গ্রেটা থুনবার্গের সঙ্গে কেমন আচরণ করল ইসরায়েলি সেনারা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ জুন, ২০২৫

গ্রেটা থুনবার্গের সঙ্গে কেমন আচরণ করল ইসরায়েলি সেনারা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ জুন, ২০২৫ |
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজার পথে রওনা হওয়া মানবিক সহায়তা বোটের যাত্রীদের প্রতি অপমানজনক আচরণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই বোটে থাকা ফরাসি চিকিৎসক বাতিস্ত আঁদ্রে। এই বোটে ছিলেন সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রাজনৈতিক দৈনিক পলিটিকো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ফ্রান্সে ফিরে সংবাদমাধ্যমকে আঁদ্রে জানান, যদিও শারীরিক নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটেনি, তবে ইসরায়েলি সীমান্ত রক্ষীরা বোটের যাত্রীদের, বিশেষ করে থুনবার্গকে, উপহাস করেছেন এবং ঘুমাতে না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যেই আমরা ঘুমিয়ে পড়তাম, সঙ্গে সঙ্গে জোরে গান বাজানো হতো, কেউ কেউ নাচতও।’ আঁদ্রে আরও জানান, আটককৃত যাত্রীদের খাবার ও পানির জন্যও যথেষ্ট ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এই বোটটি ছিল ‘মাদলিন’, যা ফ্রিডম ফ্লোটিলা

কোয়ালিশনের উদ্যোগে ইতালি থেকে ১ জুন গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় সাধারণ মানুষের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। সোমবার ভোরে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলি নৌবাহিনী বোটটি থামিয়ে যাত্রীদের আটক করে। মঙ্গলবার বাতিস্ত আঁদ্রে বলেন, ‘আমি আইনজ্ঞ নই, কিন্তু যা ঘটেছে তা নিঃসন্দেহে দুর্ব্যবহার।’ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের মতে, থুনবার্গ, আঁদ্রে এবং আরও দুই যাত্রী ফেরত পাঠানোর নথিপত্রে স্বাক্ষর করে মঙ্গলবারের মধ্যেই নিজ দেশে ফিরে যান। তবে বাকি যাত্রী ও কর্মীরা, যাদের মধ্যে রয়েছেন ফরাসি ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রিমা হাসান, এখনো ইসরায়েলি হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের আদালতে তোলা হবে। সোমবার একটি পূর্বধারিত ভিডিও বার্তায় থুনবার্গ বলেন, তারা

‘ইসরায়েল কর্তৃক আটক ও অপহরণ’ হয়েছেন এবং তিনি সুইডিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, এই অভিযান ছিল ইসরায়েলের গাজা অবরোধ এবং চলমান মানবিক সংকটের বিরুদ্ধে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। তবে ইসরায়েলি সরকার এই অভিযানে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে এবং পুরো ঘটনাকে একটি ‘জনসংযোগের নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে বোটটিকে ‘সেলফি ইয়ট’ বলে কটাক্ষ করেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
প্রতিদিনের ছোট ছোট ভুল অভ্যাসই ডেকে আনছে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও স্ট্রোক: অধ্যাপক ড. মজিবুল হক দেশের ৪ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা নেই ২ লাখ ৪২ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি টানা তৃতীয়বার স্পেন-ফ্রান্স মহারণ- কে এগিয়ে? শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে সেমিফাইনালে স্পেন যেই মানবপাচার সিন্ডিকেট হোতার গ্রেফতার চেয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার, মালয়েশিয়া সফরে তার সাথেই সাক্ষাত করলেন তারেক রহমান যশোরে বিএনপি-জামায়াতের মব সন্ত্রাসে আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যু গত ৩ বছরের হিসাবে ২০২৬ এর প্রথম প্রান্তিকে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ কমেছে যথাক্রমে ৫৮.৪৭% ও ৭০.৩৪% নাম বদল, নাকি নীতি বদল: ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান কি সত্যিই পাল্টে গেছে? ডিসেম্বরে দেশে ফিরে নেতাকর্মীসহ ‘আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা’ হাসিনার হাওরে গোসলে নেমে পর্যটক নিখোঁজ বন্যার ঝুঁকিতে আরও ৫ জেলা স্থগিত নয় সিলেট শিক্ষাবোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা ইরান আমাকে হত্যা করলে, নজিরবিহীন ‘বোমা হামলা’ হবে: ট্রাম্প খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার আইআরজিসি প্রধানের ভিডিও কাঁপিয়েছিল দেশ, বছর পার হলেও শুরু হয়নি বিচার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় হুমকিতে ২০২৭ সালের তেলের বাজার দুই দফা কমার পর আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম কক্সবাজারে ২০০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ৬ লাখ মানুষ