ইসরাইলি হামলায় আরও ৩৮ ফিলিস্তিনি নিহত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪

ইসরাইলি হামলায় আরও ৩৮ ফিলিস্তিনি নিহত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪ |
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসাকর্মীরা। এর মধ্যে বেশিরভাগই নিহত হন বেইত লাহিয়ার একটি বাড়িতে হামলায়। এ নিয়ে গাজায় চলমান ইসরাইলি আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৪৪,৮০৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১০৬,২৫৭ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইত লাহিয়ায় একটি বহুতল ভবনে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছেন। ভবনটিতে ৩০ জনের বেশি মানুষ বসবাস করতেন। অনেকেই এখনও নিখোঁজ রয়েছেন এবং উদ্ধার অভিযান চলছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে হামলা

চালিয়েছে। এদিন বেইত হানুন, নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরেও হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। বেইত হানুনে হামলায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছে এবং নুসেইরাত ক্যাম্পে হামলায় এক পরিবারের সাত সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়াও গাজা সিটিতে এক হামলায় সাংবাদিক ইমান আল-শান্তি, তার স্বামী এবং তিন সন্তানসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। ইমান আল-শান্তি হলেন ১৯৩তম ফিলিস্তিনি সাংবাদিক, যিনি ইসরাইলি হামলায় প্রাণ হারালেন। দুই হামাস কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলি বাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তাদের সেনারা পৃথক হামলায় হামাসের দুই শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যা করেছে। তাদের মধ্যে একজন হলেন ফাহমি সেলমি, যিনি ছিলেন হামাসের অভিজাত ইউনিটের নেতা এবং হামাসের গত বছরের ৭ অক্টোবর অভিযানের অন্যতম প্রধান। অন্যজন হলেন সালাহ দামান,

যিনি ছিলন হামাসের জাবালিয়া অঞ্চলের প্যারাগ্লাইডিং ইউনিটের প্রধান। তাকে গত সপ্তাহে বিমান হামলায় হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি ইসরাইলের। ইসরাইলের দাবি, তারা হামাসের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য এই অভিযান চালাচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক এক অভিযানের পরই এই আগ্রাসন শুরু হয়। ইসরাইল এই আগ্রাসনকে হামাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসেবে দেখছে। তবে ফিলিস্তিনি জনগণ এটিকে বেসামরিক নাগরিক এবং তাদের বাসস্থান ধ্বংস করার অভিযান হিসেবে দেখছে। সূত্র: রয়টার্স

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য