ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি: ইউনুস সরকারের একনায়কোচিত সিদ্ধান্তের ধাক্কা টেলিকমিউনিকেশন খাতেও
চীনা দূতাবাসের ঈদ উপহার বিতরণে জামায়াতের “দলীয়প্রীতি”: প্রকৃত দুস্থদের বঞ্চিত করে দলীয় অবস্থাসম্পন্ন লোকজনের মাঝে বণ্টন
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নিয়ে বিতর্ক: ছাত্রদল নেতার হাতে গরিবদের অনুদানের টাকা
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে কখন কোথায় ঈদের জামাত
এনএসসিকে ‘হুমকি’ দিয়ে আরও বিপাকে বুলবুল
ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, দুই দশকের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: আদায় হবে অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা
ঘুষের বিনিময়ে দেশ বিক্রির রাজনীতির নামই ছিল বিএনপি–জামায়াত
ঘুষের বিনিময়ে দেশ বিক্রির রাজনীতির নামই ছিল বিএনপি–জামায়াত।
নাইকো রায় সেই লুটের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
২০০৫ সালে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো বাংলাদেশে কাজ পায় যোগ্যতায় নয়, ঘুষের জোরে। তৎকালীন বিএনপি–জামায়াত সরকার রাষ্ট্রকে বিক্রি করে দিয়েছিল বিদেশি লুটেরাদের হাতে। এর ফল কী হয়েছিল?
দুই দফা বিস্ফোরণ, পরিবেশ ধ্বংস, মানুষের জীবন বিপর্যস্ত, আর গ্যাসক্ষেত্র ধ্বংসস্তূপে পরিণত।
নাইকোর অদক্ষতা সবার চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, কারণ তখন ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতির ঠিকাদাররা। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন লুটেরা রাজনীতি বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের সম্পদকে বানিয়েছিল ব্যক্তিগত আয়ের উৎস।
আজ আন্তর্জাতিক আদালত ইকসিডের রায় সেই নগ্ন সত্যকেই প্রতিষ্ঠা করেছে—
নাইকো অপরাধী।
ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
আর এই অপরাধের রাজনৈতিক পেছনের শক্তি ছিল
বিএনপি–জামায়াত জোট। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দেশের স্বার্থে কোনো আপোষ করেনি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে—ঘুষ দিয়ে রাষ্ট্রকে কিনে নেওয়ার দিন শেষ। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে জয় মানে শুধু এক বিলিয়ন ডলার নয়, এটা বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার বিজয়। যেখানে বিএনপি–জামায়াত ছিল লুটের দালাল, সেখানে আওয়ামী লীগ ছিল ন্যায়ের পাহারাদার। নাইকো মামলা দেখিয়ে দিয়েছে কারা দেশ বিক্রি করে, আর কারা দেশ রক্ষা করে। টেংরাটিলা বিস্ফোরণ কোনো “দুর্ঘটনা” ছিল না। এটা ছিল বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের ধারাবাহিক অপরাধের একটি ভয়ংকর অধ্যায়।
বিএনপি–জামায়াত জোট। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দেশের স্বার্থে কোনো আপোষ করেনি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে—ঘুষ দিয়ে রাষ্ট্রকে কিনে নেওয়ার দিন শেষ। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে জয় মানে শুধু এক বিলিয়ন ডলার নয়, এটা বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার বিজয়। যেখানে বিএনপি–জামায়াত ছিল লুটের দালাল, সেখানে আওয়ামী লীগ ছিল ন্যায়ের পাহারাদার। নাইকো মামলা দেখিয়ে দিয়েছে কারা দেশ বিক্রি করে, আর কারা দেশ রক্ষা করে। টেংরাটিলা বিস্ফোরণ কোনো “দুর্ঘটনা” ছিল না। এটা ছিল বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের ধারাবাহিক অপরাধের একটি ভয়ংকর অধ্যায়।



