ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
‘জনপ্রিয়তা সহ্য করতে না পেরেই হাদিকে সরিয়েছে’— মির্জা আব্বাসের দিকে ইঙ্গিত জামায়াত আমিরের
শরীফ ওসমান বিন হাদির জনপ্রিয়তাই কারও কারও ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল এবং সেই ঈর্ষা থেকেই তাকে ষড়যন্ত্র করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) ফজর নামাজের পর শরীফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
যদিও ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে রাজনৈতিক মহল এবং উপস্থিত সুধীজনের ধারণা— তার এই তীর্যক মন্তব্যের লক্ষ্যবস্তু ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সম্প্রতি শরীফ ওসমান হাদি এবং স্থানীয় রাজনীতি নিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতার সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক দূরত্বের বিষয়টি আলোচনায় থাকায়, জামায়াত আমিরের এই বক্তব্যকে মির্জা আব্বাসের
প্রতি স্পষ্ট ‘ইঙ্গিত’ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। জামায়াত আমির বলেন, ‘শরীফ ওসমান হাদির জনপ্রিয়তাই সম্ভবত কেউ কেউ সহ্য করতে পারেনি। এ জন্যই তারা ষড়যন্ত্র করে হাদিকে সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তারা জানে না, বিপ্লবীদের খুন করে তাদের চেতনাকে হত্যা করা যায় না; বরং তা আরও ছড়িয়ে পড়ে।’ জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘চব্বিশের জুলাইয়ের আপনজন শরীফ ওসমান বিন হাদি। তিনি আজীবন ইনসাফ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের কথা বলে গেছেন। হাদিরা আপন সংস্কৃতির কথা বলতো। কোটি তরুণের প্রাণে দ্রোহের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল।’ হত্যাকারীদের বিচার দাবি করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকার যা করছে তাতে জনগণ এখনো সন্তুষ্ট নয়। হাদির খুনিদের আইনিভাবে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’ এ
সময় দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন প্রসঙ্গেও কথা বলেন জামায়াত আমির। আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রতি স্পষ্ট ‘ইঙ্গিত’ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। জামায়াত আমির বলেন, ‘শরীফ ওসমান হাদির জনপ্রিয়তাই সম্ভবত কেউ কেউ সহ্য করতে পারেনি। এ জন্যই তারা ষড়যন্ত্র করে হাদিকে সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তারা জানে না, বিপ্লবীদের খুন করে তাদের চেতনাকে হত্যা করা যায় না; বরং তা আরও ছড়িয়ে পড়ে।’ জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘চব্বিশের জুলাইয়ের আপনজন শরীফ ওসমান বিন হাদি। তিনি আজীবন ইনসাফ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের কথা বলে গেছেন। হাদিরা আপন সংস্কৃতির কথা বলতো। কোটি তরুণের প্রাণে দ্রোহের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল।’ হত্যাকারীদের বিচার দাবি করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকার যা করছে তাতে জনগণ এখনো সন্তুষ্ট নয়। হাদির খুনিদের আইনিভাবে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’ এ
সময় দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন প্রসঙ্গেও কথা বলেন জামায়াত আমির। আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।



