উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৯:০০ অপরাহ্ণ

আরও খবর

সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা

মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল

ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন

ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বিতর্কের মুখে সরলেন বনমন্ত্রী মিন্টু, নয়া দায়িত্বে মেলিতা

অতিরিক্ত মদ্যপানে মৃত্যু: পরিবারের কারসাজিতে ‘জুলাই শহীদ’, জুটল ৩০ লাখ আর মামলায় নিরীহদের হয়রানি

মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল

ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর

উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৯:০০ 42 ভিউ
আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পর্যবেক্ষক সংস্থার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম ধাপের তালিকায় মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে স্বার্থের সংঘাত ও ক্ষমতার কেন্দ্রীভবনের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রথম ধাপে ১২ নম্বরে রয়েছে ‘অধিকার’। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আদিলুর রহমান খান বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা। একই সঙ্গে ‘অধিকার’-এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালক তাসনিম আরেফা সিদ্দিকী—যিনি শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল (সিআর) আবরারের স্ত্রী। এই বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছে—সরকারের উপদেষ্টাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতায় থাকা একটি সংস্থা কি আদৌ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের মতো সংবেদনশীল দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষ থাকতে পারে? নাম

প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কোনো প্রতীকী কাজ নয়। পর্যবেক্ষকের বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দূরত্বের ওপর। এখানে সেই দূরত্ব বজায় আছে—এটা বলা কঠিন।” বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে এ কারণে যে সরকার নিজেই গণভোটে প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অর্থাৎ নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী সরকার একটি নির্দিষ্ট ফলাফলের পক্ষে রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করার পর, সেই একই সরকারের উপদেষ্টা ও তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আবার ভোট ও গণভোটের স্বচ্ছতা মূল্যায়ন করবে—এমন পরিস্থিতিকে অনেকেই স্বার্থের সংঘাতের ক্লাসিক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নির্বাচন বিশ্লেষক বলেন, “যে সরকার ফলাফলের পক্ষে প্রচার করছে, তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজন যদি পর্যবেক্ষক

হয়—তাহলে পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট আগেই অনুমান করা যায়। এটি পর্যবেক্ষণ নয়, বরং বৈধতার সিল দেওয়ার প্রক্রিয়া।” আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা রয়েছে, পর্যবেক্ষক সংস্থাকে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পারিবারিক স্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে হবে। কিন্তু বর্তমান তালিকায় সরকার → উপদেষ্টা → উপদেষ্টার প্রতিষ্ঠিত সংস্থা → আরেক উপদেষ্টার পরিবারের সদস্য—এই সংযোগ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সস্ত্রীক সিআর আবরার নাগরিক সমাজের একজন প্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এখানে শুধু একজন বা দুটি নামের প্রশ্ন নয়। এটি একটি কাঠামোগত সমস্যা। ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা কোনো প্রতিষ্ঠানকে কি ইচ্ছাকৃতভাবে দূরে রাখা হয়েছে—সেই প্রশ্নও ওঠে।” বিশ্লেষকদের

মতে, এমন পর্যবেক্ষক তালিকা নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থাকে আরও দুর্বল করতে পারে। বিশেষ করে যখন নির্বাচন ও গণভোট একই সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে গণভোটের মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তখন পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একজন সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, “যদি পর্যবেক্ষক নিয়োগই বিতর্কিত হয়, তাহলে নির্বাচন শেষে ফলাফল যতই ‘আইনসম্মত’ বলা হোক, রাজনৈতিক ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।” আদিলুর রহমান খান এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি এখন আর শুধু ‘অধিকার’ বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ঘিরে নয়। প্রশ্নটি হলো—এই নির্বাচন কি সত্যিই ক্ষমতার বাইরে থাকা নিরপেক্ষ নাগরিকদের নজরদারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, নাকি ক্ষমতার ভেতর থেকেই তার বৈধতার

কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির কর্মীদের বেদম পিটুনিতে জামায়াতের আমির আইসিইউতে, ভাই নিহত সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা টিকটকে পরিচয়, রাজশাহীতে প্রেমিকের খোঁজে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ময়মনসিংহের তরুণী মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বিতর্কের মুখে সরলেন বনমন্ত্রী মিন্টু, নয়া দায়িত্বে মেলিতা ২রা মার্চ: ঐতিহাসিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস আজ অতিরিক্ত মদ্যপানে মৃত্যু: পরিবারের কারসাজিতে ‘জুলাই শহীদ’, জুটল ৩০ লাখ আর মামলায় নিরীহদের হয়রানি মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর ওয়াশিংটন পোস্ট: ইরানে হামলায় ট্রাম্পকে প্ররোচনা দেন সৌদি যুবরাজ বিন সালমান গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়ম: ৯৭৩টি প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ৯০ কোটি টাকা ও ১৭৬ একর জমি ফেরতের সুপারিশ সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি খামেনির হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ: করাচির মার্কিন কনস্যুলেটে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২, আহত ১২০+ স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে কুষ্টিয়া আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সভাপতিসহ ৬ পদে আওয়ামীপন্থীরা জয়ী