ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে অ্যাকশনে পুলিশ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত জাতীয় পার্টির (জাপা) কর্মী সমাবেশ দলীয় কোন্দলের কারণে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এ সময় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে অ্যাকশনে যায় পুলিশ।
শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে জাপার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
জানা গেছে, পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের নির্বাচন ও দলীয় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা
করতে এই জরুরি কর্মী সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন। একটি ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে সমাবেশ শুরু হয়, যেখানে জিএম কাদেরসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সমাবেশ চলাকালীন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। তারা একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারতে থাকেন এবং কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হওয়ায় সমাবেশ তৎক্ষণাৎ পণ্ড হয়ে যায়। জাতীয় পার্টির দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সমাবেশে পুলিশ টিয়ারশেল ও ছররা গুলি নিক্ষেপ করেছে। এতে কেন্দ্রীয় নেতাসহ বেশকয়েকজন আহত হয়েছেন।
করতে এই জরুরি কর্মী সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন। একটি ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে সমাবেশ শুরু হয়, যেখানে জিএম কাদেরসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সমাবেশ চলাকালীন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। তারা একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারতে থাকেন এবং কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হওয়ায় সমাবেশ তৎক্ষণাৎ পণ্ড হয়ে যায়। জাতীয় পার্টির দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সমাবেশে পুলিশ টিয়ারশেল ও ছররা গুলি নিক্ষেপ করেছে। এতে কেন্দ্রীয় নেতাসহ বেশকয়েকজন আহত হয়েছেন।



