ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
কর্মজীবী নারীকে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা: জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা দাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের
বাংলাদেশের সকল কর্মজীবী নারীকে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা করে বক্তব্য দেওয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এই মন্তব্যকে ‘চরম ন্যাক্কারজনক, কুরুচিপূর্ণ এবং মানবাধিকারের প্রকাশ্য অবমাননা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সংগঠনটি তার নিঃশর্ত ও প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনার দাবি তুলেছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর মাহবুব আলম প্রদীপের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের মন্তব্যটি কেবল নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক নয়, বরং এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকা এবং তাদের সাম্প্রদায়িক মানসিকতারই এক
ধারাবাহিক প্রতিফলন। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ মনে করে, এই ধরনের বক্তব্য বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এর আগেও জামায়াত নেতা শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-কে ‘বেশ্যাখানা’ বলে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলেন, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এটি নারীবিদ্বেষী ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াতের কদর্য রাজনৈতিক দর্শনেরই একটি অংশ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, "এই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে লক্ষ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আমাদের মা-বোনদের পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলো এই জামাত-শিবির গোষ্ঠী।" তাই কর্মক্ষেত্রে কর্মরত নারীদের প্রতি এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকে শুধু শিষ্টাচারবহির্ভূতই নয়, বরং নারীর প্রতি জামায়াতে ইসলামীর প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্বেষ ও অবমাননার নগ্ন
প্রকাশ হিসেবে দেখছে সংগঠনটি। এদিকে, ডা. শফিকুর রহমানের এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন নারী অধিকার সংগঠন, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, দেশের নারীরা যখন শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশাসন থেকে শুরু করে উৎপাদন ব্যবস্থা পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, তখন এ ধরনের মন্তব্য তাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার একটি সুগভীর চক্রান্ত। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ দেশের সকল নারী-পুরুষকে এই নারীবিদ্বেষী, নির্যাতনকারী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার
আহ্বান জানানো হয়।
ধারাবাহিক প্রতিফলন। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ মনে করে, এই ধরনের বক্তব্য বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এর আগেও জামায়াত নেতা শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-কে ‘বেশ্যাখানা’ বলে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলেন, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এটি নারীবিদ্বেষী ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াতের কদর্য রাজনৈতিক দর্শনেরই একটি অংশ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, "এই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে লক্ষ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আমাদের মা-বোনদের পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলো এই জামাত-শিবির গোষ্ঠী।" তাই কর্মক্ষেত্রে কর্মরত নারীদের প্রতি এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকে শুধু শিষ্টাচারবহির্ভূতই নয়, বরং নারীর প্রতি জামায়াতে ইসলামীর প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্বেষ ও অবমাননার নগ্ন
প্রকাশ হিসেবে দেখছে সংগঠনটি। এদিকে, ডা. শফিকুর রহমানের এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন নারী অধিকার সংগঠন, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলছেন, দেশের নারীরা যখন শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশাসন থেকে শুরু করে উৎপাদন ব্যবস্থা পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, তখন এ ধরনের মন্তব্য তাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার একটি সুগভীর চক্রান্ত। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ দেশের সকল নারী-পুরুষকে এই নারীবিদ্বেষী, নির্যাতনকারী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার
আহ্বান জানানো হয়।



