কলকাতার হুগলিতে তৃণমূলের রচনা ও অসিত দ্বন্দ্ব! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ আগস্ট, ২০২৫
     ৮:০১ পূর্বাহ্ণ

কলকাতার হুগলিতে তৃণমূলের রচনা ও অসিত দ্বন্দ্ব!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ আগস্ট, ২০২৫ | ৮:০১ 90 ভিউ
কলকাতার হুগলির চুঁচুড়ায় তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক অসিত মজুমদারের মধ্যে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পেয়েছে। বৃহস্পতিবার চুঁচুড়ার একটি স্কুল পরিদর্শনে রচনা বিধায়কের আচরণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। ঘটনার সূত্রপাত চুঁচুড়ার বাণীমন্দির স্কুল থেকে, যেখানে সাংসদ তহবিলের অর্থে একটি স্মার্ট ক্লাসরুম নির্মিত হয়েছে। অভিযোগ, সেই ক্লাসরুম নিয়ে বিধায়ক অসিত স্কুলে গিয়ে শিক্ষিকাদের গালিগালাজ করেন এবং তহবিলের টাকায় ক্লাসরুম তৈরির ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেন। সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছি। চুঁচুড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এতগুলি ছাত্রী পড়াশোনা করছে, ঐতিহ্যবাহী স্কুলে স্মার্ট ক্লাসরুম হওয়া খুবই প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিধায়ক এসে শিক্ষিকাদের সামনে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। তিনি কেন সাংসদ তহবিলের অর্থ দিয়ে এই ক্লাসরুম

তৈরি করা হয়েছে তা জিজ্ঞেস করেন এবং উগ্র আচরণ দেখান। আমি মনে করি, এটা অসহনীয়। শিক্ষকদের সামনে এমন অবজ্ঞাজনক আচরণ চলতে পারে না।” রচনা আরও বলেন, “আমি ভবিষ্যতেও এই ধরনের ক্লাসরুম নির্মাণ অব্যাহত রাখব। মানুষের পাশে থাকব। যারা আমার পথে বাধা দিতে চায়, তাদের বলব, ‘দম থাকলে আমাকে আটকে দেখাক।’ তিনি জানান, দলের অনেকেই বিধায়কের এই আচরণের কথা জানেন এবং তিনি নিজেও যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাবেন। অন্যদিকে বিধায়ক অসিত মজুমদার এই ঘটনার বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তিনি বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু বলবো না। যদি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তা লিখিতভাবে থানায় জমা দিন। সাংসদ রচনার কথা আমার ওপর প্রভাব ফেলে না।

দলকে যা বলব, বলব। সাংবাদিকদের কাছে কিছু বলব না। আমি ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কল্যাণই আমার কাজ।” এভাবে তৃণমূলের একাধিক স্তরে প্রকাশ্যে সাংসদ ও বিধায়কের মতবিরোধ, দলকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাতিরঝিল এক্সপ্রেসওয়ের রড চুরির একচ্ছত্র আধিপত্য ‘মাওরা সায়মন’ সিন্ডিকেটের: নেপথ্যে ভেজাল তাহের ও কাইলা হৃদয় ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি “হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া জেলখানার মাইকে ভেসে এল বাবা হওয়ার সংবাদ: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কারাজীবনের নির্মম আখ্যান পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি ‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ? নির্বাচন বৈধতা দিতে এক ব্যক্তির সাইনবোর্ডসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠান ‘পাশা’, একাই সাপ্লাই দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক! উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন হাজার হাজার প্রোফাইল ছবিতে একটাই কথা—“নো বোট, নো ভোট।” ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া আইনের শাসনের নির্লজ্জ চিত্র: ভুয়া মামলা ও আতঙ্কে বন্দী বাংলাদেশ বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূস সাহেব ঈদ করবেন কোথায়!