ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নওগাঁ রণক্ষেত্র
জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল
জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি
জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে?
নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের?
শেরপুরের ঘটনায় নির্বাচনী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে: জামায়াতের আমির
ছাত্রলীগ সন্দেহে এসআই-এর মোবাইল-ল্যাপটপ জব্দের ঘটনায় এসপি-ওসিসহ তিনজনের নামে মামলা
গাইবান্ধায় ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে পুলিশের এক এসআই-এর মোবাইল ও ল্যাপটপ জব্দ করার ঘটনায় পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলা, সদর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম তালুকদারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
গতকাল ২২শে অক্টোবর, বুধবার বিকেলে জেলা সদর আমলী আদালতে মামলাটি করেন এসআই মনিরুজ্জামানের স্ত্রী কাজলী খাতুন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী জান্নাতি ফেরদৌসী লাবণী। মামলার অপর আসামি হলেন- এসআই মনিরুজ্জামানের দুঃসম্পর্কের আত্মীয় তারেকুজ্জামান তুহিন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত মার্চে তুহিন ফেসবুকে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে এসআই মনিরুজ্জামানকে নিয়ে পোস্ট দেন। এরপর ২৫শে মার্চ বিকেলে পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলা ওসি শাহিনুর ইসলামের মাধ্যমে মনিরুজ্জামানকে ডেকে পাঠান। এসময় তার মোবাইল পরীক্ষা করে
ল্যাপটপও থানায় এনে পর্যালোচনা করা হয়। পরে পুলিশ সুপার উভয় ডিভাইস নিজের জিম্মায় রেখে দেন। এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনাটি প্রকাশ করলে চাকরিচ্যুত করা ও হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে এসআই মনিরুজ্জামানকে রাজশাহী রেঞ্জের জয়পুরহাটের কালাই থানায় বদলি করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী জান্নাতি ফেরদৌসী লাবণী জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। এদিকে মামলার পরদিন বৃহস্পতিবার এসআই মনিরুজ্জামানকে কালাই থানা থেকে জয়পুরহাট পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালাই থানার ওসি বলেন, “বিষয়টি আমাদের এসপি স্যারের কাছে বিস্তারিত জানতে পারবেন।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।
ল্যাপটপও থানায় এনে পর্যালোচনা করা হয়। পরে পুলিশ সুপার উভয় ডিভাইস নিজের জিম্মায় রেখে দেন। এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনাটি প্রকাশ করলে চাকরিচ্যুত করা ও হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে এসআই মনিরুজ্জামানকে রাজশাহী রেঞ্জের জয়পুরহাটের কালাই থানায় বদলি করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী জান্নাতি ফেরদৌসী লাবণী জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। এদিকে মামলার পরদিন বৃহস্পতিবার এসআই মনিরুজ্জামানকে কালাই থানা থেকে জয়পুরহাট পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালাই থানার ওসি বলেন, “বিষয়টি আমাদের এসপি স্যারের কাছে বিস্তারিত জানতে পারবেন।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।



