ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর
মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন
ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ, দুই ভাইসহ নিহত ৩
কুমিল্লায় বাস উল্টে নিহত ২, আহত ১৫
গাজীপুরে ঝুট গোডাউনে ভয়াবহ আগুন
খিলগাঁও ফ্লাইওভারে কাভার্ডভ্যানের চাপায় পুলিশ সদস্য নিহত
পারাপারের সময় ফেরি থেকে পড়ে নদীতে ডুবল ৫ যান, ৩ জনের মৃত্যু
উত্তরায় আবাসিক ভবনে আগুন, নিহত ৬
রাজধানীর উত্তরার ১১ নং সেক্টরের ১৮ নং সড়কের ৭ তলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। ওই ভবন থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার সকালে ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন লাগে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
নিহতরা হলেন—ফজলে রাব্বী (৩৮), হারিস (৫২) ও রাহাব (১৭), আফসানা, রোদেলা আক্তার (১৪) ও আড়াই বছর বয়সী শিশু রিসান।
ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস সূত্র।
সকাল ১০টার দিকে আগুন নেভানো হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ১৩ জন। তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আবাসিক ভবনটির দোতলার বাসিন্দা এপিক গ্রুপের মার্চেন্ডাইজার জাহিদুল ইসলাম
বলেন, সকাল সোয়া ৭টার দিকে কাচ ভাঙার আওয়াজ পাই। দরজা খুলে দেখি সামনে ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এরপর বুঝতে পারি সামনের ফ্ল্যাটে আগুন লেগেছে। তখন আমি দুই সন্তান, স্ত্রী ও শাশুড়িকে নিয়ে নিচে নেমে যাই। তিনি জানান, দোতলার একাংশ ও তিনতলা মিলে ডুপ্লেক্স। সেখানে কাঠের সিড়ি আছে। এ কারণে দোতলায় লাগা আগুন সহজেই তিন তলা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ডুপ্লেক্সে ভবন মালিক জুয়েল মোল্লা থাকেন। তিনি সকালে আগুন লাগার আগেই বিক্রমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। মৃতদের মধ্যে পাচতলার ভাড়াটে ফল ব্যবসায়ী হারিস হোসাইন, তার ছেলে মো. হেসাম (১৬) ও ভাতিজি রোদেলা (১৪) ছাদে ওঠার চেষ্টা করে সিড়িতে আটকে পড়েন। গেটে তালা ছিল। ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরার ১১ সেক্টর-১১ নম্বরের ১৮ নম্বর সড়ক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এমন খবরে সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে উত্তর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আর সকাল ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করা হয়। তালহা বিন জসিম বলেন, ঘরে প্রচুর আসবাব ছিল। সেগুলোতে আগুন লেগে যায়। আগুন তাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে।
বলেন, সকাল সোয়া ৭টার দিকে কাচ ভাঙার আওয়াজ পাই। দরজা খুলে দেখি সামনে ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এরপর বুঝতে পারি সামনের ফ্ল্যাটে আগুন লেগেছে। তখন আমি দুই সন্তান, স্ত্রী ও শাশুড়িকে নিয়ে নিচে নেমে যাই। তিনি জানান, দোতলার একাংশ ও তিনতলা মিলে ডুপ্লেক্স। সেখানে কাঠের সিড়ি আছে। এ কারণে দোতলায় লাগা আগুন সহজেই তিন তলা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ডুপ্লেক্সে ভবন মালিক জুয়েল মোল্লা থাকেন। তিনি সকালে আগুন লাগার আগেই বিক্রমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। মৃতদের মধ্যে পাচতলার ভাড়াটে ফল ব্যবসায়ী হারিস হোসাইন, তার ছেলে মো. হেসাম (১৬) ও ভাতিজি রোদেলা (১৪) ছাদে ওঠার চেষ্টা করে সিড়িতে আটকে পড়েন। গেটে তালা ছিল। ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরার ১১ সেক্টর-১১ নম্বরের ১৮ নম্বর সড়ক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এমন খবরে সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে উত্তর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আর সকাল ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করা হয়। তালহা বিন জসিম বলেন, ঘরে প্রচুর আসবাব ছিল। সেগুলোতে আগুন লেগে যায়। আগুন তাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে।



