ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
১৯৭১ সালের ১২ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার চূড়ান্ত অভিযাত্রা
উনিশ মিনিটে একটি দেশ : লাখো কণ্ঠের একটি নাম, একটি বিকেল
নারী অধিকার সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা, জামায়াতের হুমকি এবং বিএনপি সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
স্বাধিকার আন্দোলনের অগ্নিঝরা মার্চঃ ৫ মার্চ ১৯৭১- টঙ্গীতে শ্রমিক হত্যাকাণ্ড ও বিক্ষোভ
শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় মহাসড়কে রূপের জাদু
দারিদ্র্যতা আর জাদুঘরে গেল না, গেল মানুষের সংসার
উদারপন্থা থেকে সরে ধর্মীয় নেতাদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেকের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন যে, প্রতিটি জেলা এবং উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে একজন ইমাম, খতিব বা স্থানীয় অন্য কোনো ধর্মের ধর্মীয় নেতাকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই পদক্ষেপটিকে সরকারের পক্ষ থেকে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি এবং সম্প্রদায়িক সচেতনতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ধর্মীয় নেতারা সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের সম্পৃক্ততা দিয়ে আমরা আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সম্প্রদায়িক ঐক্যকে শক্তিশালী করতে পারব।”
এই ঘোষণা সরকারের ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদানের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত, যা
গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগকে অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন, বলে মনে করা হচ্ছে এটি স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধ এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়াবে। গত ফেব্রুয়ারিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জেলা এবং উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিগুলোকে পুনর্গঠন করেছে, যাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধি, বার অ্যাসোসিয়েশন, চেম্বার অব কমার্স, প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখন ধর্মীয় নেতাদের যোগদানের মাধ্যমে কমিটিগুলো আরও বহুমুখী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার, যা গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর ক্ষমতায় এসেছে, আইনশৃঙ্খলা এবং দুর্নীতি দমনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। দেশে আসার পূর্বে তারেক রহমানের ২১শে আগস্ট ২০২৫-এ ফেসবুকে দেয়া জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা উপলক্ষে পোস্টে লিখেছিলেন: “Bangladesh belongs to no single
person, no group, and no party. It belongs to all of us. Every citizen, regardless of party or faith, race or ethnicity, whether believer or non-believer, shares one proud identity – being Bangladeshi. The BNP’s politics is rooted in this simple truth that every citizen must enjoy equal rights in every sphere of life. We believe no citizen should be forced to hide behind party labels for the sake of safety. Religious or political identity will not elevate anyone above the rule of law. Only democracy and the rule of law can guarantee the safety and dignity of all citizens, beyond
divisions of party, religion, or class. … Religion is individual, but the right to security is the birthright of every Bangladeshi citizen. Together, let us build the Bangladesh that belongs to us all.” এই বার্তায় তিনি স্পষ্টভাবে জোর দিয়েছিলেন যে রাষ্ট্র সকলের – ধর্ম, বিশ্বাস বা অবিশ্বাস নির্বিশেষে – এবং ধর্ম ব্যক্তিগত বিষয়, রাষ্ট্রের নয়। আইনের শাসনই সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, ধর্মীয় পরিচয় কাউকে উচ্চতর অধিকার দেবে না। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ধর্মীয় নেতাদের (প্রধানত ইমাম/খতিব) অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা তার পূর্বের এই অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক বলে সমালোচকরা মনে করছেন। পূর্বের বার্তায় ধর্মকে ‘ব্যক্তিগত’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় কমিটিতে (যা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ
করে) ধর্মীয় নেতাদের আনুষ্ঠানিক ভূমিকা দেয়া হচ্ছে – যা ধর্মকে রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করতে পারে। দেশে মৌলবাদী প্রভাবে ‘মোরাল পুলিসিং’ চরমে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ধর্মীয় নেতাদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে যুক্ত করা কি শরিয়া-অনুপ্রাণিত নিয়ন্ত্রণের দিকে ধাবিত করছে? পূর্বের পোস্টে নন-বিলিভার (নাস্তিক) সহ সকলের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু বর্তমান সিদ্ধান্তে ধর্মীয় নেতাদের প্রভাব বাড়লে সেই নিরাপত্তা কতটা অক্ষুণ্ণ থাকবে? এটি কি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও লন্ডন/প্রবাসকালীন উদারবাদী বার্তা থেকে সরে এসে রাজনৈতিক চাপের কাছে সমঝোতা? সমালোচকরা বলছেন, এটি ধর্মনিরপেক্ষতার সীমানা লঙ্ঘন করতে পারে। এই বৈপরীত্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, এবং সময়ই বলবে এটি শান্তির পথ না বিভাজনের নতুন দরজা
খুলছে কি না।
গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগকে অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন, বলে মনে করা হচ্ছে এটি স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধ এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়াবে। গত ফেব্রুয়ারিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জেলা এবং উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিগুলোকে পুনর্গঠন করেছে, যাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধি, বার অ্যাসোসিয়েশন, চেম্বার অব কমার্স, প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখন ধর্মীয় নেতাদের যোগদানের মাধ্যমে কমিটিগুলো আরও বহুমুখী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার, যা গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর ক্ষমতায় এসেছে, আইনশৃঙ্খলা এবং দুর্নীতি দমনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। দেশে আসার পূর্বে তারেক রহমানের ২১শে আগস্ট ২০২৫-এ ফেসবুকে দেয়া জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা উপলক্ষে পোস্টে লিখেছিলেন: “Bangladesh belongs to no single
person, no group, and no party. It belongs to all of us. Every citizen, regardless of party or faith, race or ethnicity, whether believer or non-believer, shares one proud identity – being Bangladeshi. The BNP’s politics is rooted in this simple truth that every citizen must enjoy equal rights in every sphere of life. We believe no citizen should be forced to hide behind party labels for the sake of safety. Religious or political identity will not elevate anyone above the rule of law. Only democracy and the rule of law can guarantee the safety and dignity of all citizens, beyond
divisions of party, religion, or class. … Religion is individual, but the right to security is the birthright of every Bangladeshi citizen. Together, let us build the Bangladesh that belongs to us all.” এই বার্তায় তিনি স্পষ্টভাবে জোর দিয়েছিলেন যে রাষ্ট্র সকলের – ধর্ম, বিশ্বাস বা অবিশ্বাস নির্বিশেষে – এবং ধর্ম ব্যক্তিগত বিষয়, রাষ্ট্রের নয়। আইনের শাসনই সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, ধর্মীয় পরিচয় কাউকে উচ্চতর অধিকার দেবে না। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ধর্মীয় নেতাদের (প্রধানত ইমাম/খতিব) অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা তার পূর্বের এই অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক বলে সমালোচকরা মনে করছেন। পূর্বের বার্তায় ধর্মকে ‘ব্যক্তিগত’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় কমিটিতে (যা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ
করে) ধর্মীয় নেতাদের আনুষ্ঠানিক ভূমিকা দেয়া হচ্ছে – যা ধর্মকে রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করতে পারে। দেশে মৌলবাদী প্রভাবে ‘মোরাল পুলিসিং’ চরমে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ধর্মীয় নেতাদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে যুক্ত করা কি শরিয়া-অনুপ্রাণিত নিয়ন্ত্রণের দিকে ধাবিত করছে? পূর্বের পোস্টে নন-বিলিভার (নাস্তিক) সহ সকলের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু বর্তমান সিদ্ধান্তে ধর্মীয় নেতাদের প্রভাব বাড়লে সেই নিরাপত্তা কতটা অক্ষুণ্ণ থাকবে? এটি কি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও লন্ডন/প্রবাসকালীন উদারবাদী বার্তা থেকে সরে এসে রাজনৈতিক চাপের কাছে সমঝোতা? সমালোচকরা বলছেন, এটি ধর্মনিরপেক্ষতার সীমানা লঙ্ঘন করতে পারে। এই বৈপরীত্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, এবং সময়ই বলবে এটি শান্তির পথ না বিভাজনের নতুন দরজা
খুলছে কি না।



