গুলি ছোড়েন ইয়াবা কারবারি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ

স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’

জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প

গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর

মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয়

গুলি ছোড়েন ইয়াবা কারবারি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৬:১৪ 158 ভিউ
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরের দক্ষিণ বিশিল এলাকায় নিজের ছয় তলা বাড়িতে থাকেন নূরে আলম ওরফে তুহিন মাহমুদ। চলাফেরা করেন দামি প্রাইভেটকারে। কখনও আবার মোটরসাইকেল নিয়ে দাপিয়ে বেড়ান। সবাই তাঁকে চেনেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা হিসেবে। এই পরিচয়ের আড়ালে তিনি বছরের পর বছর চালিয়ে আসছিলেন ইয়াবার কারবার। অবৈধ অস্ত্রও সঙ্গে রাখতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে তিনি ছাত্র-জনতার ওপর গুলি ছুড়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সম্প্রতি তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ডিএনসি মিরপুর সার্কেলের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর মাদক কারবারি তুহিন মাহমুদ ও তাঁর সহযোগী মো. রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ

সময় তাদের কাছে ৩০০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে মিলেছে পাঁচ রাউন্ড পিস্তলের গুলি। তবে অস্ত্রটির সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় দারুস সালাম থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দক্ষিণ বিশিলের সাত নম্বর সড়কের ১৬৭ নম্বর বাড়ির ষষ্ঠ তলায় থাকেন তুহিন। প্রায় সাত বছর ধরে তিনি ইয়াবা কারবারে যুক্ত। তবে এ বিষয়ে তিনি বেশ সাবধানী। নিজে ইয়াবা আনতে কক্সবাজারে যান না। কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের একটি মাদক কারবারি চক্রের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। সেই চক্রের সদস্যরা এসে তাঁকে চালান পৌঁছে দিয়ে যান। তারা সাধারণত এক বা দুই সপ্তাহ পর পর ১০ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে

আসেন। তুহিন তাঁর নির্ধারিত ক্রেতাদের কাছে এসব ইয়াবা বিক্রি করতেন। ক্রেতারা সবাই শাহ আলী, দারুস সালাম, গুদারাঘাট ও বিশিলসহ মিরপুরের বিভিন্ন এলাকার। ফলে নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে তাঁর এই কর্মকাণ্ডের কথা কেউ তেমন জানতেন না। সবাই জানতেন, তিনি ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতি করেন। তাই কেউ কিছু জানলেও সাহস করে বলতেন না। যদিও দলে তাঁর কোনো পদ ছিল বলে জানা যায়নি। অভিযান-সংশ্লিষ্টরা জানান, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ঘনিষ্ঠ ছিলেন তুহিন। অভিযানের সময় তেমন বেশকিছু ছবিসহ আলামত দেখা গেছে। দলের নাম-স্লোগান লেখা শতাধিক গেঞ্জিও মিলেছে তাঁর বাড়িতে। তাঁর স্টিলের আলমারিতে রাখা প্লাস্টিকের ছোট কৌটার ভেতর পাওয়া গেছে ৭.৬৫

পিস্তলের গুলি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি অবৈধ অস্ত্রটি আগেই কোথাও লুকিয়ে রাখেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অস্ত্রের বিষয়ে মুখ খোলেননি। অস্ত্র না থাকলে গুলি দিয়ে তিনি কী করেন? সেই প্রশ্নেরও কোনো উত্তর মেলেনি। অভিযোগ রয়েছে, এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও নির্বিঘ্নে মাদক কারবার চালানোর সুবিধার্থে তিনি অবৈধ অস্ত্র সঙ্গে রাখতেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে স্থানীয় নেতাদের নির্দেশে এ নেতা ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে মাঠে নেমেছিলেন। অবৈধ অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানোর পাশাপাশি গুলিও ছুড়েছিলেন তিনি। ডিএনসির এক কর্মকর্তা জানান, গুলি উদ্ধারের ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ তদন্ত করবে। তাদের তদন্তে অস্ত্রের খোঁজ মিলতে পারে। সেই সঙ্গে ছাত্র আন্দোলনে গুলি ছোড়ার বিষয়েও প্রমাণ

পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাদক উদ্ধারের মামলাটি ডিএনসি তদন্ত করছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’ জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট? বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয় ঢাকায় ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান: সেনাবাহিনীতে ‘ইসলামীকরণ’ ও আইন লঙ্ঘন নিয়ে বিতর্ক নয়াদিল্লিতে আ.লীগ নেতাদের সংবাদ সম্মেলন: কর্মীদের উচ্ছ্বাস, আন্তর্জাতিক প্রচার জোরদারের নির্দেশ শেখ হাসিনার হাইকোর্টের রুলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গ্রামীণফোনকে ৬ হাজার কোটি টাকার তরঙ্গ দেয়ার নজিরবিহীন তোড়জোড়! ড: ইউনুস রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক দালাল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে নির্বাচনের নীল নকশার প্রতিবাদে ও ইউনুস সরকারের পদত্যাগ দাবিতে ২০১ প্রকৌশলীর বিবৃতি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার? বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক। – সজীব ওয়াজেদ জয় গাইবান্ধায় লঙ্কাকাণ্ড: আসিফ নজরুলকে জুতা প্রদর্শন, ‘ভুয়া’ স্লোগানে পণ্ড সভা মৃত্যুদণ্ড দিয়েও দমানো যাবে না, জনগণ নৌকাই চায়: কড়া হুঙ্কার শেখ হাসিনার সীতাকুণ্ডে জঙ্গিদের গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, ৩ জন অপহৃত: চরম আইনশৃঙ্খলা বিপর্যয়ের শঙ্কা ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে খুলনায় এনসিপির পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: আটক ৩ অবৈধ সরকারের পালিত ‘মব সন্ত্রাসীদের’ পৈশাচিক হামলায় রক্তাক্ত জননেতা কামরুল হাসান রিপন: অবিলম্বে মুক্তির দাবি