
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

গাজায় ‘ব্যাপক’ স্থল অভিযান শুরু ইসরাইলের

হায়দ্রাবাদের ভবনে ভয়াবহ আগুন, বহু মানুষের প্রাণহানি

মা হচ্ছেন রাধিকা, দাদা হচ্ছেন আম্বানি

গ্রেফতার আতঙ্কে নেতানিয়াহু

ফের ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বন্ধ বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দর

পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, ভারতে নারী ব্লগার গ্রেফতার

টর্নেডোর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, প্রাণহানি বেড়ে ২১
কয়েদিদের সঙ্গে বসে পাক-ভারত ম্যাচ দেখছেন ইমরান খান

বহু প্রতীক্ষিত ও তুমুল উত্তেজনা ছড়ানো ক্রিকেট যুদ্ধে মুখোমুখি পাকিস্তান-ভারত। রোববার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট দেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ পৌঁছে যায় চরমে।
এরই মাঝে রোববার ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ৪৪টি কারাগারে। যার মধ্যে রয়েছে ইসলামাবাদের বিখ্যাত আদিয়ালা কারাগারও। যেখানে বন্দি রয়েছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান। তিনিও ম্যাচটি উপভোগ করছেন বলে জানা গেছে।
রোববার পাঞ্জাব সরকার এই উদ্যোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। খবর জিও নিউজের।
পাঞ্জাব হোম ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে কয়েদিদের— এমনকি শিশুদের সংশোধনাগারেও— এই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ দেখার সুযোগ দেওয়া হবে।
পাঞ্জাবের হোম সেক্রেটারি নুরুল আমিন মেঙ্গল কারা মহাপরিদর্শককে
(আইজি প্রিজনস) নির্দেশ দিয়েছেন, ‘ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে’। কারাগারে সংস্কার উদ্যোগ এদিকে পাঞ্জাব সরকারের কারাগার সংস্কার নীতির অংশ হিসেবে কয়েদিদের পুনর্বাসনে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এমনকি শুধু খেলার সম্প্রচারই নয়, কারাগারগুলোতে শিল্পকর্ম ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। যাতে বন্দিরা দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কারাগারে পাঠাগারও স্থাপন করা হয়েছে, যাতে বন্দিরা শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পান। এই উদ্যোগের ফলে কয়েদিরা সমাজের মূলধারায় ফিরে আসতে উৎসাহিত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
(আইজি প্রিজনস) নির্দেশ দিয়েছেন, ‘ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে’। কারাগারে সংস্কার উদ্যোগ এদিকে পাঞ্জাব সরকারের কারাগার সংস্কার নীতির অংশ হিসেবে কয়েদিদের পুনর্বাসনে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এমনকি শুধু খেলার সম্প্রচারই নয়, কারাগারগুলোতে শিল্পকর্ম ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। যাতে বন্দিরা দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কারাগারে পাঠাগারও স্থাপন করা হয়েছে, যাতে বন্দিরা শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পান। এই উদ্যোগের ফলে কয়েদিরা সমাজের মূলধারায় ফিরে আসতে উৎসাহিত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।