ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাদেশ নিয়ে যে ‘খেলা’ সেটা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের: টিআইবি
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
“গুম” নয়, দীর্ঘ আট বছর “আত্মগোপনে” ছিলেন ব্যারিস্টার আরমান?
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানের জেরা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেছেন, ব্যারিস্টার আরমান দীর্ঘ আট বছর আত্মগোপনে ছিলেন এবং কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাকে গুম করেনি। সাক্ষী এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এসব অভিযোগ সত্য নয়।
রোববার (৮ মার্চ) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই জেরা পরিচালিত হয়। আসামিপক্ষের পক্ষে জেরা করেন কর্নেল কেএম আজাদের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, শাইখ মাহদী, এবিএম
সুলতান মাহমুদসহ অন্যান্যরা। জেরার সময় আইনজীবী টিটো বলেন, “আপনি আত্মগোপনে ছিলেন। কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুম করেনি। আপনার লেখা বই ‘আয়নাঘরের সাক্ষী, গুমজীবনের আট বছর’-এ বর্ণিত সব বিবরণ মিথ্যা।” জবাবে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, “এসব সত্য নয়।” মামলার আলামত যা ছিল গুম সংক্রান্ত একমাত্র এভিডেন্স, নিয়ে প্রশ্ন করলে সাক্ষী বলেন, “আমার ঘাড়ের গামছা, পরনের লুঙ্গি ও টি-শার্ট তদন্ত কর্মকর্তা চেয়েছিলেন। কিন্তু সংরক্ষণ না করায় দিতে পারিনি।” আইনজীবী টিটো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আরমান বলেন, “এটা সত্য নয়। আমি ধ্বংস করেছি।” জেরার একপর্যায়ে প্রমাণ হিসাবে ব্যারিস্টার আরমানের গুমজীবন নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়। আসামিপক্ষের আবেদনে প্রদর্শিত ভিডিওর ১৯ মিনিট ৪০
সেকেন্ডে লুঙ্গি-টি-শার্ট ও ঘাড়ে গামছা পরা অবস্থায় ব্যারিস্টার আরমানকে দেখা যায়। সাক্ষী বলেন, এটি মূল সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া। আইনজীবী টিটো বলেন, “প্রামাণ্যচিত্র তৈরির উদ্দেশ্যেই আপনি এসব পরেছেন।” জবাবে আরমান বলেন, “এটা সত্য নয়। ফুটেজটি মূল সিসিটিভি থেকে নেওয়া।” এরপর লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেমসহ সাত আসামির পক্ষে জেরার জন্য সময় চান আইনজীবী তাবারক হোসেন। প্রধান প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম আপত্তি জানালেও ট্রাইব্যুনাল আগামী ১০ মার্চ (সোমবার) জেরা চালিয়ে যাওয়ার দিন নির্ধারণ করেন। এই মামলায় আসামিরা হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকীসহ ১৭ জন, যাদের মধ্যে ১০ জন গ্রেফতার হয়েছেন। ব্যারিস্টার আরমান ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম
প্রসিকিউশন সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন এবং তার গুমজীবনের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় আট বছর গুম ছিলেন বলে দাবি করেন।এই জেরা মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ সাক্ষীর দাবি ও আসামিপক্ষের প্রশ্নের মধ্যে সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি উঠে এসেছে।
সুলতান মাহমুদসহ অন্যান্যরা। জেরার সময় আইনজীবী টিটো বলেন, “আপনি আত্মগোপনে ছিলেন। কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুম করেনি। আপনার লেখা বই ‘আয়নাঘরের সাক্ষী, গুমজীবনের আট বছর’-এ বর্ণিত সব বিবরণ মিথ্যা।” জবাবে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, “এসব সত্য নয়।” মামলার আলামত যা ছিল গুম সংক্রান্ত একমাত্র এভিডেন্স, নিয়ে প্রশ্ন করলে সাক্ষী বলেন, “আমার ঘাড়ের গামছা, পরনের লুঙ্গি ও টি-শার্ট তদন্ত কর্মকর্তা চেয়েছিলেন। কিন্তু সংরক্ষণ না করায় দিতে পারিনি।” আইনজীবী টিটো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আরমান বলেন, “এটা সত্য নয়। আমি ধ্বংস করেছি।” জেরার একপর্যায়ে প্রমাণ হিসাবে ব্যারিস্টার আরমানের গুমজীবন নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়। আসামিপক্ষের আবেদনে প্রদর্শিত ভিডিওর ১৯ মিনিট ৪০
সেকেন্ডে লুঙ্গি-টি-শার্ট ও ঘাড়ে গামছা পরা অবস্থায় ব্যারিস্টার আরমানকে দেখা যায়। সাক্ষী বলেন, এটি মূল সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া। আইনজীবী টিটো বলেন, “প্রামাণ্যচিত্র তৈরির উদ্দেশ্যেই আপনি এসব পরেছেন।” জবাবে আরমান বলেন, “এটা সত্য নয়। ফুটেজটি মূল সিসিটিভি থেকে নেওয়া।” এরপর লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেমসহ সাত আসামির পক্ষে জেরার জন্য সময় চান আইনজীবী তাবারক হোসেন। প্রধান প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম আপত্তি জানালেও ট্রাইব্যুনাল আগামী ১০ মার্চ (সোমবার) জেরা চালিয়ে যাওয়ার দিন নির্ধারণ করেন। এই মামলায় আসামিরা হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকীসহ ১৭ জন, যাদের মধ্যে ১০ জন গ্রেফতার হয়েছেন। ব্যারিস্টার আরমান ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম
প্রসিকিউশন সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন এবং তার গুমজীবনের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় আট বছর গুম ছিলেন বলে দাবি করেন।এই জেরা মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ সাক্ষীর দাবি ও আসামিপক্ষের প্রশ্নের মধ্যে সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি উঠে এসেছে।



