ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন
কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত
‘দেড় বছর প্রচণ্ড ক্ষমতা ভোগ করে ওনার মাথা আওলা হয়ে গেছে’: সাংবাদিক মাসুদ কামাল
‘এনসিপিকে দেয়া ৭০ কোটি টাকা কোথায় পেলেন আসিফ?’—মুনতাসিরের বিস্ফোরক অভিযোগ
জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ বাংলাদেশের: ইউনিট প্রতি দাম বাড়ল ৬ ডলার
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে কাতারের রাষ্ট্রীয় এনার্জি কোম্পানি কাতার-এনার্জি এলএনজি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অধীনে আসা সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে, যা দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্প খাতে গ্যাস সংকট সৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি করেছে।
এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস কোম্পানি পেট্রোবাংলার অধীনস্থ রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
গত ২রা মার্চ কাতার-এনার্জি রাস লাফান এবং মেসাইদ শিল্প এলাকায় সামরিক হামলার কারণে এলএনজি উৎপাদন এবং সম্পর্কিত কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। পরদিন তারা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে ফোর্স ম্যাজিওর নোটিফিকেশন পাঠায়, যার মধ্যে পেট্রোবাংলা-ও রয়েছে।
এতে বলা হয়েছে যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ
হয়ে যাওয়া এবং উৎপাদন সুবিধায় ক্ষতির কারণে সরবরাহ পুনরায় চালু হতে কমপক্ষে ২-৪ সপ্তাহ (বা তার বেশি) সময় লাগতে পারে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের চুক্তির অধীনে কাতার থেকে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৪০টি এলএনজি কার্গো আমদানি করে, যা মোট আমদানির প্রায় ৪২%। সেসময় দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।রাজনৈতিক প্রচারণা ইতিমধ্যে জ্বালানি খাতে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো নিয়েও সমালোচনা চলছে। বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞ ড. জামিল হাসান বলেন: শেখ হাসিনার সরকার ১৩ লক্ষ টন জ্বালানি তেল সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে যান তাঁর শাসনামলে। যাতে অন্তত ৪৫ দিনের মজুত রাখা যায়। সেই
হিসেবে অন্তত ৯-১০ লক্ষ টন জ্বালানি তেল মজুত থাকার কথা ছিল। অথচ দেখা যাচ্ছে, মজুত রয়েছে মাত্র ১ লক্ষ টন! এটা কেন হলো? ৪০-৪৫ দিনের জ্বালানি মজুত না রেখে কাগজে-কলমে রিজার্ভ বাড়ানোর যে গল্প গণমাধ্যমকে গেলানো হয়েছে, এখন তার খেসারত দিতে হবে সাধারণ মানুষকে। ভুগবে দেশের অর্থনীতি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এবং আরপিজিসিএল-এর দরপত্র আহ্বান পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি দপ্তরকে স্পট মার্কেট থেকে জরুরি ভিত্তিতে এলএনজি কেনার নির্দেশ দিয়েছেন। এতে আরপিজিসিএল মার্চ মাসের জন্য অন্তত ৪টি স্পট এলএনজি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা করেছে। প্রথম দুটি কার্গোর দরপত্র ইতিমধ্যে ইস্যু করা হয়েছে। যার সরবরাহ সময়সীমা মার্চের মাঝামাঝি। প্রতিটি কার্গোতে প্রায় ৩.৩৬ মিলিয়ন এমবিটিইউ এলএনজি থাকবে, যা
মহেশখালীর ভাসমান অবতরণ কেন্দ্রে খালাস করা হবে। বাকি দুটি কার্গো পরবর্তীতে দরপত্র ছাড়া হবে বলে জানা গেছে। এসব দরপত্রে তালিকাভুক্ত আন্তর্জাতিক বড় বড় সরবরাহকারীদের কাছ থেকে দর আহ্বান করা হয়েছে।ক্ষুদ্র ঋণ গ্লোবাল জেকেএম (জাপান-কোরিয়া মার্কার) স্পট মার্কেটে দাম ইতিমধ্যে বেড়ে গেছে ইউনিট প্রতি ১৩ থেকে ১৫.৫ ডলার পর্যন্ত। কাতারের সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় বিশ্বব্যাপী এলএনজি সরবরাহ চাপে পড়ে গেছে। বাংলাদেশের আহ্বান করা দরপত্রে কোম্পানিগুলো ইউনিট প্রতি ১৪-১৮ ডলার হাঁকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যা পূর্বের দরের চেয়ে অন্তত ৬ ডলার বেশি। এতে বাংলাদেশের আমদানি খরচ যেমন বাড়বে, তেমনি লোডশেডিংয়েরও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ মোট প্রায়
১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানি করার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থেকে ৮৬টি, শর্ট-টার্ম থেকে ১২টি এবং স্পট থেকে বাকিগুলো। কাতারের জ্বালানি উৎপাদন স্থগিতের কারণে স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভরতা বাড়বে, যা জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ। তবে বিশ্ব পরিস্থিতি দ্রুতই বদলাচ্ছে। যদি হরমুজ প্রণালী খুলে যায় বা উৎপাদন দ্রুত পুনরায় চালু হয়, তাহলেই কেবল দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
হয়ে যাওয়া এবং উৎপাদন সুবিধায় ক্ষতির কারণে সরবরাহ পুনরায় চালু হতে কমপক্ষে ২-৪ সপ্তাহ (বা তার বেশি) সময় লাগতে পারে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের চুক্তির অধীনে কাতার থেকে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৪০টি এলএনজি কার্গো আমদানি করে, যা মোট আমদানির প্রায় ৪২%। সেসময় দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।রাজনৈতিক প্রচারণা ইতিমধ্যে জ্বালানি খাতে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো নিয়েও সমালোচনা চলছে। বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞ ড. জামিল হাসান বলেন: শেখ হাসিনার সরকার ১৩ লক্ষ টন জ্বালানি তেল সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে যান তাঁর শাসনামলে। যাতে অন্তত ৪৫ দিনের মজুত রাখা যায়। সেই
হিসেবে অন্তত ৯-১০ লক্ষ টন জ্বালানি তেল মজুত থাকার কথা ছিল। অথচ দেখা যাচ্ছে, মজুত রয়েছে মাত্র ১ লক্ষ টন! এটা কেন হলো? ৪০-৪৫ দিনের জ্বালানি মজুত না রেখে কাগজে-কলমে রিজার্ভ বাড়ানোর যে গল্প গণমাধ্যমকে গেলানো হয়েছে, এখন তার খেসারত দিতে হবে সাধারণ মানুষকে। ভুগবে দেশের অর্থনীতি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এবং আরপিজিসিএল-এর দরপত্র আহ্বান পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি দপ্তরকে স্পট মার্কেট থেকে জরুরি ভিত্তিতে এলএনজি কেনার নির্দেশ দিয়েছেন। এতে আরপিজিসিএল মার্চ মাসের জন্য অন্তত ৪টি স্পট এলএনজি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা করেছে। প্রথম দুটি কার্গোর দরপত্র ইতিমধ্যে ইস্যু করা হয়েছে। যার সরবরাহ সময়সীমা মার্চের মাঝামাঝি। প্রতিটি কার্গোতে প্রায় ৩.৩৬ মিলিয়ন এমবিটিইউ এলএনজি থাকবে, যা
মহেশখালীর ভাসমান অবতরণ কেন্দ্রে খালাস করা হবে। বাকি দুটি কার্গো পরবর্তীতে দরপত্র ছাড়া হবে বলে জানা গেছে। এসব দরপত্রে তালিকাভুক্ত আন্তর্জাতিক বড় বড় সরবরাহকারীদের কাছ থেকে দর আহ্বান করা হয়েছে।ক্ষুদ্র ঋণ গ্লোবাল জেকেএম (জাপান-কোরিয়া মার্কার) স্পট মার্কেটে দাম ইতিমধ্যে বেড়ে গেছে ইউনিট প্রতি ১৩ থেকে ১৫.৫ ডলার পর্যন্ত। কাতারের সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় বিশ্বব্যাপী এলএনজি সরবরাহ চাপে পড়ে গেছে। বাংলাদেশের আহ্বান করা দরপত্রে কোম্পানিগুলো ইউনিট প্রতি ১৪-১৮ ডলার হাঁকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যা পূর্বের দরের চেয়ে অন্তত ৬ ডলার বেশি। এতে বাংলাদেশের আমদানি খরচ যেমন বাড়বে, তেমনি লোডশেডিংয়েরও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ মোট প্রায়
১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানি করার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থেকে ৮৬টি, শর্ট-টার্ম থেকে ১২টি এবং স্পট থেকে বাকিগুলো। কাতারের জ্বালানি উৎপাদন স্থগিতের কারণে স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভরতা বাড়বে, যা জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ। তবে বিশ্ব পরিস্থিতি দ্রুতই বদলাচ্ছে। যদি হরমুজ প্রণালী খুলে যায় বা উৎপাদন দ্রুত পুনরায় চালু হয়, তাহলেই কেবল দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।



