জার্মানির নির্বাচনে এগিয়ে কট্টর ডানপন্থিরা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
     ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ

জার্মানির নির্বাচনে এগিয়ে কট্টর ডানপন্থিরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ | ৯:০৪ 95 ভিউ
জার্মানিতে শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। জার্মানির এবারের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ব রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের ব্যালটে উগ্র ডানপন্থি দল আলটেরনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) এগিয়ে আছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বিবিসি, রয়টার্স। জার্মান পার্লামেন্টের ৬৩০ আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯টি দলের মোট ৪ হাজার ৫০৬ জন প্রার্থী। ভোট দিচ্ছেন প্রায় ৫ কোটি ৯২ লাখ ভোটার। পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে জার্মানির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডানপন্থি বিরোধী দল সিডিইউর জয় এখন সময়ের ব্যাপার। ঐতিহাসিক ফলাফলের প্রত্যাশা করছে উগ্র ডানপন্থি দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)। সিডিইউর নেতা ফেডিরিখ মার্জ

নির্বাচন পূর্ববর্তী জরিপে এগিয়ে থাকলেও ব্যাপক আধিপত্য কায়েম করবেন এই সম্ভাবনা ক্ষীণ। এ ক্ষেত্রে জোট সরকার গঠনের দিকেই ঝুঁকতে হতে পারে। রাজনৈতিক দল পরিবর্তনের কারণে সংকুচিত অর্থনীতিতে ধুঁকতে থাকা জার্মানির গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা বাস্তবায়ন হোঁচট খেতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের। এর আগে নির্বাচনি প্রচারে দুই পক্ষের মধ্যে অভিবাসন, অর্থনীতি ও এএফডির উঠতি জনপ্রিয়তা নিয়ে তুমুল বিতর্ক লক্ষ্য করা যায়। দেশটির চিরায়ত রাজনৈতিক পরিবেশে উগ্র ডানপন্থি দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের নজির না থাকলেও নির্বাচনের পর এই ধারায় ব্যত্যয় ঘটতে পারে বলে ধারণা অনেকের। এই ধারণার বাস্তবায়ন স্পষ্ট হয় এএফডির অবসরপ্রাপ্ত পোলিং এজেন্ট লুডমিলা বার্লহর্নের বক্তব্যে। ৭৬ বয়সি এই নারী বলেছেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক

ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আমি ভীষণ বিরক্ত। জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী। এ অবস্থায় বিকল্প দলই পরিবর্তন আনতে পারে।’ গেল বছর ওলাফ সরকার প্রস্তাবিত বাজেট মুখ থুবড়ে পড়ার পর দেশটিতে জন-অসন্তোষ বেড়েছে। সাম্প্র্রতিক এক জরিপ থেকে জানা গেছে, জার্মানির মাত্র ২৭ শতাংশ বাসিন্দা মনে করেন তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নত হয়েছে। এদিকে জোট সরকার ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তবে জার্মান প্রশাসনের কর্মকর্তা মাইক জেলার বলেছেন, ‘মনে-প্রাণে প্রার্থনা করছি যেন সামনের সারির দলগুলো জোট সরকারে এএফডিকে অন্তর্ভুক্ত না করে।’ ইউরোপের এই ক্রান্তিকালে জার্মানির নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে পুরো বিশ্ব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন। রক্তের দামে কেনা ইউনুসের ক্ষমতার খতিয়ান ইউনুসনামা : ক্ষমতা দখলের পর থেকে ধ্বংসযজ্ঞের হিসাব রাজনীতির চোরাবালি: আদর্শের বিসর্জন ও এক ‘অরসেলাইন’ নির্বাচনের আখ্যান বিকাশে ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের ‘নীল নকশা’: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন জিম্মি করার ভয়ানক ছক জামায়াতের লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক ‘নাজুক নিরাপত্তা’: ভারতের কড়া সিদ্ধান্ত—পশ্চিমারা কোন পথে হাঁটতে যাচ্ছে? শতাংশের অদ্ভুত সমীকরণ: তারেক রহমানের ‘ফ্লাইওভার তত্ত্বে’ হাসছে সাধারণ মানুষ অভিযোগের পাহাড়, নীরব প্রশাসন স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহি কোথায় খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস কর্তৃক মেটিক্যুলাস ডিজাইনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও ছাত্র-জনতাসহ যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে জুলাইয়ের পর রান্নাঘরেও বিপ্লব, গ্যাস সংকটের আড়ালে সিন্ডিকেটের স্বর্গরাজ্য : আমদানি কমলো দেড় লাখ টন, চুলা নিভলো কোটি ঘরে ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে কাঁপছে ঢাকার মসনদ, কী বার্তা আসছে দিল্লি থেকে? দিল্লির প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মিডিয়ার মুখোমুখি শেখ হাসিনা কড়াইল বস্তিতে ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি: তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে প্রতিশ্রুতির রাজনীতি, নীরবতার কমিশন তারেক রহমান, বিএনপি, এনসিপি ও রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার মুখোশ ভোটাধিকার হরণ ও ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের নাটক: গণতন্ত্রের নামে এক নির্মম রাষ্ট্রীয় প্রহসন জঙ্গিদের নতুন বৈশ্বিক হাব বাংলাদেশ: রাষ্ট্রীয় ও সামরিক পৃষ্ঠপোষকতায় চরম ঝুঁকির মুখে আঞ্চলিক নিরাপত্তা!