ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন
কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত
‘দেড় বছর প্রচণ্ড ক্ষমতা ভোগ করে ওনার মাথা আওলা হয়ে গেছে’: সাংবাদিক মাসুদ কামাল
‘এনসিপিকে দেয়া ৭০ কোটি টাকা কোথায় পেলেন আসিফ?’—মুনতাসিরের বিস্ফোরক অভিযোগ
চট্টগ্রামের দুটির পর এবার গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানারও উৎপাদন বন্ধ
দেশে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে সার শিল্পে। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)–এর উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সার উৎপাদন কেন্দ্র ঘোড়াশাল পলাশ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি নির্দেশনার পর বুধবার বিকেল থেকে কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে বোরো কৃষিতে সারের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কারখানার মহা-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম জানান, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বাধ্য হয়ে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শতভাগ সক্ষমতায়
চালু ছিল ঘোড়াশাল পলাশ সার কারখানাটি। তবে গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে সরকারের বড় ক্ষতি হচ্ছে। এই ক্ষতি কৃষিতেও পড়বে। সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর এই কারখানাটি চালু রাখতে দৈনিক অন্তত ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই চাপের গ্যাস প্রয়োজন হয়। তবে ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পেলেও সীমিত আকারে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তীব্র জ্বালানি সংকটে দুই বৃহৎ সার কারখানা সিইউএফএল ও কাফকোর উৎপাদন স্থগিত বর্তমানে কারখানার গুদামে প্রায় ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় নতুন করে উৎপাদন করা
সম্ভব হচ্ছে না। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই আবার পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে ফেরা যাবে। তবে কবে নাগাদ পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। এদিকে বিষয়টি জানতে পলাশে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র স্থানীয় অফিসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
চালু ছিল ঘোড়াশাল পলাশ সার কারখানাটি। তবে গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে সরকারের বড় ক্ষতি হচ্ছে। এই ক্ষতি কৃষিতেও পড়বে। সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর এই কারখানাটি চালু রাখতে দৈনিক অন্তত ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই চাপের গ্যাস প্রয়োজন হয়। তবে ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পেলেও সীমিত আকারে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তীব্র জ্বালানি সংকটে দুই বৃহৎ সার কারখানা সিইউএফএল ও কাফকোর উৎপাদন স্থগিত বর্তমানে কারখানার গুদামে প্রায় ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় নতুন করে উৎপাদন করা
সম্ভব হচ্ছে না। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই আবার পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে ফেরা যাবে। তবে কবে নাগাদ পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। এদিকে বিষয়টি জানতে পলাশে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র স্থানীয় অফিসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।



