ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
এই এনসিপিই কি দেশের তরুণ নেতৃত্বের প্রকৃত প্রতিনিধি?
জুলাই অভ্যুত্থানের গণ-আকাঙ্ক্ষা থেকে জন্ম নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজেদের “নতুন রাজনীতির” ধারক-বাহক বলে দাবি করে। কিন্তু বগুড়া থেকে ভেসে আসা একটি ভিডিও সেই দাবিকে আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।
কী ঘটেছিল?
বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রশিক্ষণার্থী এবং এনসিপির শিবগঞ্জ উপজেলা সমন্বয় টিমের সমন্বয়কারী সদস্য আলী আজম সাব্বিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন নারী প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করা, মোবাইল ফোনে আপত্তিকর বার্তা পাঠানো এবং অশ্লীল ভাষায় কথা বলার অভিযোগ ওঠে।
এরই জের ধরে গত ২৪ মে দুপুরে কয়েকজন নারী প্রশিক্ষণার্থী তাঁকে টিটিসির একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে এক ভুক্তভোগী নারী তাঁকে জুতা দিয়ে প্রহার করেন। এ সময় আলী আজম
সাব্বির নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান বলে জানা গেছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সারা দেশে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। দলীয় পদক্ষেপ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার রাতে এনসিপি বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ইমরানের স্বাক্ষরিত নোটিশে আলী আজম সাব্বিরকে দলের সব পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশও পাঠানো হয়েছে। বগুড়া টিটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষক রাশেদুল হাসান জানান, প্রতিষ্ঠান খোলার পর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাব্বিরের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সাব্বির কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামাও জমা দিয়েছেন। এ কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা? প্রশ্ন উঠেছে — এটি কি স্রেফ একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি তারুণ্যের নতুন রাজনীতি
বলে দাবি করা দলটিতে পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি বাসা বাঁধতে শুরু করেছে? গত কয়েক মাসে দেশজুড়ে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সামনে এসেছে। এনসিপি যেখানে নিজেকে সেই পুরনো ধারার বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে, সেখানে দলটির নিজের নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ স্বাভাবিকভাবেই হতাশ করেছে সমর্থকদের। উল্লেখযোগ্যভাবে, মাত্র মাস খানেক আগে রাজশাহীর দুর্গাপুরেও একটি সরকারি কলেজে একইভাবে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কলেজ শিক্ষিকাকে জুতাপেটা ও অধ্যক্ষসহ পাঁচ শিক্ষককে আহত করার অভিযোগ ওঠে, যার পর দলটি ওই নেতাকে বহিষ্কার করে। অর্থাৎ সমস্যাটি কোনো একটি দলের নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত। “নতুন রাজনীতি”র পরীক্ষা জুলাই আন্দোলনের উপর দাঁড়িয়ে সৃষ্টি হবার পর
এনসিপির নেতৃত্ব বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে এই দল হবে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং মানবিক মূল্যবোধে প্রোথিত। কিন্তু প্রতিষ্ঠার অল্প সময়ের মধ্যেই যদি দলটির নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি আর নারী নিপীড়নের অভিযোগ সামনে আসে, তাহলে সেই প্রতিশ্রুতির মূল্য কতটুকু — এ প্রশ্ন এড়ানো কঠিন। অভ্যুত্থানের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তরুণ সমাজ বুকে লালন করছে, তা পূরণ করতে হলে কেবল অভিযুক্তকে শোকজ করলেই চলবে না — দলটিকে নিজের ভেতরে মূল্যবোধের চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই তারুণ্যনির্ভর দলটিও ক্রমে পুরনো ধাঁচার রাজনীতির আরেকটি সংস্করণ হয়ে উঠবে — এই শঙ্কা এখন অনেকের মনে।
সাব্বির নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান বলে জানা গেছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সারা দেশে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। দলীয় পদক্ষেপ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার রাতে এনসিপি বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ইমরানের স্বাক্ষরিত নোটিশে আলী আজম সাব্বিরকে দলের সব পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশও পাঠানো হয়েছে। বগুড়া টিটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষক রাশেদুল হাসান জানান, প্রতিষ্ঠান খোলার পর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাব্বিরের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সাব্বির কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামাও জমা দিয়েছেন। এ কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা? প্রশ্ন উঠেছে — এটি কি স্রেফ একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি তারুণ্যের নতুন রাজনীতি
বলে দাবি করা দলটিতে পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি বাসা বাঁধতে শুরু করেছে? গত কয়েক মাসে দেশজুড়ে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সামনে এসেছে। এনসিপি যেখানে নিজেকে সেই পুরনো ধারার বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে, সেখানে দলটির নিজের নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ স্বাভাবিকভাবেই হতাশ করেছে সমর্থকদের। উল্লেখযোগ্যভাবে, মাত্র মাস খানেক আগে রাজশাহীর দুর্গাপুরেও একটি সরকারি কলেজে একইভাবে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কলেজ শিক্ষিকাকে জুতাপেটা ও অধ্যক্ষসহ পাঁচ শিক্ষককে আহত করার অভিযোগ ওঠে, যার পর দলটি ওই নেতাকে বহিষ্কার করে। অর্থাৎ সমস্যাটি কোনো একটি দলের নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত। “নতুন রাজনীতি”র পরীক্ষা জুলাই আন্দোলনের উপর দাঁড়িয়ে সৃষ্টি হবার পর
এনসিপির নেতৃত্ব বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে এই দল হবে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং মানবিক মূল্যবোধে প্রোথিত। কিন্তু প্রতিষ্ঠার অল্প সময়ের মধ্যেই যদি দলটির নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি আর নারী নিপীড়নের অভিযোগ সামনে আসে, তাহলে সেই প্রতিশ্রুতির মূল্য কতটুকু — এ প্রশ্ন এড়ানো কঠিন। অভ্যুত্থানের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তরুণ সমাজ বুকে লালন করছে, তা পূরণ করতে হলে কেবল অভিযুক্তকে শোকজ করলেই চলবে না — দলটিকে নিজের ভেতরে মূল্যবোধের চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই তারুণ্যনির্ভর দলটিও ক্রমে পুরনো ধাঁচার রাজনীতির আরেকটি সংস্করণ হয়ে উঠবে — এই শঙ্কা এখন অনেকের মনে।



