একুশের বিশ্বজয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি ও শেখ হাসিনার ভূমিকা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে

‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’

হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা

ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়

বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী

বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স-২০২৬ কি আদৌ মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদ মাধ্যমের পক্ষে?

‘সক্ষমতা বাড়াতে’ দরপত্র ছাড়াই র‌্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন

একুশের বিশ্বজয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি ও শেখ হাসিনার ভূমিকা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
বাঙালির রক্তস্নাত ২১শে ফেব্রুয়ারি আজ কেবল বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের এই গৌরবময় ইতিহাস বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ এক প্রেক্ষাপট। আর এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের চূড়ান্ত ধাপে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রবাসীদের উদ্যোগকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আন্তর্জাতিক দরবারে তুলে ধরার মাধ্যমেই এসেছিল ঐতিহাসিক এই অর্জন। দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে রাষ্ট্রভাগ হলেও মাতৃভাষার প্রশ্নে বাঙালি বরাবরই ছিল আপসহীন। উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করা হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাঙালি। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে শুরু হয় দুর্বার আন্দোলন। এই মুক্তিসংগ্রামে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দেন ভাষা

শহিদেরা। সেই থেকে দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল। কিন্তু একে আন্তর্জাতিক রূপ দেওয়ার পথটি তৈরি হয় নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে। যেভাবে শুরু স্বীকৃতি আদায়ের এই প্রক্রিয়ার শুরুটা হয়েছিল কানাডাপ্রবাসী দুই বাঙালি রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের হাত ধরে। ১৯৯৮ সালে তাঁরা ব্রিটিশ কলাম্বিয়াভিত্তিক সংগঠন ‘মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স অব দ্য ওয়ার্ল্ড সোসাইটি’র পক্ষ থেকে জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি আনানকে একটি চিঠি লেখেন। এতে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সাত জাতি ও সাত ভাষার ১০ জন সদস্য ওই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছিলেন। তবে মহাসচিবের দপ্তর থেকে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়, এ বিষয়ে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা—ইউনেস্কোর

সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও চূড়ান্ত স্বীকৃতি ১৯৯৯ সালের ৩ মার্চ ইউনেস্কো প্রবাসীদের জানায়, স্বীকৃতি আদায়ের এই প্রস্তাবটি পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্য রাষ্ট্রের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদের সভায় তুলতে হবে। ব্যক্তি বা কোনো সংগঠনের প্রস্তাব ইউনেস্কো গ্রহণ করে না। এ সময় রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিষয়টি জানার পর তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবটি তৈরি করে প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সরকারের এই দ্রুত ও সময়োপযোগী পদক্ষেপই ছিল স্বীকৃতির পথে সবচেয়ে বড় মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়েই ১৯৯৯ সালে প্যারিসে ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে বসে। সেখানে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব

দেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক। তিনি বিভিন্ন দেশের শিক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করে প্রস্তাবটির পক্ষে জোরালো জনমত গড়ে তোলেন। ফলস্বরূপ, ওই বছরের ১৭ নভেম্বর সম্মেলনে ১৮৮টি দেশের সমর্থনে একুশে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। এরপর ২০০০ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোতে ২১শে ফেব্রুয়ারি যথাযথ মর্যাদায় বিশ্বজুড়ে পালিত হতে শুরু করে। মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ও জাতিসংঘের স্বীকৃতি স্বীকৃতি আদায়ের পরপরই পৃথিবীর বিকাশমান এবং বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলোর মর্যাদা রক্ষা ও গবেষণার উদ্যোগ নেয় তৎকালীন সরকার। এর অংশ হিসেবে ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সরকার গঠন করে ২০১০ সালের ২১শে

ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এই ইনস্টিটিউট ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর জাতিসংঘের মূল পর্যায় থেকেও দিনটির স্বীকৃতি আসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেই। ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, যা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি বৈশ্বিক ক্যালেন্ডারে চিরস্থায়ী আসন লাভ করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ সালিশে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে চারশ পেরিয়ে অলআউট বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ‘যথাসময়ে’ জবাব দেবে ইরান ৫ মন্ত্রী নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে যাত্রা শুরু শুভেন্দু সরকারের সন্তানের বকেয়া শোধ না করলে পাসপোর্ট বাতিল চার মাস পর্যন্ত অবরোধে টিকে থাকতে পারে ইরান, সিআইএ রিপোর্টে নতুন তথ্য মমতার বিশ্বস্ত সহকর্মী থেকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী, যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বেগুনি শাড়িতে রাজকীয় সাজে মেহজাবীন স্কুল-কলেজের চেয়ে বেশি ঈদের ছুটি মাদরাসায় আর পুরোপুরি গোপনীয় থাকছে না এআই-আড্ডা শেরপুরে ১১ বছরের শিশু-কে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগঃ মরদেহ টয়লেট থেকে উদ্ধার, অভিযুক্ত পলাতক ‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’ হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায় বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী