ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ জনতা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
টানা সাত দিন ধরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় রাজধানীর রায়েরবাগ-শনিরআখড়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌন ১টার দিকে রায়েরবাগ-শনিরআখড়া সড়ক অংশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন এলাকাবাসী। বিক্ষোভকারীরা জানান, গত সাত দিন ধরে তাদের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৭ দিন গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না ও দৈনন্দিন জীবনযাপন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করছে, যা ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। এমন অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি
আকর্ষণের জন্যই তারা সড়ক অবরোধে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান। বিক্ষোভকারীরা বলেন, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে তারা আন্দোলন আরও জোরদার করবেন। অবরোধের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অফিসগামী মানুষ, পণ্যবাহী যান এবং দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তবে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালুর সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার ট্রাফিক সাজেদুর রহমান বলেন, রায়েরবাগ ও শনিআখড়া এলাকায় ৭ দিন যাবৎ গ্যাস না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধ করেছে। আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে।
দ্রুতই অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে।
আকর্ষণের জন্যই তারা সড়ক অবরোধে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান। বিক্ষোভকারীরা বলেন, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে তারা আন্দোলন আরও জোরদার করবেন। অবরোধের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অফিসগামী মানুষ, পণ্যবাহী যান এবং দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তবে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালুর সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার ট্রাফিক সাজেদুর রহমান বলেন, রায়েরবাগ ও শনিআখড়া এলাকায় ৭ দিন যাবৎ গ্যাস না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধ করেছে। আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে।
দ্রুতই অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে।



