কেন রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করছেন না মোদি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ আগস্ট, ২০২৫
     ৫:২৫ অপরাহ্ণ

কেন রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করছেন না মোদি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ আগস্ট, ২০২৫ | ৫:২৫ 75 ভিউ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি জটিল ভারসাম্যমূলক কাজ করছেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিন– উভয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাচ্ছেন। তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতকে একটি নিরপেক্ষ পক্ষ হিসেবে দাবি করছেন, যা মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী পশ্চিমা দেশগুলোর হতাশার কারণ। এখন মনে হচ্ছে, ট্রাম্প তাঁর ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছেন। ট্রাম্পের দাবি, মোদিকে অবশেষে একটি পক্ষ বেছে নিতে হবে। রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত সস্তায় যে তেল কিনছে, এর বিরোধিতা করছেন তিনি। গতকাল বুধবার সিএনএনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প ও মোদি– উভয়ে এককালে তাদের বন্ধুত্বকে উষ্ণ ভাষায় তুলে ধরেছেন। এসব এখন অতীত। গত সোমবার সিএনবিসির

সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অঙ্গীকার করেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে’ ভারতের ওপর ‘যথেষ্ট পরিমাণে’ শুল্ক বাড়ানো হবে। কারণ, তারা এখনও রুশ তেল কিনছে। নতুন শুল্ক হার কী হবে, তা স্পষ্ট নয়। নতুন হুমকিটি এসেছে গত সপ্তাহে ভারতীয় পণ্যের আমদানি শুল্ক ন্যূনতম ২৫ শতাংশ ঘোষণার পর। গত সপ্তাহে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘তারা (ভারত) সব সময় তাদের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ রাশিয়া থেকে কিনেছে। চীনের মতো রুশ জ্বালানির বৃহত্তম ক্রেতা ভারত। এগুলো এমন একসময় ঘটছে, যখন সবাই চায় রাশিয়া ইউক্রেনে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করুক।’ তবে ভারত সরকারও অনড় অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে এগিয়ে এলেও বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম

অর্থনীতি ভারত তা করেনি। তারা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘অযৌক্তিক’ বলেছে। রুশ ইউরেনিয়াম কেনার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ট্রাম্প হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, রাশিয়া থেকে কেন ইউরেনিয়াম ও সার আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র, তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। বিষয়টি জেনে বলতে হবে। গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক সম্পর্কে কথা বলছিলেন ট্রাম্প। তখন ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। আদানিকে বাঁচাতেই মোদির নীরবতা– দাবি রাহুলের যুক্তরাষ্ট্রে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতি তদন্তের কারণেই মোদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘কঠোর অবস্থান’ নিতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল

গান্ধী। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ট্রাম্পের হুমকির পরও মোদি তাঁর সামনে কথা বলছেন না। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে আদানির বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত চলছে। ওই তদন্তে মোদি, আদানি ও রাশিয়ার তেলের লেনদেন নিয়ে আর্থিক সম্পর্ক ফাঁস হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। রাহুল গান্ধীর দাবি, এ তদন্তের কারণেই মোদির ‘হাত বাঁধা’। যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত মোদি সরকারের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?