ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
ছাত্রলীগ সন্দেহে এসআই-এর মোবাইল-ল্যাপটপ জব্দের ঘটনায় এসপি-ওসিসহ তিনজনের নামে মামলা
গাইবান্ধায় ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে পুলিশের এক এসআই-এর মোবাইল ও ল্যাপটপ জব্দ করার ঘটনায় পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলা, সদর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম তালুকদারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
গতকাল ২২শে অক্টোবর, বুধবার বিকেলে জেলা সদর আমলী আদালতে মামলাটি করেন এসআই মনিরুজ্জামানের স্ত্রী কাজলী খাতুন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী জান্নাতি ফেরদৌসী লাবণী। মামলার অপর আসামি হলেন- এসআই মনিরুজ্জামানের দুঃসম্পর্কের আত্মীয় তারেকুজ্জামান তুহিন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত মার্চে তুহিন ফেসবুকে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে এসআই মনিরুজ্জামানকে নিয়ে পোস্ট দেন। এরপর ২৫শে মার্চ বিকেলে পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলা ওসি শাহিনুর ইসলামের মাধ্যমে মনিরুজ্জামানকে ডেকে পাঠান। এসময় তার মোবাইল পরীক্ষা করে
ল্যাপটপও থানায় এনে পর্যালোচনা করা হয়। পরে পুলিশ সুপার উভয় ডিভাইস নিজের জিম্মায় রেখে দেন। এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনাটি প্রকাশ করলে চাকরিচ্যুত করা ও হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে এসআই মনিরুজ্জামানকে রাজশাহী রেঞ্জের জয়পুরহাটের কালাই থানায় বদলি করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী জান্নাতি ফেরদৌসী লাবণী জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। এদিকে মামলার পরদিন বৃহস্পতিবার এসআই মনিরুজ্জামানকে কালাই থানা থেকে জয়পুরহাট পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালাই থানার ওসি বলেন, “বিষয়টি আমাদের এসপি স্যারের কাছে বিস্তারিত জানতে পারবেন।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।
ল্যাপটপও থানায় এনে পর্যালোচনা করা হয়। পরে পুলিশ সুপার উভয় ডিভাইস নিজের জিম্মায় রেখে দেন। এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনাটি প্রকাশ করলে চাকরিচ্যুত করা ও হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে এসআই মনিরুজ্জামানকে রাজশাহী রেঞ্জের জয়পুরহাটের কালাই থানায় বদলি করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী জান্নাতি ফেরদৌসী লাবণী জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। এদিকে মামলার পরদিন বৃহস্পতিবার এসআই মনিরুজ্জামানকে কালাই থানা থেকে জয়পুরহাট পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালাই থানার ওসি বলেন, “বিষয়টি আমাদের এসপি স্যারের কাছে বিস্তারিত জানতে পারবেন।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।



