ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আরেক দফা কমল স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধেও যে কারণে বাড়ছে না স্বর্ণের দাম
পদত্যাগ করেছেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান
রমজানে ফলের বাজার থেকে লুট ৭০০–৮০০ কোটি টাকা
ভোক্তা অধিকার দিবসে ক্যাবের প্রতিবাদ: পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবন কঠিন করে তুলেছে
আরও কমলো স্বর্ণের দাম
জুলাইয়ে আবারও বেড়েছে মূল্যস্ফীতি
চলতি বছরের জুন মাসে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি কমেছিল। তবে এক মাস পর জুলাইয়ে আবারও বেড়েছে মূল্যস্ফীতি। জুন মাসের তুলনায় জুলাইয়ে বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও।
বৃহস্পতিবার (০৭ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি বছরের জুলাই মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের তথ্য প্রকাশ করেছে। বিবিএসের সবশেষ তথ্য বলছে, জুলাই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ০৭ শতাংশ বেড়ে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে, যা গত জুন মাসে ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও। জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। জুন মাসে যেটি ছিল ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এদিকে জুন মাসে দেশের খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯
দশমিক ৩৭ শতাংশ থাকলেও জুলাই মাসে সেটি বেড়ে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এ সময়ে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
দশমিক ৩৭ শতাংশ থাকলেও জুলাই মাসে সেটি বেড়ে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এ সময়ে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।



