ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
খানজাহান আলীর মাজারের কুমিরটিকে ফেরত চাইলেন প্রধান খাদেম যুবদল সভাপতি
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘি থেকে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী একমাত্র মিঠাপানির কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিরের আক্রমণে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তে বন বিভাগ কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করেছে। তবে এই সিদ্ধান্তে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মাজারের ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত প্রধান খাদেম ও সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে জননিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন অনেক দর্শনার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দা।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে মাজারের সার্বিক নিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের সুরক্ষা এবং সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এক জরুরি সভায় কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরদিন
বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বন বিভাগের কর্মকর্তারা কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিয়ে যান। বর্তমানে প্রাণীটি সেখানে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ার পর বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান খাদেম এবং জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার এবং এই দিঘি সাড়ে ৫০০ বছর ধরে আমাদের পরিবার এবং আমরা দেখভাল করে আসছি। হ্যাঁ, আমাদের ভুলত্রুটি থাকতে পারে। এটা (কুমির) বাগেরহাটের মানুষের একটা সম্পদ। দুর্ঘটনা যেকোনও জায়গায় হতে পারে। তাই বলে কুমিরটি নিয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।” কুমির অপসারণের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি
আরও বলেন, “বাগেরহাট থানায় যদি কোনও লোক মারা যায়, তাহলে কি ওসির চাকরি চলে যাবে? থানা বন্ধ করে দিতে হবে, এমন কোনও নিয়ম আছে নাকি?” তারিকুল ইসলামের দাবি, ঐতিহাসিক এই কুমিরকে দেখতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ মাজারে আসেন। তাই দ্রুত কুমিরটিকে পুনরায় দিঘিতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। তিনি বলেন, “কুমির দেখতে এখানে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসে। কুমিরটি অনতিবিলম্বে এখানে ফেরত দেওয়া হোক। এর নিরাপত্তার জন্য যে ব্যবস্থা হোক, আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নেবো এবং আমরা তা করবো। এর আগে কুমিরটি কুকুর খাওয়ার জন্য সমস্যা হয়েছিল, আপনারা জানেন। আমরা ৮ জন দারোয়ান এখানে রেখেছি। তারপরও এভাবে একদিনের মধ্যে পুলিশ নিয়ে আইসে
আমাদের কুমিরটাকে নিয়ে যাওয়া, এটা ভালো কাজ হয় নাই।” তবে মাজারে আসা অনেক দর্শনার্থী প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক বলে মনে করছেন। মোল্লাহাট থেকে পরিবার নিয়ে মাজারে আসা দর্শনার্থী মতিউর রহমান বলেন, “কোনও মৃত্যুই তো কাম্য নয়। নাতি-নাতনি নিয়ে আসছি। আজ আমার পরিবারে যদি এমন দুর্ঘটনা ঘটতো, তবে কী হতো? কুমিরকে আপাতত সরিয়ে নেওয়া ঠিক আছে। তবে এখানে প্রয়োজনীয় বেড়া (বেষ্টনী) দিয়ে কুমিরটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হোক।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে ঐতিহাসিক দিঘিটিতে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ ও প্রজননের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) ২০০০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিল যে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মিঠাপানির কুমির সম্পূর্ণ
বিলুপ্ত হয়ে গেছে। খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারের দিঘির কুমিরগুলো ছিল সেই বিরল মিঠাপানির কুমির প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। এ বিষয়ে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী ও কুমির প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, “সুন্দরবনে আমরা তো কুমির থেকে বাচ্চা ফোটাচ্ছি। প্রশাসন যদি কঠোর হয়, বাইরের যদি কোনও হস্তক্ষেপ না থাকে, তবে ওই দিঘির এক পাড়ে একটি কুমির প্রজনন কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন নদ-নদী থেকে বেশ কয়েকটি মিঠাপানির কুমির উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।” এদিকে বন বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে উদ্ধার করা কুমিরটি সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও)
নির্মল কুমার পাল বলেন, “মিঠাপানির কুমিরকে নিয়ে নোনাপানির সুন্দরবনে ছাড়া হলে এটি বাঁচবে না। তা করাও হবে না। আমরা চেষ্টা করি যে প্রাণীটি যে পরিবেশের, তেমন পরিবেশেই ফিরিয়ে দিতে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুমিরটি কোথায় ছাড়া হবে তা নির্ধারণ করা হবে।” বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুনও জানিয়েছেন, কুমিরটির ভবিষ্যৎ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বলেন, “মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া কুমিরটিকে কী করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে পরে জানানো হবে। আপাতত ওখানে থাকুক।” জানা গেছে, শিশুমৃত্যুর ঘটনার পর জনস্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জেলা প্রশাসন জরুরি সভার আয়োজন করে। বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে আয়োজিত ওই
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শরীফ খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সভায় মাজার এলাকায় আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করা, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, কুমির সংরক্ষণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আপাতত কুমিরটিকে নিরাপদ স্থানে রাখা হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাবেষ্টনী, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং সুরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের পর পুনরায় মাজারের দিঘিতে ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে।
বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বন বিভাগের কর্মকর্তারা কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিয়ে যান। বর্তমানে প্রাণীটি সেখানে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ার পর বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান খাদেম এবং জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার এবং এই দিঘি সাড়ে ৫০০ বছর ধরে আমাদের পরিবার এবং আমরা দেখভাল করে আসছি। হ্যাঁ, আমাদের ভুলত্রুটি থাকতে পারে। এটা (কুমির) বাগেরহাটের মানুষের একটা সম্পদ। দুর্ঘটনা যেকোনও জায়গায় হতে পারে। তাই বলে কুমিরটি নিয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।” কুমির অপসারণের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি
আরও বলেন, “বাগেরহাট থানায় যদি কোনও লোক মারা যায়, তাহলে কি ওসির চাকরি চলে যাবে? থানা বন্ধ করে দিতে হবে, এমন কোনও নিয়ম আছে নাকি?” তারিকুল ইসলামের দাবি, ঐতিহাসিক এই কুমিরকে দেখতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ মাজারে আসেন। তাই দ্রুত কুমিরটিকে পুনরায় দিঘিতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। তিনি বলেন, “কুমির দেখতে এখানে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসে। কুমিরটি অনতিবিলম্বে এখানে ফেরত দেওয়া হোক। এর নিরাপত্তার জন্য যে ব্যবস্থা হোক, আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নেবো এবং আমরা তা করবো। এর আগে কুমিরটি কুকুর খাওয়ার জন্য সমস্যা হয়েছিল, আপনারা জানেন। আমরা ৮ জন দারোয়ান এখানে রেখেছি। তারপরও এভাবে একদিনের মধ্যে পুলিশ নিয়ে আইসে
আমাদের কুমিরটাকে নিয়ে যাওয়া, এটা ভালো কাজ হয় নাই।” তবে মাজারে আসা অনেক দর্শনার্থী প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক বলে মনে করছেন। মোল্লাহাট থেকে পরিবার নিয়ে মাজারে আসা দর্শনার্থী মতিউর রহমান বলেন, “কোনও মৃত্যুই তো কাম্য নয়। নাতি-নাতনি নিয়ে আসছি। আজ আমার পরিবারে যদি এমন দুর্ঘটনা ঘটতো, তবে কী হতো? কুমিরকে আপাতত সরিয়ে নেওয়া ঠিক আছে। তবে এখানে প্রয়োজনীয় বেড়া (বেষ্টনী) দিয়ে কুমিরটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হোক।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে ঐতিহাসিক দিঘিটিতে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ ও প্রজননের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) ২০০০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিল যে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মিঠাপানির কুমির সম্পূর্ণ
বিলুপ্ত হয়ে গেছে। খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারের দিঘির কুমিরগুলো ছিল সেই বিরল মিঠাপানির কুমির প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। এ বিষয়ে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী ও কুমির প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, “সুন্দরবনে আমরা তো কুমির থেকে বাচ্চা ফোটাচ্ছি। প্রশাসন যদি কঠোর হয়, বাইরের যদি কোনও হস্তক্ষেপ না থাকে, তবে ওই দিঘির এক পাড়ে একটি কুমির প্রজনন কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন নদ-নদী থেকে বেশ কয়েকটি মিঠাপানির কুমির উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।” এদিকে বন বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে উদ্ধার করা কুমিরটি সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও)
নির্মল কুমার পাল বলেন, “মিঠাপানির কুমিরকে নিয়ে নোনাপানির সুন্দরবনে ছাড়া হলে এটি বাঁচবে না। তা করাও হবে না। আমরা চেষ্টা করি যে প্রাণীটি যে পরিবেশের, তেমন পরিবেশেই ফিরিয়ে দিতে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুমিরটি কোথায় ছাড়া হবে তা নির্ধারণ করা হবে।” বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুনও জানিয়েছেন, কুমিরটির ভবিষ্যৎ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বলেন, “মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া কুমিরটিকে কী করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে পরে জানানো হবে। আপাতত ওখানে থাকুক।” জানা গেছে, শিশুমৃত্যুর ঘটনার পর জনস্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জেলা প্রশাসন জরুরি সভার আয়োজন করে। বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে আয়োজিত ওই
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শরীফ খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সভায় মাজার এলাকায় আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করা, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, কুমির সংরক্ষণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আপাতত কুমিরটিকে নিরাপদ স্থানে রাখা হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাবেষ্টনী, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং সুরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের পর পুনরায় মাজারের দিঘিতে ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে।



