিবিদদের আধিপত্য এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ—সব মিলিয়ে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে একটি ‘রক্তপাতহীন ক্যু’ এবং ‘সফট ওয়ার’ বা নরম যুদ্ধের ফলাফল হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। ছাত্রদের ব্যবহার ও ‘ওল্ড গার্ডদের’ আধিপত্য সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন যে, বিগত সময়ে ঘটে যাওয়া সবকিছুর দায়ভার যেভাবে ছাত্রদের ওপর চাপানো হয়েছে, তা একেবারেই অযৌক্তিক। তার মতে, দোষের এক শতাংশও ছাত্রদের নয়। বরং তিনি আঙুল

তুলেছেন রাজনৈতিক দলগুলোর ‘ওল্ড গার্ডস’ বা পুরনো নীতিনির্ধারকদের দিকে। মাহফুজ আলম বলেন, “ওল্ড গার্ডস আর এভরি হোয়্যার। তারা ছাত্রদের সামনে রেখে দেখিয়েছে যে এরাই সব কিছু করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কেউ শুদ্ধ হয়নি, সবাই আগের জায়গাতেই আছে।” তিনি আক্ষেপ করে জানান, গত দেড় বছরে তিনি এমন কোনো প্রমাণ পাননি যেখানে আগের প্রজন্ম নতুন প্রজন্মকে ক্ষমতায়িত (Empower) করতে চেয়েছে। একে তিনি ‘প্রজন্মান্তর’ সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ‘রঙিন বিপ্লব’ ও ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ কেবল অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ছিল না, বরং এটি ছিল মার্কিন এবং পশ্চিমা ‘ডিপ স্টেট’ ও জর্জ সোরোসের অনুসারীদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ। গত ২৫ বছর ধরে মিডিয়া, এনজিও

এবং সন্ত্রাসবাদকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রকে দুর্বল করার যে প্রক্রিয়া চলেছিল, তার চূড়ান্ত রূপ ছিল ছাত্রদের ব্যবহার করে একটি ‘রঙিন বিপ্লব’ (Color Revolution) ঘটানো। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পশ্চিমা শক্তির উদ্দেশ্য ছিল ছাত্রদের ক্ষমতায় বসিয়ে তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিজেদের ইচ্ছামতো ব্যবহার করা। তারা ভেবেছিল তথাকথিত ‘মুক্তমনা’ ছাত্ররা তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে। ‘মোল্লা-মিলিটারি অ্যালায়েন্স’ ও ক্ষমতার প্রকৃত দখলদার তবে বিশ্লেষণের দ্বিতীয় অংশে উঠে এসেছে এক নাটকীয় মোড়। পশ্চিমা শক্তি ছাত্রদের ‘এলজিবিটি বান্ধব’ বা উদারনৈতিক ভাবলেও, বাস্তবে তাদের একাংশ ছিল ‘সুপ্ত মৌলবাদী’ এবং ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’-এর মতাদর্শে বিশ্বাসী—এমন দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, রাষ্ট্র যখন পশ্চিমা চাপে নাজুক অবস্থায়, তখন ‘পূর্ব পাকিস্তান মোল্লা-মিলিটারি অ্যালায়েন্স’ নামক একটি শক্তি দৃশ্যপটে

চলে আসে। তারা ছাত্রদের চেয়েও শক্তিশালী এবং রাষ্ট্রের গভীরের অংশ। ফলস্বরূপ, পশ্চিমা পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে ক্ষমতার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ এই অ্যালায়েন্সের হাতে চলে যায়। গত সতেরো মাস ধরে চলা পরিস্থিতিকে ‘টম অ্যান্ড জেরি সার্কাস’ হিসেবে অভিহিত করে বলা হয়েছে, এর সুযোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিরোধী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও শক্তি। আসন্ন নির্বাচন ও সংঘাতের আশঙ্কা প্রতিবেদনে আসন্ন নির্বাচন এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোকে ‘প্রতিক্রিয়াশীলদের সংঘ’ এবং ‘বিদেশি অর্থে পরিচালিত’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হতে বাধ্য। বিশ্লেষণে সতর্ক করা হয়েছে যে, কালকের নির্বাচনের পর দেশে দখল, হত্যা এবং লুটপাটের মহোৎসব শুরু হতে পারে। যার চূড়ান্ত

পরিণতি হতে পারে সামরিক শাসন অথবা গৃহযুদ্ধ। আন্তর্জাতিক চাপে দ্রুত একটি অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে রাষ্ট্রের নাজুকতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মাহফুজ আলমের আক্ষেপ এবং ভূ-রাজনৈতিক এই বিশ্লেষণ ইঙ্গিত দেয় যে, জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ একটি জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। যেখানে ছাত্রদের ত্যাগের স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ে দেশি-বিদেশি শক্তির টানাপোড়েন দেশকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন উত্তাল মার্চের স্মৃতিতে শিব্বীর আহমেদের পাঁচটি দেশাত্মবোধক গান আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব! স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!