ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিন পেলেও এখনই মুক্তি মিলছে না সাদ্দামের
চানখারপুলের রায় ‘পূর্বনির্ধারিত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নয়, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে ধ্বংসযজ্ঞ: ছাত্রলীগ
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
জাপার সাবেক মহাসচিব চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক মহাসচিব (বর্তমান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পক্ষের জাপার নির্বাহী চেয়ারম্যান) মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লার মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে রবিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরশেদ আলম বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এদিন কিশোরগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনের ১৫ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এই তিন আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল
করেছিলেন। গত দুই দিনে জেলার ছয়টি আসনে মোট ২৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হলো। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু তার সমর্থিত বর্তমান জাপার একাংশের মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদারের স্বাক্ষর জটিলতার কারণে ও ঋণখেলাপি থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মুজিবুল হক (জাপার একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পক্ষের) জাপার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান। এ ছাড়া বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা ও আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম আলমগীরের ১ শতাংশ সমর্থকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই আসনে গণতন্ত্রী পার্টির দিলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার দলীয় প্রধানের স্বাক্ষর জটিলতায় মনোনয়নপত্র
বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেহাদ খান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আলমগীর হোসাইনসহ ছয় জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে জেলা বিএনপির তিন শীর্ষ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ছয় জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোছাদ্দেক ভূঞাসহ সাত জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ মো. রেজাউল করিম খান, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি রুহুল হোসাইন ও জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের ১ শতাংশ সমর্থকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনে বিএনপির প্রার্থী আইনজীবী জালাল উদ্দীন ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শফিকুল ইসলামসহ চার জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ আসনে গণঅধিকার পরিষদের শফিকুল ইসলামসহ পাঁচ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, শনি ও রবিবার কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনের মোট ৬১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে নানা ত্রুটিবিচ্যুতির কারণে ২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
করেছিলেন। গত দুই দিনে জেলার ছয়টি আসনে মোট ২৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হলো। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু তার সমর্থিত বর্তমান জাপার একাংশের মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদারের স্বাক্ষর জটিলতার কারণে ও ঋণখেলাপি থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মুজিবুল হক (জাপার একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পক্ষের) জাপার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান। এ ছাড়া বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা ও আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম আলমগীরের ১ শতাংশ সমর্থকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই আসনে গণতন্ত্রী পার্টির দিলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার দলীয় প্রধানের স্বাক্ষর জটিলতায় মনোনয়নপত্র
বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেহাদ খান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আলমগীর হোসাইনসহ ছয় জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে জেলা বিএনপির তিন শীর্ষ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ছয় জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোছাদ্দেক ভূঞাসহ সাত জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ মো. রেজাউল করিম খান, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি রুহুল হোসাইন ও জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের ১ শতাংশ সমর্থকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনে বিএনপির প্রার্থী আইনজীবী জালাল উদ্দীন ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শফিকুল ইসলামসহ চার জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ আসনে গণঅধিকার পরিষদের শফিকুল ইসলামসহ পাঁচ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, শনি ও রবিবার কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনের মোট ৬১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে নানা ত্রুটিবিচ্যুতির কারণে ২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।



