গোপনে রাশিয়ান ল্যাবে গিয়েছিলেন ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীরা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ আগস্ট, ২০২৫
     ৫:৩৬ অপরাহ্ণ

গোপনে রাশিয়ান ল্যাবে গিয়েছিলেন ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ আগস্ট, ২০২৫ | ৫:৩৬ 72 ভিউ
ইরানের একটি প্রতিনিধিদল গত বছর রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানে তারা দ্বৈত-ব্যবহারের প্রযুক্তি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। ওই প্রতিনিধিদলে ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীরা ছিলেন। যারা একটি নিষিদ্ধ সামরিক গবেষণা ইউনিটের সাথে যুক্ত। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস গোপন সূত্রের বরাতে এ তথ্য ফাঁস করে। এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ২০২৪ সালের আগস্টে এই সফরের নেতৃত্বে ছিলেন ৪৩ বছর বয়সী ইরানি পারমাণবিক পদার্থবিদ আলি কালভান্দ। তিনি কূটনৈতিক পরিষেবা পাসপোর্টে মস্কোতে এসেছিলেন। তার সাথে ছিলেন আরও চারজন। তখন কালভান্দ বলেছেন, তারা একটি বেসরকারি পরামর্শদাতা সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কিন্তু এখন পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানান, প্রতিনিধিদলটিতে একজন সামরিক কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স অফিসার এবং ইরানের প্রতিরক্ষামূলক উদ্ভাবন ও গবেষণা সংস্থা (এসপিএনডি) এর সাথে যুক্ত সদস্যরা ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ‘২০০৪-পূর্ববর্তী ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সরাসরি উত্তরসূরি সংস্থা’ হিসেবে এসপিএনডির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে। ইরান নিজেই দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে। পারমাণবিক অস্ত্রের সন্ধানের কথাও অস্বীকার করে আসছে। দেশটি বলেছে, তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। খামেনি গত মাসে বলেছিলেন, পশ্চিমারা তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সংঘাতের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে। অথচ ধর্মগতভাবে আমরা নিজেরাই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরোধী। ইরান ইন্টারন্যাশনাল গত বছর ইরানের ৩টি স্বাধীন সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এসপিএনডি পুনর্গঠনের মাধ্যমে তার গোপন পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে নিচ্ছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের মতে, ইরানি প্রতিনিধিদল রাশিয়ান কোম্পানিগুলো ভিজিট করে দ্বৈত-ব্যবহারের উপাদান তৈরি, ইলেকট্রন অ্যাক্সিলারেটর এবং ক্লিস্ট্রন, পারমাণবিক

ইমপ্লোশন সিমুলেশনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মধ্যে নিউট্রন জেনারেটর, বেসামরিক ও সামরিক প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস, বিকিরণ পরীক্ষার বিশেষজ্ঞরাও ছিলেন। পাশাপাশি এসপিএনডি-এর জন্য ক্রয় ফ্রন্ট হিসেবে কাজ করার জন্য ওয়াশিংটন কর্তৃক নিষেধাজ্ঞায় থাকা একটি কোম্পানির প্রাক্তন প্রধানও ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?