ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
জামায়াত প্রার্থীর সাম্প্রদায়িক উসকানি,প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে ধর্মবিদ্বেষী বিক্ষোভ
জামায়াত নেতা মোঃ সালেহীর প্রার্থিতা বাতিলকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তাঁর নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ সমাবেশ সাম্প্রতিক সময়ে একটি গুরুতর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। একটি প্রশাসনিক ও আইনগত সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এমন বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং আইনগত প্রক্রিয়ার প্রতি অনাস্থা প্রকাশের শামিল।
বিক্ষোভ চলাকালে উত্তেজিত জনতার মুখে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথকে লক্ষ্য করে “ভারতের দালাল এখানে থাকবে না” ও “কোনো ইসকন এখানে থাকবে না”—এ ধরনের সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক বক্তব্য শোনা যায়। উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসক একজন রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন; তাঁর ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে তাঁর প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। তবুও তাঁকে হিন্দু হওয়ায় লক্ষ্যবস্তু করা সংবিধানস্বীকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা ও
সামাজিক সম্প্রীতির পরিপন্থী। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হলে তার বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুস্পষ্ট সুযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন বা আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার চাওয়ার পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসকের কার্যালয়ে চাপ সৃষ্টি ও ধর্মবিদ্বেষমূলক স্লোগান দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো আইনগতভাবে যেমন অগ্রহণযোগ্য, তেমনি নৈতিকভাবেও প্রশ্নবিদ্ধ। এ ধরনের বক্তব্য ও আচরণ বাংলাদেশের সংবিধানের আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্মীয় বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ এবং মতপ্রকাশের সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত মৌলিক নীতির পরিপন্থী। একই সঙ্গে দণ্ডবিধি অনুযায়ী সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ উসকানি ও জনশান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগও এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। জামায়াত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের ঘটনায় সমর্থকদের এই ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানি ও প্রশাসনিক কার্যালয়ে বিক্ষোভ কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়। বরং এটি রাষ্ট্রীয়
প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করা এবং সমাজে ধর্মীয় বিভাজন উসকে দেওয়ার একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সামাজিক সম্প্রীতির পরিপন্থী। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হলে তার বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুস্পষ্ট সুযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন বা আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার চাওয়ার পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসকের কার্যালয়ে চাপ সৃষ্টি ও ধর্মবিদ্বেষমূলক স্লোগান দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো আইনগতভাবে যেমন অগ্রহণযোগ্য, তেমনি নৈতিকভাবেও প্রশ্নবিদ্ধ। এ ধরনের বক্তব্য ও আচরণ বাংলাদেশের সংবিধানের আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্মীয় বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ এবং মতপ্রকাশের সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত মৌলিক নীতির পরিপন্থী। একই সঙ্গে দণ্ডবিধি অনুযায়ী সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ উসকানি ও জনশান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগও এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। জামায়াত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের ঘটনায় সমর্থকদের এই ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানি ও প্রশাসনিক কার্যালয়ে বিক্ষোভ কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়। বরং এটি রাষ্ট্রীয়
প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করা এবং সমাজে ধর্মীয় বিভাজন উসকে দেওয়ার একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



