ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দরপত্র ছাড়াই ৬১০ কোটি টাকার টিকা কেনা : স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিহীনতার নতুন নজির
ছরে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা হারিয়ে যাচ্ছে, ইউনুসের অবৈধ সরকারের কিছু যায় আসে না
রক্তাক্ত বাংলাদেশ : যে সন্ত্রাসীদের হাত ধরে ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাদেরই দমন করবেন কীভাবে?
জুলাইয়ের দাঙ্গার মাশুল দিচ্ছে লাখো শিক্ষার্থী : একে একে বন্ধ হচ্ছে বিদেশের দরজা
অবৈধ ইউনুস সরকারের সাজানো নির্বাচন ,ভোট বর্জনের আহ্বান
আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার: টিআইবি
অস্ত্র আছে, যুদ্ধ নেই—কর্মহীন বাহিনী, সীমাহীন ক্ষমতা বাংলাদেশের সেনা-রাজনীতির বাস্তবতা
জানাজার ভিড় কি জান্নাতের মানদণ্ড? ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ভ্রান্ত ধারণার অপনোদন
সমসাময়িক সময়ে একটি অদ্ভুত সামাজিক মনস্তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার জানাজায় মানুষের উপস্থিতি দেখে আমরা তার পরকালীন মুক্তির ফয়সালা করে ফেলি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা চায়ের আড্ডায় প্রায়ই শোনা যায়—"অমুকের জানাজায় লাখো মানুষ হয়েছে, তিনি নিশ্চিত আল্লাহর ওলি।" আবার কারো জানাজায় লোকসমাগম কম হলে তাকে বাঁকা চোখে দেখার প্রবণতাও লক্ষ করা যায়। কিন্তু ইসলামের মূলনীতি, কুরআন-সুন্নাহ এবং সাহাবায়ে কেরামের স্বর্ণোজ্জ্বল ইতিহাস কি এই ধারণাকে সমর্থন করে?
জানাজার জনসমাগম নিঃসন্দেহে মৃত ব্যক্তির প্রতি মানুষের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে, কিন্তু একে জান্নাতি হওয়ার বা হকের ওপর থাকার চূড়ান্ত মানদণ্ড মনে করা একটি মারাত্মক বিভ্রান্তি।
কুরআনের দৃষ্টিতে 'সংখ্যাগরিষ্ঠতা' বা ভিড়
পবিত্র কুরআনে
আল্লাহ তায়ালা বারবার সতর্ক করেছেন যে, মানুষের সংখ্যাধিক্য বা ভিড় সত্য-মিথ্যার মাপকাঠি নয়। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভিড় সত্য বিমুখতার দিকেই ইঙ্গিত করে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন: "আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা তো কেবল ধারণার অনুসরণ করে এবং তারা তো কেবল অনুমানভিত্তিক কথা বলে।" (সূরা আল-আনআম: ১১৬) অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন: "আর অধিকাংশ মানুষই মুমিন নয়, যদিও আপনি তা প্রবলভাবে আকাঙ্ক্ষা করেন।" (সূরা ইউসুফ: ১০৩) সুতরাং, জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি দেখেই কাউকে 'হকপন্থী' বা 'জান্নাতি' ভাবা কুরআনের এই মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। তাকওয়াই একমাত্র মানদণ্ড ইসলামে মানুষের মর্যাদার একমাত্র মাপকাঠি হলো তাকওয়া বা আল্লাহভীতি, লোকসমাগম নয়।
বিদায় হজের ভাষণে রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট করে বলেছেন, আরবের ওপর অনারবের বা সাদার ওপর কালোর কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই, শ্রেষ্ঠত্ব কেবল তাকওয়ার ভিত্তিতে। আল্লাহ তায়ালা বলেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকি (আল্লাহভীরু)।" (সূরা আল-হুজুরাত: ১৩) ইতিহাসের আয়নায় জানাজার ভিড়: হযরত উসমান (রা.)-এর বিদায় ইসলামের ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখি, সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষদের জানাজা হয়েছে অত্যন্ত নিভৃতে। হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.)—যিনি ছিলেন ‘যুন-নুরাইন’, যার লজ্জাশীলতা দেখে ফেরেশতারাও লজ্জা পেতেন, এবং যাকে রাসুলুল্লাহ (সা.) দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছিলেন। বিদ্রোহীদের দ্বারা অবরুদ্ধ অবস্থায় নির্মমভাবে শহীদ হওয়ার পর, মদিনার মতো শহরে খলিফাতুল মুসলিমিনের জানাজায় উপস্থিত হতে পেরেছিলেন মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন
মানুষ। ইবনে কাসির (রহ.) তার আল-বিদাঈয়া ওয়ান নিহাইয়া গ্রন্থে উল্লেখ করেন, রাতের অন্ধকারে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে জুবায়ের ইবনে মুতয়িম (রা.)-এর ইমামতিতে জান্নাতুল বাকির পেছনের অংশ ‘হাশশে কাওকাব’ নামক স্থানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত মুসল্লির সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। এখন প্রশ্ন হলো, লাখো মানুষের অনুপস্থিতি কি হযরত উসমান (রা.)-এর জান্নাতি মাকাম বিন্দুমাত্র কমাতে পেরেছে? কখনোই না। বরং এটি ছিল পরিস্থিতির নির্মম বাস্তবতা। শেরে খোদা হযরত আলী (রা.)-এর গোপন সমাধি জান্নাতের সর্দার হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর পিতা এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চাচাতো ভাই হযরত আলী (রা.)-এর শাহাদাতের পরও একই চিত্র দেখা যায়। খারেজি ইবনে মুলজামের হামলার পর তার শাহাদাত বরণ এবং দাফন ছিল অত্যন্ত
গোপনীয়। ঐতিহাসিক বর্ণনামতে, খারেজিরা তার পবিত্র মৃতদেহের অবমাননা করতে পারে—এই আশঙ্কায় তার জানাজা ও দাফন জনসম্মুখে করা হয়নি। কুফার বাইরে রাতের আঁধারে, পরিবারের একান্ত সদস্যদের উপস্থিতিতে তাকে দাফন করা হয়। ভিড় বা লোকসমাগম সেখানে ছিল না বললেই চলে। অথচ তার মর্যাদা এবং আল্লাহর কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ কোনো মুমিনের নেই। রাষ্ট্রীয় জাঁকজমক বনাম ইমানি মৃত্যু মুদ্রার উল্টো পিঠে আমরা দেখি ফেরাউন, নমরুদ কিংবা পরবর্তীকালের জালিম শাসক হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বা ইয়াজিদের মতো ব্যক্তিদের। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও দাপটের কারণে তাদের মৃত্যুপরবর্তী আনুষ্ঠানিকতায় মানুষের ঢল নামাটাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু সেই ভিড় কি তাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিতে পেরেছে? কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর
শাহাদাতের পর তার পবিত্র দেহের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজা পড়ার মতো কোনো জনসমুদ্র ছিল না। অথচ তিনিই জান্নাতি যুবকদের সর্দার। হাদিসে এসেছে: "ইসলামের সূচনা হয়েছে অপরিচিত অবস্থায় এবং অচিরেই তা আবার অপরিচিত হয়ে যাবে। সুতরাং সুসংবাদ সেই অপরিচিতদের (গুরাবা) জন্য।" (সহিহ মুসলিম: ১৪৫) অনেক সময় হকপন্থীরা সমাজের চোখে অপরিচিত বা কোণঠাসা হয়ে থাকেন। তাই তাদের জানাজায় ভিড় কম হওয়াটাই স্বাভাবিক হতে পারে। যারা আজ জানাজার ভিড় দেখে হক-বাতিল বা জান্নাত-জাহান্নামের ফয়সালা করেন, তারা মূলত অজ্ঞতার অন্ধকারে আছেন। লাশের মিছিল বা জানাজার কাতার গুনে আধ্যাত্মিক মর্যাদা বিচার করা একটি স্থূল ও খারেজি মানসিকতা। আমাদের মনে রাখা উচিত, আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে ইখলাস (একনিষ্ঠতা) এবং আমলের ওপর।
দুনিয়ার কোলাহল বা জানাজার ভিড় ক্ষণস্থায়ী আবেগের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। হযরত উসমান (রা.) ও হযরত আলী (রা.)-এর মতো সাহাবীদের নির্জন বিদায় প্রমাণ করে যে, লোকদেখানো আড়ম্বর নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি নিয়ে কবরে যাওয়াই মুমিনের চূড়ান্ত সফলতা। সুতরাং, সংখ্যাতত্ত্বের বিচার না করে আমাদের উচিত কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের কর্ম ও ঈমানকে মূল্যায়ন করা।
আল্লাহ তায়ালা বারবার সতর্ক করেছেন যে, মানুষের সংখ্যাধিক্য বা ভিড় সত্য-মিথ্যার মাপকাঠি নয়। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভিড় সত্য বিমুখতার দিকেই ইঙ্গিত করে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন: "আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা তো কেবল ধারণার অনুসরণ করে এবং তারা তো কেবল অনুমানভিত্তিক কথা বলে।" (সূরা আল-আনআম: ১১৬) অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন: "আর অধিকাংশ মানুষই মুমিন নয়, যদিও আপনি তা প্রবলভাবে আকাঙ্ক্ষা করেন।" (সূরা ইউসুফ: ১০৩) সুতরাং, জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি দেখেই কাউকে 'হকপন্থী' বা 'জান্নাতি' ভাবা কুরআনের এই মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। তাকওয়াই একমাত্র মানদণ্ড ইসলামে মানুষের মর্যাদার একমাত্র মাপকাঠি হলো তাকওয়া বা আল্লাহভীতি, লোকসমাগম নয়।
বিদায় হজের ভাষণে রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট করে বলেছেন, আরবের ওপর অনারবের বা সাদার ওপর কালোর কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই, শ্রেষ্ঠত্ব কেবল তাকওয়ার ভিত্তিতে। আল্লাহ তায়ালা বলেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকি (আল্লাহভীরু)।" (সূরা আল-হুজুরাত: ১৩) ইতিহাসের আয়নায় জানাজার ভিড়: হযরত উসমান (রা.)-এর বিদায় ইসলামের ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখি, সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষদের জানাজা হয়েছে অত্যন্ত নিভৃতে। হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.)—যিনি ছিলেন ‘যুন-নুরাইন’, যার লজ্জাশীলতা দেখে ফেরেশতারাও লজ্জা পেতেন, এবং যাকে রাসুলুল্লাহ (সা.) দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছিলেন। বিদ্রোহীদের দ্বারা অবরুদ্ধ অবস্থায় নির্মমভাবে শহীদ হওয়ার পর, মদিনার মতো শহরে খলিফাতুল মুসলিমিনের জানাজায় উপস্থিত হতে পেরেছিলেন মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন
মানুষ। ইবনে কাসির (রহ.) তার আল-বিদাঈয়া ওয়ান নিহাইয়া গ্রন্থে উল্লেখ করেন, রাতের অন্ধকারে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে জুবায়ের ইবনে মুতয়িম (রা.)-এর ইমামতিতে জান্নাতুল বাকির পেছনের অংশ ‘হাশশে কাওকাব’ নামক স্থানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত মুসল্লির সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। এখন প্রশ্ন হলো, লাখো মানুষের অনুপস্থিতি কি হযরত উসমান (রা.)-এর জান্নাতি মাকাম বিন্দুমাত্র কমাতে পেরেছে? কখনোই না। বরং এটি ছিল পরিস্থিতির নির্মম বাস্তবতা। শেরে খোদা হযরত আলী (রা.)-এর গোপন সমাধি জান্নাতের সর্দার হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর পিতা এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চাচাতো ভাই হযরত আলী (রা.)-এর শাহাদাতের পরও একই চিত্র দেখা যায়। খারেজি ইবনে মুলজামের হামলার পর তার শাহাদাত বরণ এবং দাফন ছিল অত্যন্ত
গোপনীয়। ঐতিহাসিক বর্ণনামতে, খারেজিরা তার পবিত্র মৃতদেহের অবমাননা করতে পারে—এই আশঙ্কায় তার জানাজা ও দাফন জনসম্মুখে করা হয়নি। কুফার বাইরে রাতের আঁধারে, পরিবারের একান্ত সদস্যদের উপস্থিতিতে তাকে দাফন করা হয়। ভিড় বা লোকসমাগম সেখানে ছিল না বললেই চলে। অথচ তার মর্যাদা এবং আল্লাহর কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ কোনো মুমিনের নেই। রাষ্ট্রীয় জাঁকজমক বনাম ইমানি মৃত্যু মুদ্রার উল্টো পিঠে আমরা দেখি ফেরাউন, নমরুদ কিংবা পরবর্তীকালের জালিম শাসক হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বা ইয়াজিদের মতো ব্যক্তিদের। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও দাপটের কারণে তাদের মৃত্যুপরবর্তী আনুষ্ঠানিকতায় মানুষের ঢল নামাটাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু সেই ভিড় কি তাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিতে পেরেছে? কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর
শাহাদাতের পর তার পবিত্র দেহের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজা পড়ার মতো কোনো জনসমুদ্র ছিল না। অথচ তিনিই জান্নাতি যুবকদের সর্দার। হাদিসে এসেছে: "ইসলামের সূচনা হয়েছে অপরিচিত অবস্থায় এবং অচিরেই তা আবার অপরিচিত হয়ে যাবে। সুতরাং সুসংবাদ সেই অপরিচিতদের (গুরাবা) জন্য।" (সহিহ মুসলিম: ১৪৫) অনেক সময় হকপন্থীরা সমাজের চোখে অপরিচিত বা কোণঠাসা হয়ে থাকেন। তাই তাদের জানাজায় ভিড় কম হওয়াটাই স্বাভাবিক হতে পারে। যারা আজ জানাজার ভিড় দেখে হক-বাতিল বা জান্নাত-জাহান্নামের ফয়সালা করেন, তারা মূলত অজ্ঞতার অন্ধকারে আছেন। লাশের মিছিল বা জানাজার কাতার গুনে আধ্যাত্মিক মর্যাদা বিচার করা একটি স্থূল ও খারেজি মানসিকতা। আমাদের মনে রাখা উচিত, আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে ইখলাস (একনিষ্ঠতা) এবং আমলের ওপর।
দুনিয়ার কোলাহল বা জানাজার ভিড় ক্ষণস্থায়ী আবেগের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। হযরত উসমান (রা.) ও হযরত আলী (রা.)-এর মতো সাহাবীদের নির্জন বিদায় প্রমাণ করে যে, লোকদেখানো আড়ম্বর নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি নিয়ে কবরে যাওয়াই মুমিনের চূড়ান্ত সফলতা। সুতরাং, সংখ্যাতত্ত্বের বিচার না করে আমাদের উচিত কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের কর্ম ও ঈমানকে মূল্যায়ন করা।



