ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
গণমাধ্যমে হামলাকারীদের ‘বি/চ্ছি/ন্নতাবাদী উগ্রগোষ্ঠী’ বলে আখ্যায়িত করল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী উগ্রগোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। একই সঙ্গে দেশের সব নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকার বলেছে,
“কয়েকজন বিচ্ছিন্ন উগ্র গোষ্ঠীর দ্বারা সংঘটিত সকল প্রকার সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ়তার সঙ্গে সতর্ক থাকুন।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে সরকার স্পষ্টভাবে জানায়,
“আমরা সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন, অগ্নিসংযোগ এবং জানমাল ধ্বংসের সকল কর্মকাণ্ডকে দৃঢ়ভাবে ও দ্ব্যর্থহীনভাবে নিন্দা জানাই।”
এতে আরও বলা হয়, দেশ বর্তমানে একটি ‘গণতান্ত্রিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে’ এবং যারা বিশৃঙ্খলাকে পুঁজি করে শান্তিপূর্ণ পথকে উপেক্ষা করছে—এমন অল্প কয়েকজনের কারণে এই অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না।
বিবৃতিতে সাম্প্রতিক হামলার
শিকার গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বিশেষভাবে দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো ও নিউ এজ–এর সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলা হয়— “আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার জন্য আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। সন্ত্রাসের মুখেও আপনাদের সাহস ও সহনশীলতা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা মানেই সত্যের ওপর হামলা। আমরা আপনাদের পূর্ণ ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিচ্ছি।” পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারের এই বক্তব্য চলমান সহিংসতার প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পক্ষে একটি কঠোর ও সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করছে।
শিকার গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বিশেষভাবে দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো ও নিউ এজ–এর সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলা হয়— “আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার জন্য আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। সন্ত্রাসের মুখেও আপনাদের সাহস ও সহনশীলতা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা মানেই সত্যের ওপর হামলা। আমরা আপনাদের পূর্ণ ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিচ্ছি।” পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারের এই বক্তব্য চলমান সহিংসতার প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পক্ষে একটি কঠোর ও সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করছে।



