ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের
যুদ্ধের মধ্যেও খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি বেড়েছে ইরানের
কতদিন চলবে যুদ্ধ, জানাল ইরানের সেনাবাহিনী
যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছরের দম্ভ চুরমার করে দিল ইরান
ইরান যুদ্ধ: ‘অহমিকা’ ও ‘অবিশ্বাস’-এর মাঝেও কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান
কেন ইরান যুদ্ধের চরম মূল্য দিচ্ছে ইউরোপ ও এশিয়ার মার্কিন মিত্ররা?
খাদ্য ও ওষুধ সংকটে পড়তে পারে কোটি মানুষ
চার জিম্মির লাশ হস্তান্তর করল হামাস
বন্দিবিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে এবার চার ইসারইলি জিম্মির লাশ হস্তান্তর করেছে হামাস। বৃহস্পতিবার লাশ হস্তান্তরের জন্য দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় খান ইউনিসের পূর্বে একটি মঞ্চ তৈরি করা হয়। সেই মঞ্চ থেকেই কফিনে বন্দি চারটি মৃতদেহ রেড ক্রসের গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়।
চার নিহত জিম্মি হলেন- শিরি, এরিয়েল, কেফির বিবাস এবং ওদেদ লিফশিটজ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
আইডিএফ নিশ্চিত করেছে, রেড ক্রস ‘নিহত জিম্মিদের চারটি কফিন তুলে নিয়েছে।’ এখন তাদের গাজায় ইসরাইল সিকিউরিটি এজেন্সির (আইএসএ) সদস্যদের কাছে নিয়ে আসা হচ্ছে।
লাশগুলো দেখতে ভিড় জমায় স্থানীয় গাজাবাসী। এসময় রেড ক্রসের গাড়িতে করা মৃতদেহগুলো নিয়ে যেতে দেখতে রাস্তার পাশে জড়ো হয় জনতা।
এদিকে চার জিম্মির
মৃতদেহ রেড ক্রসে স্থানান্তর করার কিছুক্ষণ আগে হামাস দাবি করেছে, তারা নিহত ওই চার জিম্মিদের বাঁচিয়ে রাখতে ‘নিজেদের সাধ্যের সবকিছু করেছে।’ সেই সঙ্গে তারা বলেছেন, যাদের মৃতদেহ আজ ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তারা ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছে। হামাসের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসরাইলের নৃশংস এবং ক্রমাগত বোমাবর্ষণ তাদের সকল জিম্মিদের উদ্ধার করতে সক্ষম হতে বাধা দিয়েছে। তাদের জীবিত ফিরিয়ে দিতে পারলেই আমরা বেশি খুশি হতাম। আপনি এমন এক নেতৃত্বের শিকার যে তার সন্তানদের যত্ন নেয় না।’
মৃতদেহ রেড ক্রসে স্থানান্তর করার কিছুক্ষণ আগে হামাস দাবি করেছে, তারা নিহত ওই চার জিম্মিদের বাঁচিয়ে রাখতে ‘নিজেদের সাধ্যের সবকিছু করেছে।’ সেই সঙ্গে তারা বলেছেন, যাদের মৃতদেহ আজ ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তারা ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছে। হামাসের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসরাইলের নৃশংস এবং ক্রমাগত বোমাবর্ষণ তাদের সকল জিম্মিদের উদ্ধার করতে সক্ষম হতে বাধা দিয়েছে। তাদের জীবিত ফিরিয়ে দিতে পারলেই আমরা বেশি খুশি হতাম। আপনি এমন এক নেতৃত্বের শিকার যে তার সন্তানদের যত্ন নেয় না।’



