ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোটেল কেলেঙ্কারির পর এবার দরিদ্র চা দোকানির ২৫ হাজার টাকা বকেয়া এনসিপির দুই নেতার
মুক্তিপণের টাকা নিতে এসে পুলিশি জালে ধরা এনসিপির ২ নেতা, ছাড়াতে থানায় মব- গ্রেপ্তার আরও ৩
শরীয়তপুরে সরকারি জমি দখল করে নির্মিত যুবদল নেতার ক্লাব গুঁড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত
গাজীপুরে একই কারখানার ৭০ শ্রমিক অসুস্থ
পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩
ফরিদগঞ্জে দেয়ালে দেয়ালে ছাত্রলীগের পোস্টারিং: নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৮ জনের মৃত্যু
ঘুম থেকে উঠে দুই শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ দেখেন মা
গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি ফ্ল্যাটে দুই শিশুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানার পূর্ব আরিচপুরের রূপবানের টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো- আব্দুল্লাহ বিন ওমর (৪) ও মালিহা আক্তার (৬)। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তাতুয়াকান্দি গ্রামের আব্দুল বাতেন মিয়ার ছেলে ও মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, আব্দুল বাতেন মিয়া পরিবার নিয়ে পূর্ব আরিচপুরের রূপবানের টেক এলাকার একটি আটতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকেন। পরিবারের তিন সন্তানের মধ্যে বড় সন্তান ছিলেন নানা বাড়িতে। শুক্রবার দুপুরে শিশুদের মা সালেহা বেগম মাথা ব্যথার ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। বিকেলে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, ঘরের মেঝেতে
পড়ে আছে দুই শিশুর রক্তাক্ত নিথর দেহ। নিহতদের পরিবারের ধারণা, বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ফ্ল্যাটে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছি। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। হত্যার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
পড়ে আছে দুই শিশুর রক্তাক্ত নিথর দেহ। নিহতদের পরিবারের ধারণা, বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ফ্ল্যাটে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছি। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। হত্যার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।



