এক বছরেও গ্রেফতার হয়নি পালানো ৭২৪ বন্দি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ আগস্ট, ২০২৫
     ৬:৩৬ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ

ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন

সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি

বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ

দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে

‘গাইনি’ সমস্যায় জরুরি অস্ত্রোপচার এনসিপি নেত্রী মিতুর, বেড়েছে জটিলতা-সংক্রমণ

জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস

এক বছরেও গ্রেফতার হয়নি পালানো ৭২৪ বন্দি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ আগস্ট, ২০২৫ | ৬:৩৬ 85 ভিউ
গত বছরের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্দোলনের শেষদিকে হামলা হয় দেশের বিভিন্ন কারাগারে। এসব হামলায় নিহত হন ১৬ জন। কারাগার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় বিপুলসংখ্যক আসামি। এর এক বছর পেরিয়ে গেছে। এই দীর্ঘ সময়েও গ্রেফতার হয়নি জেল পলাতক ৭২৪ আসামি। এদের মধ্যে আছে বিডিআর বিদ্রোহ, বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা, উগ্রবাদ (জঙ্গি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি) এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ আসামি। উদ্ধার হয়নি কারাগার থেকে লুট হওয়া প্রায় সাড়ে সাত হাজার গুলি ও ২৯টি আগ্নেয়াস্ত্র। শুধু তাই নয়, পলাতক আসামিদের বিষয়ে কোনো তথ্যও নেই সংশ্লিষ্ট কারাগারগুলোতে। অন্যদিকে কারাগারে হামলা ও আসামিদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যেসব মামলা হয়েছে সেগুলো শিগগিরই নিষ্পত্তি হওয়ার

কোনো সম্ভাবনাও নেই। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। সূত্র জানায়, ওই সময় পাঁচটি কারাগার থেকে দুই হাজার ২৪৪ জন বন্দি পালিয়ে যায়। কারাগারগুলো হলো-নরসিংদী, শেরপুর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া এবং কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি। পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের কাউকেই আটক করতে পারেনি কারা কর্তৃপক্ষ। তবে এদের মধ্যে স্বেচ্ছায় ফেরত এসেছে ১৬০ জন। পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৩৬৩ জনকে। এখনো পলাতক আছে ৭২৪ জন। সূত্র আরও জানায়, নরসিংদী ও শেরপুর জেলা কারাগার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়ছে ৯৪টি। এর মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ৬৫টি। এখনো উদ্ধার হয়নি ২৯টি। লুট হওয়া ৯৪টি অস্ত্রের মধ্যে ৩৩টি চাইনিজ রাইফেল, বিডিএইড ৩৮টি এবং শটগান ২৩টি। এছাড়া গুলি লুট হয়েছে নয় হাজার ১৯০ রাউন্ড। এর মধ্যে

উদ্ধার হয়েছে এক হাজার ৭১২ রাউন্ড। সাত হাজার ৪৭৮ রাউন্ড গুলি এখনো উদ্ধার হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুষ্টিয়া কারাগার থেকে পালিয়ে যায় ১০৫ জন। এদের মধ্যে স্বেচ্ছায় কারাগারে হাজির হয়েছে পাঁচ আসামি। পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৮১ জনকে। এখনো পলাতক ১৭ জন। নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে পালিয়েছিল ৮৪৬ জন। এদের মধ্যে স্বেচ্ছায় ফেরত এসেছে ৬৪৪ জন। গ্রেফতার করা হয়েছে ৩৮ জনকে। পলাতক আছে ১৪২ জন। শেরপুর জেলা কারাগার থেকে পলাতক ৫১৮ আসামির মধ্যে স্বেচ্ছায় কেউ ফেরত আসেনি। গ্রেফতার করা হয়েছে ১৩৯ জনকে। পলাতক আছে ৩৭৮ জন। সাতক্ষীরা জেলা কারাগার থেকে পালিয়েছে ৫৯৬ জন। এদের মধ্যে স্বেচ্ছায় ফেরত এসেছে ৫০৯ জন। গ্রেফতার

করা হয়েছে ৪৪ জনকে। পলাতক ৪৩ জন। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে পালিয়েছিল ২০২ জন। কেউ ফেরত আসেনি। তবে গ্রেফতার করা হয়েছে ৬১ জনকে। এখনো পলাতক ১৪১ জন। সূত্রমতে, কারাগারগুলোতে হামলায় ১৬ জন নিহত হয়েছিল। এর মধ্যে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারগারে ছয়জন এবং জামালপুরে সাতজন বন্দি মারা যায়। এছাড়া কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দুজন এবং চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে একজন মারা যায়। এসব ঘটনায় ২ হাজার ২৪৪ জনকে আসামি করে ছয়টি মামলা করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে নরসিংদীতে দুটি এবং শেরপুর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া ও কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের ঘটনায় একটি করে মামলা হয়েছে। সব আসামি গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত মামলা চলবে বলে জানিয়েছেন

এআইজি (প্রিজন্স) জান্নাত-উল-ফরহাদ। তিনি বলেন, জেল পলাতকদের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। কারণ, ওই সময় সংশ্লিষ্ট কারাগারের সব নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলার পাশাপাশি লুট করা হয়েছিল। আদালত ও থানাগুলোতে তাদের বিষয়ে তথ্য আছে। তবে যেসব থানা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে সেসব থানার আসামিদের তথ্য থানাতেও নেই। তাই আদালত যখন কোনো আসামির বিষয়ে তথ্য চান তখন খবর নিয়ে দেখি ওই আসামি কারাগারে আছে কিনা। তিনি বলেন, কোনো মামলা আদালতে না উঠলে আমাদের জানার সুযোগ নেই যে, সংশ্লিষ্ট আসামি পালিয়ে গেছে। এক প্রশ্নের জবাবে এআইজি বলেন, যারা পলাতক তাদের বেশির ভাগই সাজাপ্রাপ্ত। আর সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মামলা সাধারণত আদালত তলব করেন। এ কারণেও পলাতক

আসামিদের নাম-পরিচয় বের করা কঠিন হচ্ছে। বন্দিদের পালানো এবং কারাগারগুলোতে হামলায় করা মামলার অগ্রগতি জানতে চাইলে এআইজি (প্রিজনস) জান্নাত-উল-ফরহাদ বলেন, মাঝে-মধ্যে দু-চারজন করে গ্রেফতার হচ্ছে। গ্রেফতারের পর তারা দুটি মামলার আসামি হয়ে কারাগারে প্রবেশ করছে। একটি পলায়নের, আরেকটি আগের মামলা। এখনো সব আসামি গ্রেফতার হয়নি। এর আগে চার্জশিট দিলে পলাতকরা সুবিধা পেয়ে যেতে পারে। তবে আদালত যদি আংশিক চার্জশিটের নির্দেশ দেন তাহলে পুলিশ যে কোনো সময় আদালতে তা দখিল করতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ওয়াশিংটন পোস্ট: ইরানে হামলায় ট্রাম্পকে প্ররোচনা দেন সৌদি যুবরাজ বিন সালমান গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়ম: ৯৭৩টি প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ৯০ কোটি টাকা ও ১৭৬ একর জমি ফেরতের সুপারিশ সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি খামেনির হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ: করাচির মার্কিন কনস্যুলেটে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২, আহত ১২০+ স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে কুষ্টিয়া আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সভাপতিসহ ৬ পদে আওয়ামীপন্থীরা জয়ী ‘গাইনি’ সমস্যায় জরুরি অস্ত্রোপচার এনসিপি নেত্রী মিতুর, বেড়েছে জটিলতা-সংক্রমণ গাইবান্ধায় নিজ বসতঘরে প্রাথমিক শিক্ষিকার হাত পা বাঁধা লাশ, মিলেছে ধর্ষণের আলামত আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস ঢালাও অভিযোগ, দুর্বল ভিত্তি : কার স্বার্থে এই মামলা? কিচেন ক্যাবিনেটের আঠারো মাসের অন্দরমহলে পুলিশ হত্যা তদন্ত শুরু হলে পালানোর পরিকল্পনায় হান্নান মাসুদ লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি? মব আতঙ্কে সরকারি বাসভবন ছাড়তে চাইছেন না ইউনূসসহ মবের হোতারা খাম্বা তারেকের নেতৃত্বে আবারও সেই অন্ধকারযুগে ফিরছে বাংলাদেশ