ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন
কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত
‘দেড় বছর প্রচণ্ড ক্ষমতা ভোগ করে ওনার মাথা আওলা হয়ে গেছে’: সাংবাদিক মাসুদ কামাল
‘এনসিপিকে দেয়া ৭০ কোটি টাকা কোথায় পেলেন আসিফ?’—মুনতাসিরের বিস্ফোরক অভিযোগ
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের এপিএসের ভাই গাড়িচালক থেকে মাত্র ৮ মাসে আঙুল ফুলে বটবৃক্ষ!
অন্তর্বর্তী সরকারের এক সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বড় ভাই রিয়াজুল ইসলাম—পেশায় গাড়িচালক—গত এক বছরে হঠাৎ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে আয়কর নথিতে উঠে এসেছে।
কীভাবে এত অল্প সময়ে গাড়িচালক হয়ে আঙুল ফুলে বটবৃক্ষে পরিণত হলেন, এ নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তুমুল আলোচনা। এই অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধিকে ঘিরেও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
রাতের আঁধারে সচিবালয়ে তদ্বিরের কারবার: দুই উপদেষ্টার এপিএস-পিও’র শতকোটি টাকা ধান্দার পর্দা ফাঁস
ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের দূর্ণীতি আর অনিয়মে ঠাসা ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়’ এর দায় নিতে চাচ্ছে না কেউই
আট মাসে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ
২০২৪-২৫ করবর্ষে দাখিল করা আয়কর রিটার্নে রিয়াজুল ইসলাম ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদের
তথ্য দিয়েছেন। নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল—মাত্র আট মাসে এই সম্পদ অর্জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই সময়কালেই তার ছোট ভাই মোয়াজ্জেম হোসেন সংশ্লিষ্ট সাবেক উপদেষ্টার এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগে দুই উপদেষ্টার সহকারীদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ৫০০ কোটি টাকা লোপাটকারী আসিফের সেই এপিএসের থাইল্যান্ড যাওয়ার আবেদন খারিজ আয়কর নথিতে কী আছে রিটার্ন ঘেঁটে দেখা যায়— ব্যবসায়িক মূলধন দেখানো হয়েছে ৯৬ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা। রাজধানীর শ্যামলী শাখা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের একটি হিসাবে ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৭২৮ টাকার এফডিআর রয়েছে, যার অর্জনের তারিখ ১০ই নভেম্বর ২০২৪। একই হিসাবে দুই দিন আগে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮৬৭ টাকা সঞ্চয়ী আমানত হিসেবে দেখানো
হয়েছে। গত বছরের ৩০শে জুন হাতে নগদ ৩ লাখ ১৫ হাজার ৯৩১ টাকা থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে। ডেলটা লাইফ ইনস্যুরেন্সে জমা রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩৯২ টাকা। এপিএসের অর্থ কেলেঙ্কারির পর বাবার ঠিকাদারি লাইসেন্স, ক্ষমা চাইলেন উপদেষ্টা আসিফ এ ছাড়া রিয়াজুল ও তার স্ত্রী সাথী খাতুনের নামে দুটি গাড়ি কেনার তথ্যও রয়েছে। এর একটি—নোয়া মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো গ-৩১-৫২৯৮)—রিয়াজুলের নামে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৪৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এবং কেনা হয়েছে ৩০ নভেম্বর ২০২৪। অন্যটি (ঢাকা মেট্রো চ-১২-৬৮৯৭) তার স্ত্রীর নামে, মূল্য ১২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা; কেনা হয়েছে ৩০ জুন ২০২৪। বৈধ আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দুদক সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজুল ইসলাম ওরফে
ইলিয়াস মণ্ডল নামে পরিচিত এই ব্যক্তির সম্পদের পক্ষে স্পষ্ট বৈধ উৎসের তথ্য এখনো উপস্থাপিত হয়নি। যদিও তিনি আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন, তবে সম্পদ বৃদ্ধির পেছনে আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। উপদেষ্টাদের এপিএস-পিওর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত করছে দুদক এর আগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ‘শতকোটি’ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে এবং দুদক প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে। তবে পরবর্তী সময়ে সেই অনুসন্ধানের অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। উপদেষ্টা আসিফের এপিএস ও সমন্বয়ক মোয়াজ্জেমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রিয়াজুলের বক্তব্য অভিযোগের বিষয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “আমার দুইটা গাড়ি আর ব্যাংকে কিছু এফডিআর ছাড়া আর কিছু নেই। অন্য কিছু থাকলে
দুদক মামলা করত।” আয়কর নথিতে কোটি টাকার ব্যবসায়িক মূলধন দেখানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, “আইনজীবী রিটার্ন তৈরি করেছেন। আমার মোট সম্পদ ৮০ লাখ টাকার বেশি হবে না।” উপদেষ্টাদের এপিএস-পিওসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক প্রশ্ন রয়ে গেছে একজন পেশাদার গাড়িচালকের আয় থেকে মাত্র ৮ মাসে প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পদ অর্জন—এটি কতটা বাস্তবসম্মত? ব্যবসায়িক মূলধন, ব্যাংক আমানত ও গাড়ি কেনার অর্থের উৎস কী? আয়কর নথি ও ব্যক্তিগত দাবির মধ্যে যে অসামঞ্জস্য দেখা যাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান কার্যকরভাবে এগোলে এই সম্পদ বৃদ্ধির প্রকৃত উৎস ও প্রেক্ষাপট স্পষ্ট হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
তথ্য দিয়েছেন। নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল—মাত্র আট মাসে এই সম্পদ অর্জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই সময়কালেই তার ছোট ভাই মোয়াজ্জেম হোসেন সংশ্লিষ্ট সাবেক উপদেষ্টার এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগে দুই উপদেষ্টার সহকারীদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ৫০০ কোটি টাকা লোপাটকারী আসিফের সেই এপিএসের থাইল্যান্ড যাওয়ার আবেদন খারিজ আয়কর নথিতে কী আছে রিটার্ন ঘেঁটে দেখা যায়— ব্যবসায়িক মূলধন দেখানো হয়েছে ৯৬ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা। রাজধানীর শ্যামলী শাখা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের একটি হিসাবে ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৭২৮ টাকার এফডিআর রয়েছে, যার অর্জনের তারিখ ১০ই নভেম্বর ২০২৪। একই হিসাবে দুই দিন আগে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮৬৭ টাকা সঞ্চয়ী আমানত হিসেবে দেখানো
হয়েছে। গত বছরের ৩০শে জুন হাতে নগদ ৩ লাখ ১৫ হাজার ৯৩১ টাকা থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে। ডেলটা লাইফ ইনস্যুরেন্সে জমা রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩৯২ টাকা। এপিএসের অর্থ কেলেঙ্কারির পর বাবার ঠিকাদারি লাইসেন্স, ক্ষমা চাইলেন উপদেষ্টা আসিফ এ ছাড়া রিয়াজুল ও তার স্ত্রী সাথী খাতুনের নামে দুটি গাড়ি কেনার তথ্যও রয়েছে। এর একটি—নোয়া মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো গ-৩১-৫২৯৮)—রিয়াজুলের নামে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৪৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এবং কেনা হয়েছে ৩০ নভেম্বর ২০২৪। অন্যটি (ঢাকা মেট্রো চ-১২-৬৮৯৭) তার স্ত্রীর নামে, মূল্য ১২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা; কেনা হয়েছে ৩০ জুন ২০২৪। বৈধ আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দুদক সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজুল ইসলাম ওরফে
ইলিয়াস মণ্ডল নামে পরিচিত এই ব্যক্তির সম্পদের পক্ষে স্পষ্ট বৈধ উৎসের তথ্য এখনো উপস্থাপিত হয়নি। যদিও তিনি আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন, তবে সম্পদ বৃদ্ধির পেছনে আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। উপদেষ্টাদের এপিএস-পিওর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত করছে দুদক এর আগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ‘শতকোটি’ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে এবং দুদক প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে। তবে পরবর্তী সময়ে সেই অনুসন্ধানের অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। উপদেষ্টা আসিফের এপিএস ও সমন্বয়ক মোয়াজ্জেমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রিয়াজুলের বক্তব্য অভিযোগের বিষয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “আমার দুইটা গাড়ি আর ব্যাংকে কিছু এফডিআর ছাড়া আর কিছু নেই। অন্য কিছু থাকলে
দুদক মামলা করত।” আয়কর নথিতে কোটি টাকার ব্যবসায়িক মূলধন দেখানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, “আইনজীবী রিটার্ন তৈরি করেছেন। আমার মোট সম্পদ ৮০ লাখ টাকার বেশি হবে না।” উপদেষ্টাদের এপিএস-পিওসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক প্রশ্ন রয়ে গেছে একজন পেশাদার গাড়িচালকের আয় থেকে মাত্র ৮ মাসে প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পদ অর্জন—এটি কতটা বাস্তবসম্মত? ব্যবসায়িক মূলধন, ব্যাংক আমানত ও গাড়ি কেনার অর্থের উৎস কী? আয়কর নথি ও ব্যক্তিগত দাবির মধ্যে যে অসামঞ্জস্য দেখা যাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান কার্যকরভাবে এগোলে এই সম্পদ বৃদ্ধির প্রকৃত উৎস ও প্রেক্ষাপট স্পষ্ট হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।



