ঈদুল আজহার শিক্ষা ও করণীয় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ June, ২০২৫

ঈদুল আজহার শিক্ষা ও করণীয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ June, ২০২৫ |
মুসলিম উম্মাহ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন, আলহামদুলিল্লাহ। হজরত ইব্রাহিম (আ.)এর কুরবানির অনুসরণে মুসলিম উম্মাহ প্রতি বছর ১০ই জিলহজ তারিখে পশু কুরবানি করে থাকে। ইসলামে এই যে কুরবানির শিক্ষা তা কি কেবল একটি পশু কুরবানির মধ্য দিয়েই সম্পন্ন হয়ে যায়? আসলে পশু কুরবানি করাটা হচ্ছে একটা প্রতিকি মাত্র। আল্লাহতায়ালা চান মানুষ যেন তার পশুসূলভ হৃদয়কে কুরবানি করে। হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুরো পরিবারের কুরবানি এমনই ছিল। তারা ব্যক্তি সার্থকে কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ করেছিলেন। আল্লাহর সাথে প্রেমবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার জন্য তিনি কোরবানি চান আর এ কুরবানির অর্থ কেবল পশু জবেহ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এ কুরবানি কারো জন্য নিজ প্রাণের

কুরবানিও হতে পারে আবার কারো নিজ পশুত্বের কুরবানিও হতে পারে। আমরা যদি মনের পশুকে কুরবানি করতে পারি তাহলেই আমরা আল্লাহতায়ালার প্রিয়দের অন্তর্ভূক্ত হতে পারব। এছাড়া বাহ্যিকভাবে যত বড় পশুই কুরবানি করি না কেন তা তার কাছে মূল্য রাখে না। যেভাবে পবিত্র কুুরআনে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘কুরবানির মাংস বা এদের রক্ত কখনো আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, বরং তার কাছে তোমাদের পক্ষ থেকে তাকওয়া পৌঁছে’ (সুরা হজ, আয়াত : ৩৭)। আল্লাহতা'লা আমাদের বুঝিয়েছেন, কুরবানির উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য শুধু এটি নয় যে যেভাবে ঈদুল আজহায় পশু কুরবানি করা হয়। শুধু পশু কুরবানিই এর ‍মূল উদ্দেশ্য নয় বরং এটি আমাদেরকে অবগত করার জন্য

যে উন্নত বস্তুর খাতিরে তুচ্ছ জিনিস কুরবানি করা আবশ্যক। এজন্যই মানুষের খাতিরে পশু কুরবানি করা হয়। তাই সব সময় আমাদেরকেও আমাদের সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসার খাতিরে উৎসর্গিত হওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকা উচিত। সুতরাং হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সুন্নত অনুযায়ী হজরত রাসুল করিম (সা.)-এর নির্দেশে কুরবানি পালনের মাধ্যমে প্রতি বছর একজন মুসলমান নিজের মাঝে তাকওয়াকে আরেকবার ঝালিয়ে নেন যেন প্রয়োজনের দিনে আল্লাহর পথে কুরবানির পশুর মতো নিজেকে সমর্পণ করতে পারেন। ঈদুল আজহার শরীয়ত দিক হলো, ঈদ গাহে দু’ রাকাত নামাজ আদায় করা, খুতবা শুনা এবং উচ্চস্বরে তাকবির পাঠ করা। ঈদের নামাজের আগে কিছু না খাওয়া মোস্তাহাব। মহানবী (সা.) ঈদুল আজহার দিন ঈদের নামাজ

আদায় পর্যন্ত কিছুই খেতেন না। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)। এছাড়া ঈদগাহে একপথ দিয়ে যাওয়া ও অন্যপথ দিয়ে ফেরা সুন্নত। (বোখারি) ঈদের নামাজ শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে কুরবানি করাই হচ্ছে মুসলমানদের মূল কাজ। সুনানে ইব্ন মাজাহ গ্রন্থে ঈদের ফজিলত সম্পর্কে এসেছে, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে ইবাদত করবে তার অন্তরকে আল্লাহতায়ালা রহমত ও বরকতের বারিধারা দিয়ে পরিপূর্ণ করে দেবেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ) ঈদ উদযাপন মূলত আল্লাহতায়ালার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন আর কৃতজ্ঞতার সর্বোত্তম পন্থা হলো, ধনী-গরীব সবাই একত্রিত হয়ে ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করা। ঈদ কেবল ভাল খাওয়ার বা ভাল পরার আর বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় আনন্দ ভ্রমণ করার নাম নয় বরং কৃতজ্ঞতা আদায়ের জন্য

একটা বিশেষ সুযোগ হিসেবে আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে ঈদ দান করেছেন। ঈদের দিন যেভাবে ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে যায়, এক কাতারে সবাই নামাজ আদায় করি, সবার সাথে হাসি মুখে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করি, ঠিক তেমনিভাবে সারাবছর একই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে আর বিভেদের সকল দেয়ালকে ভেঙ্গে ফেলতে হবে। বিশ্বময় সর্বপ্রকারের হিংসা বিদ্বেষ ও হানাহানি মুক্ত হোক। আগামী দিনগুলো সুন্দর ও সৌন্দর্যমণ্ডিত হোক আর হাসিখুশি ও ঈদের আনন্দে ভরে উঠুক প্রতিটি প্রাণ। সবাইকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। ডিটিএন মোঃ রাছেল রানা ০১৭১১৯০১০৯৫ rasel.rana01@gmail.com www.rrana.kst.org.bd

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নির্বাচনের আগেরদিন গ্রেপ্তার করেও দাবিয়ে রাখা যায়নি, বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ নেতার জয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র প্রতিবেদন: ৫টি এলপিজি কোম্পানির সিন্ডিকেট, পকেট কাটছে ভোক্তার ২৪টি এসি চালাতে ৭ কোটি টাকার সাবস্টেশন, ই-জিপির শর্তের তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারের নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ ইউনূস আমলের নীতিমালা সংশোধনীর ফাঁদে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ আউটসোর্স কর্মীর চাকরি ঝুঁকিতে জুলাই-আগস্টে সিলেটের থানা থেকে লুটের অস্ত্র মিলছে নদীর পাড়, চা বাগানে-জংলায়, জড়িতরা অধরা পদ্মার চর পেরিয়ে সোনা যাচ্ছে ভারতে, ঢুকছে হেরোইন-ফেনসিডিল ব্যান্ডউইথ ব্যবসার সিন্ডিকেট: ৩ প্রতিষ্ঠানের জোট- বাজার দখলের চেষ্টা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের নাভিশ্বাস চরমে, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ২১০৫ কোটি টাকার বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প! দলের নারী নেত্রীরা এমন হলে তাদের পুরুষ নেতাদের কী অবস্থা- প্রশ্ন মামুনুল হকের জুলাইতে আন্দোলন করে কোটা সংস্কারের পর পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের নারীরা অবশেষে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি এবং ওসিওয়াই তুলে দেওয়া হচ্ছে বিদেশিদের হাতে ফ্রান্সে জুলাই৩৬ঃ ছাত্র আন্দোলনে উত্তেজনা চরমে, এক দিনে প্রায় ২ হাজার গ্রেপ্তার ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণ, হাফেজকে গাছের সাথে বাঁধল জনতা বৃদ্ধাশ্রমে ঢুকে প্রতিবন্ধী বৃদ্ধাকে ধর্ষণচেষ্টা, মসজিদের ইমাম আটক আবারো সরবরাহ সংকটে বোতলজাত সয়াবিন, লিটারপ্রতি ৬-১০ টাকা বেশি নিচ্ছেন বিক্রেতারা সিসিটিভি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মোহাম্মদপুরে সেইন্ট ক্রিস্টিনা ক্যাথলিক চার্চের ঘণ্টা চুরি আওয়ামী লীগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোর গ্রেপ্তার ৯ গোল খেয়ে হারের পর নাইটক্লাবে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নারী নিয়ে ফূর্তির ছবি-ভিডিও ভাইরাল! দেখে নিন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি নিজেদের অদক্ষতা-ব্যর্থতা ঢাকতে জ্বালানি খাতে হাজারো মানুষের শ্রমে অর্জিত সফলতাকে অস্বীকার করছে তারেক-টুকু সরকার