ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২৪টি এসি চালাতে ৭ কোটি টাকার সাবস্টেশন, ই-জিপির শর্তের তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারের নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ
ইউনূস আমলের নীতিমালা সংশোধনীর ফাঁদে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ আউটসোর্স কর্মীর চাকরি ঝুঁকিতে
জুলাই-আগস্টে সিলেটের থানা থেকে লুটের অস্ত্র মিলছে নদীর পাড়, চা বাগানে-জংলায়, জড়িতরা অধরা
পদ্মার চর পেরিয়ে সোনা যাচ্ছে ভারতে, ঢুকছে হেরোইন-ফেনসিডিল
দলের নারী নেত্রীরা এমন হলে তাদের পুরুষ নেতাদের কী অবস্থা- প্রশ্ন মামুনুল হকের
জুলাইতে আন্দোলন করে কোটা সংস্কারের পর পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের নারীরা
অবশেষে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি এবং ওসিওয়াই তুলে দেওয়া হচ্ছে বিদেশিদের হাতে
ব্যান্ডউইথ ব্যবসার সিন্ডিকেট: ৩ প্রতিষ্ঠানের জোট- বাজার দখলের চেষ্টা
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়েই বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল নির্মাণের লাইসেন্স পাওয়া তিন প্রতিষ্ঠান ব্যান্ডউইথ ব্যবসায় একজোট হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, কনসোর্টিয়াম গড়ে দেশের ইন্টারনেট ব্যবসার বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, প্রতিষ্ঠান তিনটিকে আলাদা আলাদা লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, একসঙ্গে ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
মন্ত্রণালয় এমন উদ্যোগকে আইনবিরুদ্ধ এবং বাজার নিয়ন্ত্রণের কৌশল বলে মনে করছে। তবে কোম্পানিগুলোর দাবি, লাইসেন্স দেওয়ার সময় জোটবদ্ধভাবে ব্যবসা করার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না।
দেশের প্রথম বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের শেষ দিকে সামিট কমিউনিকেশনস, সিডিনেট কমিউনিকেশন্স ও মেটাকোর সাবকম মিলে কনসোর্টিয়াম গঠন করে। প্রকল্পটিতে তিন কোম্পানি
এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। সাতটি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ছাড়পত্র এখনো মেলেনি। এর মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আপত্তিতে প্রকল্পটি নতুন জটিলতায় পড়েছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমোদন ছাড়া আলাদা লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ কনসোর্টিয়াম গঠনের সুযোগ নেই। তাঁর ভাষ্য, কোম্পানিগুলো অনুমতি না নিয়েই কনসোর্টিয়াম করেছে। সরকারের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি-মি-উই-৬ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল চালু হলে সরকারের ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার কী হবে। সিডিনেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মশিউর রহমান জানান, ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি
লাইসেন্সের মধ্যে সাতটির অনুমোদন তাঁরা পেয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রও রয়েছে। তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠির কারণে কাজ আটকে আছে। অক্টোবরের মধ্যে ছাড়পত্র পেলে নভেম্বরে কাজ শুরু করে ফেব্রুয়ারিতে কার্যক্রম চালুর আশা করছেন তাঁরা। সাধারণ আইএসপি ও ছোট ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, তিন কোম্পানির এই জোট বাজারে সিন্ডিকেট গড়ে ব্যান্ডউইথের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এমন হলে ক্ষুদ্র অপারেটররা প্রতিযোগিতায় টিকতে না-ও পারে এবং গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে। বিষয়টি তদন্তে বিটিআরসির জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা। দেশে ব্যান্ডউইথের ঘাটতি দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে দুটি সাবমেরিন ক্যাবলের মোট সক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার জিবিপিএস। ২০২৭ সালে সি-মি-উই-৬ চালু হলে সরকারি
সক্ষমতা বেড়ে ৩৪ হাজার জিবিপিএসে পৌঁছাবে। বিটিআরসির হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালে দেশের ব্যান্ডউইথের চাহিদা হতে পারে ৩০ হাজার জিবিপিএস। অথচ ২০২৭ সালের মধ্যেই সরকারি সাবমেরিন ক্যাবল ও আইটিসির সম্মিলিত সক্ষমতা ৪১ হাজার জিবিপিএস ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা।
এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। সাতটি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ছাড়পত্র এখনো মেলেনি। এর মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আপত্তিতে প্রকল্পটি নতুন জটিলতায় পড়েছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমোদন ছাড়া আলাদা লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ কনসোর্টিয়াম গঠনের সুযোগ নেই। তাঁর ভাষ্য, কোম্পানিগুলো অনুমতি না নিয়েই কনসোর্টিয়াম করেছে। সরকারের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি-মি-উই-৬ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল চালু হলে সরকারের ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার কী হবে। সিডিনেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মশিউর রহমান জানান, ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি
লাইসেন্সের মধ্যে সাতটির অনুমোদন তাঁরা পেয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রও রয়েছে। তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠির কারণে কাজ আটকে আছে। অক্টোবরের মধ্যে ছাড়পত্র পেলে নভেম্বরে কাজ শুরু করে ফেব্রুয়ারিতে কার্যক্রম চালুর আশা করছেন তাঁরা। সাধারণ আইএসপি ও ছোট ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, তিন কোম্পানির এই জোট বাজারে সিন্ডিকেট গড়ে ব্যান্ডউইথের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এমন হলে ক্ষুদ্র অপারেটররা প্রতিযোগিতায় টিকতে না-ও পারে এবং গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে। বিষয়টি তদন্তে বিটিআরসির জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা। দেশে ব্যান্ডউইথের ঘাটতি দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে দুটি সাবমেরিন ক্যাবলের মোট সক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার জিবিপিএস। ২০২৭ সালে সি-মি-উই-৬ চালু হলে সরকারি
সক্ষমতা বেড়ে ৩৪ হাজার জিবিপিএসে পৌঁছাবে। বিটিআরসির হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালে দেশের ব্যান্ডউইথের চাহিদা হতে পারে ৩০ হাজার জিবিপিএস। অথচ ২০২৭ সালের মধ্যেই সরকারি সাবমেরিন ক্যাবল ও আইটিসির সম্মিলিত সক্ষমতা ৪১ হাজার জিবিপিএস ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা।



