জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৯:০২ পূর্বাহ্ণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৯:০২ 9 ভিউ
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন জনতার নেতা জনতার কাছে ফিরে এসেছিলেন। মহান মুক্তির সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতাকে পেয়ে বাঙালির স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিল। জনতার নেতা গণমঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। চোখের অশ্রু সংবরণে ছিলেন অক্ষম। নেতা আর জনতার আবেগ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের জীবনের বিনিময়ে বাঙালির স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। তাই তো এই ঐতিহাসিক দিনে রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করেন, 'আমার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে, আমার জীবনের সাধ আজ পূর্ণ হয়েছে, আমার বাংলার মানুষ আজ মুক্ত হয়েছে।' সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও

রক্তের সাগর পাড়ি দিয়ে বাঙালির স্বাধীনতা অর্জন ছিল যেনো অসম্ভবকে সম্ভব করা। ফলে তিনি রবীন্দ্রনাথের কবিতার পঙক্তি ' সাত কোটি বাঙালির হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করনি' উচ্চারণ করে প্রত্যয়দীপ্ত বুকে বলেন যে, কবি গুরুর কথা আজ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আমার বাংলার মানুষ আজ মানুষ হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলার প্রতি মমত্ববোধ ও বাঙালির প্রতি অগাধ বিশ্বাস ছিল। দিনটি বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের বিজয়ের পূর্ণতা লাভের দিন হিসেবে ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে আছে। বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, 'এ স্বাধীনতা পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না পায়, যদি বাংলার মা–বোনেরা কাপড় না

পায়, যদি এ দেশের যুবকরা কাজ না পায়।' বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনে করে, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল শোষণমুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যহীন একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অর্থনীতি, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ডিজিটাল অগ্রগতির পথে এগিয়ে চলেছিল; যুদ্ধাপরাধের বিচার, সংবিধানের মূলনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দারিদ্র্য হ্রাস ছিল বঙ্গবন্ধুর ১০ জানুয়ারির ভাষণে ঘোষিত আদর্শের ধারাবাহিক বাস্তবায়নেরই অংশ। তার পরের ইতিহাস সকলের জানা। সমগ্র জাতির জীবনে এক অমোচনীয় ক্ষত। মহাকালের কৃষ্ণগহ্বরে নিমজ্জিত আজকের বাংলাদেশ। অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংরা বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় নিয়ে যাচ্ছে। দেশবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কবলে দেশ। *১০ই জানুয়ারি জাতির

পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি* ***সূর্যোদয় ক্ষণে কেন্দ্রীয় কার্যালয় সহ সারাদেশে সংগঠন সকল কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। ***ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। *** গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত। *** দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা সভা / ভার্চুয়াল আলোচনা সভা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সকল স্তরের নেতাকর্মীকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ সকল কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচি পালনের

আহ্বান জানানো যাচ্ছে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সুদখোর আর জামায়াতের হাতে স্বাধীনতার ইতিহাস ইউনুসের অবৈধ শাসনে বাংলাদেশিরা এখন বিশ্বের অচ্ছুত গোপালগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হকের একটি নির্বাচনি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে ইতিহাসের ধ্রুবতারা ও ১০ জানুয়ারির তাৎপর্য: ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এক ফিরে দেখা শেখ হাসিনাকেই চাই, মরতেও রাজি আওয়ামী লীগ আমলেই ভালো ছিলাম”: চাল ও গ্যাসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ মানুষের আক্ষেপ ১৬ বছরের উন্নয়ন আগামী ৫০ বছরেও কেউ করতে পারবে না: সাধারণ নাগরিকের অভিমত পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট খুনখারাপির বাংলাদেশ, জঙ্গিদের বাংলাদেশ, অবৈধ শাসনের বাংলাদেশ ইরানের এক শহরেই বিক্ষোভে ৮ সেনা নিহত গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনীর অংশ হতে প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে চায় তুরস্ক বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পকে খুশি করতে চাইছে : খামেনি গ্রিনল্যান্ড ঠিক কী কারণে দরকার, জানালেন ট্রাম্প বস্তিবাসীর মানসিক রোগে চিকিৎসা গ্রহণের হার বেড়েছে ৫ গুণ সিসিটিভি ফুটেজে দুই শুটারের চেহারা স্পষ্ট, পরিচয় মেলেনি ২ দিনেও বেড়েছে চাল ডালের দাম, কমছে না সবজিরও নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ-রুপা, বাজারদর জেনে নিন