গুলশান লেকে প্যাডেলচালিত রিকশা ফেলে দিলেন অটোরিকশা চালকরা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৫

গুলশান লেকে প্যাডেলচালিত রিকশা ফেলে দিলেন অটোরিকশা চালকরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৫ |
রাজধানীর বনানী এলাকায় লাঠি দিয়ে বেশ কয়েকজনকে মারধর করেছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা। রিকশা চালানোর দাবিতে তারা কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করছেন। এ সময় গুলশান লেকে প্যাডেলচালিত দুটি রিকশা ফেলে দেন আন্দোলনকারীরা। সোমবার দুপুরের দিকে বিক্ষুব্ধ ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকেরা এই কাজ করেন। একটি রিকশা ফেলে দেওয়া হয়েছে বনানী ১১ নম্বর ব্রিজ থেকে। আরেক রিকশা ফেলে দেওয়া হয়েছে ব্রিজের পাশ থেকে। বিক্ষুব্ধ ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকেরা বলছিলেন, তারা ব্যাটারিচালিত রিকশা চালাতে না পারলে অন্যরাও (প্যাডেলচালিত রিকশা) চালাতে পারবেন না। তাই তারা প্যাডেলচালিত দুটি রিকশা গুলশান লেকে ফেলে দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকেরা ব্রিজের ওপর অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন। তারা প্যাডেলচালিত রিকশা চলাচলে বাধা দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর

সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের সরিয়ে দেন। বনানী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে গুলশান সোসাইটি ঘোষণা করে ওই এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না। কিন্তু সোসাইটির এ সিদ্ধান্ত মেনে নেননি রিকশাচালকরা। তারা গত কয়েকদিন ধরে গুলশানের বিভিন্ন এলাকায় রিকশা চালানোর দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। আজ সোসাইটির লোকজন গুলশানের শেষ মাথায় এবং বনানী এলাকার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করছিল। এতে চালকরা ক্ষুব্ধ হয়ে যান। তারা বনানী ১১ নম্বর এলাকায় আন্দোলন শুরু করেন। এসময় যারা আন্দোলনের ছবি ও ভিডিও তুলতে আসেন তাদের লাঠিপেটা করেন তারা। স্থানীয়রা জানান, এখন পর্যন্ত ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা দুই থেকে তিনজন মোটরসাইকেল চালককে লাঠি দিয়ে পিটিয়েছেন। পরিস্থিতি

নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান জানান, ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা বর্তমানে বনানী ১১ নম্বর রোডে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবে আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ