ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
ছায়ানটে হামলা: ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাংস্কৃতিক ও সংগীত ঐতিহ্যের ধারক ছায়ানটে হামলা, ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ৩০০ থেকে ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুক্রবার মধ্যরাতে ধানমন্ডি থানায় এ মামলা করা হয়। এতে বাদ্যযন্ত্র, আসবাব ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জামসহ ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। তবে মামলা হলেও হামলায় জড়িত কাউকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ধানমন্ডি অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার জিসানুল হক বলেন, হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। ঘটনার পর থেকে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ধানমন্ডিতে ছায়ানটের ছয়তলা ভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে একদল লোক। তাদের তাণ্ডবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় প্রতিটি কক্ষ।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্যবস্থাপক দুলাল ঘোষ বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে মামলা করেন। ছায়ানটের মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে অস্ত্রশস্ত্রসহ কিছু দুষ্কৃতকারী ভবনের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করে। তারা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মো. শাহাবুদ্দিন, রাসেল হাজং এবং কর্মসহকারী হাফিজুল ইসলাম রিয়াজ ও মো. স্বপনকে মারধরে করে ভবন থেকে বের করে দেয়। আসামিরা মূল ফটক থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত ভাঙচুর করে এবং চতুর্থ ও ষষ্ঠ তলায় আগুন ধরিয়ে দেয়। মামলার শেষাংশে বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র অনুসারে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিনষ্ট, অরাজকতা সৃষ্টি ও দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার ভয়ানক দুরভিসন্ধি
হিসেবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করা হয়; যাতে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জিনিসপত্রের তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি ইলেকট্রিক তানপুরা, আটটি হারমোনিয়াম, পাঁচ হাজার ৬৯টি দুর্লভ বই, বেশ কয়েকটি দুর্লভ চিত্রকর্ম, আটটি ল্যাপটপ, তিনটি প্রিন্টার, ১৪টি সিসি ক্যামেরা, ২০০ কাঠের চেয়ার, ২০০ টেবিল, রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের পুরস্কার, ৫০টি দরজার কাঁচ, সিসি ক্যামেরার সমুদয় সেটআপ, নিচতলার প্রধান প্রবেশদ্বারের দুটি দরজা, তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ইত্যাদি। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শুক্রবার থেকে ছায়ানটের সংগীত বিদ্যায়তনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। দাপ্তরিক কার্যক্রমও বন্ধ, কারণ কাজ চালানোর মতো একটি কম্পিউটারও অক্ষত নেই। লুট হয়েছে ল্যাপটপ। ছায়ানটের প্রধান ব্যবস্থাপক দুলাল ঘোষ বলেন,
‘এখনও আমরা সব গুছিয়ে উঠতে পারিনি। তবে দ্রুতই কার্যক্রম শুরু করা যাবে বলে আশা করছি।’
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্যবস্থাপক দুলাল ঘোষ বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে মামলা করেন। ছায়ানটের মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে অস্ত্রশস্ত্রসহ কিছু দুষ্কৃতকারী ভবনের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করে। তারা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মো. শাহাবুদ্দিন, রাসেল হাজং এবং কর্মসহকারী হাফিজুল ইসলাম রিয়াজ ও মো. স্বপনকে মারধরে করে ভবন থেকে বের করে দেয়। আসামিরা মূল ফটক থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত ভাঙচুর করে এবং চতুর্থ ও ষষ্ঠ তলায় আগুন ধরিয়ে দেয়। মামলার শেষাংশে বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র অনুসারে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিনষ্ট, অরাজকতা সৃষ্টি ও দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার ভয়ানক দুরভিসন্ধি
হিসেবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করা হয়; যাতে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জিনিসপত্রের তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি ইলেকট্রিক তানপুরা, আটটি হারমোনিয়াম, পাঁচ হাজার ৬৯টি দুর্লভ বই, বেশ কয়েকটি দুর্লভ চিত্রকর্ম, আটটি ল্যাপটপ, তিনটি প্রিন্টার, ১৪টি সিসি ক্যামেরা, ২০০ কাঠের চেয়ার, ২০০ টেবিল, রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের পুরস্কার, ৫০টি দরজার কাঁচ, সিসি ক্যামেরার সমুদয় সেটআপ, নিচতলার প্রধান প্রবেশদ্বারের দুটি দরজা, তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ইত্যাদি। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শুক্রবার থেকে ছায়ানটের সংগীত বিদ্যায়তনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। দাপ্তরিক কার্যক্রমও বন্ধ, কারণ কাজ চালানোর মতো একটি কম্পিউটারও অক্ষত নেই। লুট হয়েছে ল্যাপটপ। ছায়ানটের প্রধান ব্যবস্থাপক দুলাল ঘোষ বলেন,
‘এখনও আমরা সব গুছিয়ে উঠতে পারিনি। তবে দ্রুতই কার্যক্রম শুরু করা যাবে বলে আশা করছি।’



