ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হাসপাতালের ৫ তলা থেকে ফেলে তরুণীকে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
সাড়ে চার মাসে ধর্ষণের শিকার ১১৮ শিশু
সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে গণতন্ত্র উদ্ধারে দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের প্রধান রুট হয়ে উঠেছে: দ্য অস্ট্রেলিয়ান টুডে
বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মেট্রোরেলে ২৫% ছাড়
৫ ট্রেনের বিলম্ব, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়
ঈদের লম্বা ছুটিতে মহাখালী বাসটার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ঢল
চট্টগ্রামে মাদ্রাসার শিক্ষক-পরিচালক মিলে ছাত্রদের দিনের পর দিন ধর্ষণ: ‘হাদিয়া’ দিয়ে খবর ধামাচাপার চেষ্টা
চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকার একটি মাদ্রাসায় একাধিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এবং এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মুখ খুলতে শুরু করেন। এমনকি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সংবাদটি প্রকাশ না করার বিনিময়ে সাংবাদিককে ‘হাদিয়া’ তথা ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব পর্যন্ত দেন।
পাঁচলাইশ থানার গ্রিন ভিউ আবাসিক এলাকার সালাউদ্দিন ম্যানশনে অবস্থিত তাহফিজুল কোরআন গাউছিয়া তৈয়বিয়া মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা মো. আশিকুর রহমান নঈমী এবং শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা দিনের পর দিন মাদ্রাসার ভেতরে অনাচারের আখড়া গড়ে তোলেন বলে জানান ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।
গত ১৯শে মে, মঙ্গলবার ভোরে প্রথম ঘটনাটি
ঘটে। সে সময় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এরপর ২৪শে মে, রোববার ঘটনাটি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী অন্য শিক্ষার্থীরাও একে একে মুখ খুলতে শুরু করেন এবং নিজেদের নির্যাতনের বিবরণ দিতে থাকেন। নির্যাতনের শিকার মাদ্রাসাছাত্ররা জানান, গত রমজান মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত চারবার শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে আপত্তিকর ও নগ্ন ছবি দেখিয়ে প্রলুব্ধ করে হুজুরের বিশ্রামকক্ষে নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে শরীরের বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থানে স্পর্শ করার পর পায়ুপথে নির্যাতন করা হয়। এই নির্যাতনের ফলে একজন শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। ভুক্তভোগী অন্য ছাত্ররা জানান, পড়া দেওয়ার অজুহাতে তাদের বিশ্রামকক্ষে ডেকে নেওয়া হতো এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত
দেওয়া হতো। বিষয়টি কাউকে জানালে পরিণাম ভালো হবে না বলে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। ফলে ভয়ে দীর্ঘদিন তারা বিষয়টি চেপে রেখেছিলেন। এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাষায়, “হুজুরেরা আমাদের মুঠোফোনে নগ্ন ছবি দেখিয়ে বিশ্রামকক্ষে নিয়ে যেতেন। কাউকে কিছু বললে ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হতো। ভয়ে আমরা কিছু বলতে পারিনি।” অভিযুক্ত শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনাটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। মুঠোফোনে তিনি বলেন, “আমি ছাত্রদের পড়ালেখার জন্য একটু চাপের মধ্যে রাখতাম। এ কারণে ছাত্ররা একজোট হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলছে।” তিনি আরও জানান, ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর মাদ্রাসার পরিচালক তাঁকে চাকরিচ্যুত করেছেন এবং বর্তমানে তিনি মাদ্রাসার বাইরে অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীরা জানান, ঘটনা প্রকাশের পর থেকে তিনি পলাতক
রয়েছেন। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা মো. আশিকুর রহমান নঈমীর বিরুদ্ধেও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। অভিযুক্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে মাদ্রাসা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাগুলো আগেই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা সমাধান করে ফেলেছেন। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে পরিচালক আশিকুর রহমান ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান এবং সংবাদটি চেপে যাওয়ার বিনিময়ে হাদিয়া অর্থাৎ ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, “বিষয়টি নিয়ে কেউ অভিযোগ দেয়নি। মাত্রই অবগত হয়েছি, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।” অর্থাৎ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত
হওয়ার সময় পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের হয়নি এবং পুলিশি তদন্ত শুরু হয়নি।
ঘটে। সে সময় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এরপর ২৪শে মে, রোববার ঘটনাটি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী অন্য শিক্ষার্থীরাও একে একে মুখ খুলতে শুরু করেন এবং নিজেদের নির্যাতনের বিবরণ দিতে থাকেন। নির্যাতনের শিকার মাদ্রাসাছাত্ররা জানান, গত রমজান মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত চারবার শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে আপত্তিকর ও নগ্ন ছবি দেখিয়ে প্রলুব্ধ করে হুজুরের বিশ্রামকক্ষে নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে শরীরের বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থানে স্পর্শ করার পর পায়ুপথে নির্যাতন করা হয়। এই নির্যাতনের ফলে একজন শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। ভুক্তভোগী অন্য ছাত্ররা জানান, পড়া দেওয়ার অজুহাতে তাদের বিশ্রামকক্ষে ডেকে নেওয়া হতো এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত
দেওয়া হতো। বিষয়টি কাউকে জানালে পরিণাম ভালো হবে না বলে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। ফলে ভয়ে দীর্ঘদিন তারা বিষয়টি চেপে রেখেছিলেন। এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাষায়, “হুজুরেরা আমাদের মুঠোফোনে নগ্ন ছবি দেখিয়ে বিশ্রামকক্ষে নিয়ে যেতেন। কাউকে কিছু বললে ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হতো। ভয়ে আমরা কিছু বলতে পারিনি।” অভিযুক্ত শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনাটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। মুঠোফোনে তিনি বলেন, “আমি ছাত্রদের পড়ালেখার জন্য একটু চাপের মধ্যে রাখতাম। এ কারণে ছাত্ররা একজোট হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলছে।” তিনি আরও জানান, ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর মাদ্রাসার পরিচালক তাঁকে চাকরিচ্যুত করেছেন এবং বর্তমানে তিনি মাদ্রাসার বাইরে অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীরা জানান, ঘটনা প্রকাশের পর থেকে তিনি পলাতক
রয়েছেন। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা মো. আশিকুর রহমান নঈমীর বিরুদ্ধেও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। অভিযুক্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে মাদ্রাসা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাগুলো আগেই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা সমাধান করে ফেলেছেন। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে পরিচালক আশিকুর রহমান ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান এবং সংবাদটি চেপে যাওয়ার বিনিময়ে হাদিয়া অর্থাৎ ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, “বিষয়টি নিয়ে কেউ অভিযোগ দেয়নি। মাত্রই অবগত হয়েছি, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।” অর্থাৎ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত
হওয়ার সময় পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের হয়নি এবং পুলিশি তদন্ত শুরু হয়নি।



